৬১ (kon khase pora tara)

       কোন্‌ খ'সে-পড়া তারা

মোর প্রাণে এসে খুলে দিল আজি

       সুরের অশ্রুধারা।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

জ্যোতির্বাষ্প
Verses
হে বন্ধু, সবার চেয়ে চিনি তোমাকেই
          এ কথায় পূর্ণ সত্য নেই।
চিনি আমি সংসারের শত-সহস্রেরে
             কাজের বা অকাজের ঘেরে
নির্দিষ্ট সীমায় যারা স্পষ্ট হয়ে জাগে,
     প্রত্যহের ব্যবহারে লাগে,
          প্রাপ্য যাহা হাতে দেয় তাই,
               দান যাহা তাহা নাহি পাই।
অনন্তের সমুদ্রমন্থনে
     গভীর রহস্য হতে তুমি এলে আমার জীবনে।
          উঠিয়াছ অতলের অস্পষ্টতাখানি
               আপনার চারি দিকে টানি।
নীহারিকা রহে যথা কেন্দ্রে তার নক্ষত্রেরে ঘেরি,
জ্যোতির্ময় বাষ্প-মাঝে দূরবিন্দু তারাটিরে হেরি।
তোমা-মাঝে শিল্পী তার রেখে গেছে তর্জনীর মানা,
                   সব নহে জানা।
সৌন্দর্যের যে-পাহারা জাগিয়া রয়েছে অন্তঃপুরে
          সে আমারে নিত্য রাখে দূরে।
আরো দেখুন
দুঃখসম্পদ
Verses
দুঃখ, তব যন্ত্রণায় যে দুর্দিনে চিত্ত উঠে ভরি
       দেহে মনে চতুর্দিকে তোমার প্রহরী
রোধ করে বাহিরের সান্ত্বনার দ্বার,
          সেইক্ষণে প্রাণ আপনার
নিগূঢ় ভাণ্ডার হতে গভীর সান্ত্বনা
বাহির করিয়া আনে; অমৃতের কণা
       গলে আসে অশ্রুজলে;
সে আনন্দ দেখা দেয় অন্তরের তলে
       যে আপন পরিপূর্ণতায়
আপন করিয়া লয় দুঃখবেদনায়।
       তখন সে মহা-অন্ধকারে
অনির্বাণ আলোকের পাই দেখা অন্তরমাঝারে।
       তখন বুঝিতে পারি আপনার মাঝে
আপন অমরাবতী চিরদিন গোপনে বিরাজে।
আরো দেখুন
আমার নয়ন-ভুলানো এলে
Verses
আমার     নয়ন-ভুলানো এলে।
আমি       কী হেরিলাম হৃদয় মেলে।
                     শিউলিতলার পাশে পাশে
                     ঝরা ফুলের রাশে রাশে
                     শিশির-ভেজা ঘাসে ঘাসে
                           অরুণ-রাঙা-চরণ ফেলে
                           নয়ন-ভুলানো এলে।
আলোছায়ার আঁচলখানি
              লুটিয়ে পড়ে বনে বনে,
ফুলগুলি ওই মুখে চেয়ে
              কী কথা কয় মনে মনে।
                           তোমায় মোরা করব বরণ,
                           মুখের ঢাকা করো হরণ,
                           ওই টুকু ওই মেঘাবরণ
                                  দু হাত দিয়ে ফেলো ঠেলে।
                                  নয়ন-ভুলানো এলে।
বনদেবীর দ্বারে দ্বারে
       শুনি গভীর শঙ্খধনি,
আকাশবীণার তারে তারে
       জাগে তোমার আগমনী।
              কোথায় সোনার নূপুর বাজে,
              বুঝি আমার হিয়ার মাঝে,
              সকল ভাবে সকল কাজে
                     পাষাণ-গালা সুধা ঢেলে--
                     নয়ন-ভুলানো এলে।
আরো দেখুন