১১৩ (namo namo sachi chito ranjan)

          নমো নমো শচীচিতরঞ্জন, সন্তাপভঞ্জন-

          নবজলধরকান্তি, ঘননীল-অঞ্জন–  নমো হে, নমো নমো।।

          নন্দনবীথির ছায়ে    তব পদপাতে   নব পারিজাতে

          উড়ে পরিমল মধুরাতে–  নমো হে, নমো নমো ।

          তোমার কটাক্ষের ছন্দে   মেনকার মঞ্জীরবন্ধে

          জেগে উঠে গুঞ্জন   মধুকরগঞ্জন–  নমো হে, নমো নমো।।

রাগ: ইমন-ভূপালী

তাল: কাহারবা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৩৪১

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ২৬ মে, ১৯৩৪

রচনাস্থান: পানাদুরা (শ্রীলঙ্কা)

স্বরলিপিকার: শৈলজারঞ্জন মজুমদার

Rendition

Notation

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

তুমি যে এসেছ
Songs
          তুমি যে এসেছ মোর ভবনে    রব উঠেছে ভুবনে ॥
নহিলে   ফুলে কিসের রঙ লেগেছে,      গগনে কোন্‌ গান জেগেছে,
                             কোন্‌ পরিমল পবনে ॥
          দিয়ে      দুঃখসুখের বেদনা   আমায় তোমার সাধনা।
আমার       ব্যাথায় ব্যথায় পা ফেলিয়া   এলে তোমার সুর মেলিয়া,
                             এলে আমার জীবনে ॥
আরো দেখুন
তোমারি তরে, মা, সঁপিনু এ দেহ
Songs
     তোমারি তরে, মা, সঁপিনু এ দেহ।  তোমারি তরে, মা, সঁপিনু প্রাণ ।।
     তোমারি শোকে এ আঁখি বরষিবে,   এ বীণা তোমারি গাহিবে গান ।।
     যদিও এ বাহু অক্ষম দুর্বল  তোমারি কার্য সাধিবে ।
     যদিও এ অসি কলঙ্কে মলিন  তোমারি পাশ নাশিবে ।।
     যদিও, হে দেবী, শোণিতে আমার  কিছুই তোমার হবে না
     তবু, ওগো মাতা পারি তা ঢালিতে  একতিল তব কলঙ্ক ক্ষালিতে—
                নিভাতে তোমার যাতনা ।
     যদিও, জননী, যদিও আমার  এ বীণায় কিছু নাহিক বল
     কী জানি যদি, মা, একটি সন্তান  জাগি উঠে শুনি এ বীণাতান ।।
আরো দেখুন
তোমার আমার এই
Songs
তোমার আমার এই বিরহের অন্তরালে
কত আর সেতু বাঁধি সুরে সুরে তালে তালে ॥
          তবু যে পরানমাঝে   গোপনে বেদনা বাজে--
          এবার সেবার কাজে ডেকে লও সন্ধ্যাকালে ॥
বিশ্ব হতে থাকি দূরে  অন্তরের অন্তঃপুরে,
চেতনা জড়ায়ে রহে   ভাবনার স্বপ্নজালে।
          দুঃখ সুখ আপনারই   সে বোঝা হয়েছে ভারী,
          যেন সে সঁপিতে পারি   চরম পূজার থালে ॥
আরো দেখুন