11 (i played day and night)

I.131. nis din khelat rahi sakhiyan sang

 

I PLAYED day and night with my comrades, and now I am greatly afraid.

So high is my Lord's palace, my heart trembles to mount its stairs: yet I must not be shy, if I would enjoy His love.

My heart must cleave to my Lover; I must withdraw my veil, and meet Him with all my body:

Mine eyes must perform the ceremony of the lamps of love.

Kabir says: 'Listen to me, friend: he understands who loves. If you feel not love's longing for your Beloved One, it is vain to adorn your body, vain to put unguent on your eyelids.'

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

শেষ উপহার
Verses
যাহা-কিছু ছিল সব দিনু শেষ করে
  ডালাখানি ভরে--
কাল কী আনিয়া দিব যুগল চরণে
  তাই ভাবি মনে।
বসন্তে সকল ফুল নিঃশেষে ফুটায়ে নিয়ে
  তরু তার পরে
এক দিনে দীনহীন, শূন্যে দেবতার পানে
  চাহে রিক্তকরে।
আজি দিন শেষ হলে যদি মোর গান
  হয় অবসান,
কাল প্রাতে এ গানের স্মৃতিসুখলেশ
  রবে না কি শেষ।
শূন্য থালে মৌনকণ্ঠে নতমুখে আসি যদি
  তোমার সম্মুখে,
তখন কি অগৌরবে চাহিবে না একবার
  ভকতের মুখে।
দিই নি কি প্রাণপূর্ণ হৃদিপদ্মখানি
  পাদপদ্মে আনি?
দিই নি কি কোনো ফুল অমর করিয়া
  অশ্রুতে ভরিয়া।
এত গান গাহিয়াছি, তার মাঝে নাহি কি গো
  হেন কোনো গান
আমি চলে গেলে তবু বহিবে যে চিরদিন
  অনন্ত পরান।
সেই কথা মনে করে দিবে না কি নব
  বরমাল্য তব--
ফেলিবে না আঁখি হতে একবিন্দু জল
  করুণাকোমল,
আমার বসন্তশেষে রিক্তপুষ্প দীনবেশে
  নীরবে যেদিন
ছলছল-আঁখিজলে দাঁড়াইব সভাতলে
  উপহারহীন।
আরো দেখুন
অল্পেতে খুশি হবে
Verses
অল্পেতে খুশি হবে
       দামোদর শেঠ কি।
মুড়কির মোয়া চাই,
       চাই ভাজা ভেটকি।
আনবে কট্‌কি জুতো,
       মট্‌কিতে ঘি এনো,
জলপাইগুঁড়ি থেকে
       এনো কই জিয়োনো--
চাঁদনিতে পাওয়া যাবে
       বোয়ালের পেট কি।
চিনেবাজারের থেকে
     এনো তো করমচা,
কাঁকড়ার ডিম চাই,
     চাই যে গরম চা,
নাহয় খরচা হবে
     মাথা হবে হেঁট কি।
মনে রেখো বড়ো মাপে
     করা চাই আয়োজন,
কলেবর খাটো নয়--
     তিন মোন প্রায় ওজন।
খোঁজ নিয়ো ঝড়িয়াতে
     জিলিপির রেট কী।
আরো দেখুন
করুণা
Verses
অপরাহ্নে ধূলিচ্ছন্ন নগরীর পথে
বিষম লোকের ভিড়; কর্মশালা হতে
ফিরে চলিয়াছে ঘরে পরিশ্রান্ত জন
বাঁধমুক্ত তটিনীর স্রোতের মতন।
ঊর্ধ্বশ্বাসে রথ-অশ্ব চলিয়াছে ধেয়ে
ক্ষুধা আর সারথির কশাঘাত খেয়ে।
হেনকালে দোকানির খেলামুগ্ধ ছেলে
কাটা ঘুড়ি ধরিবারে চলে বাহু মেলে।
অকস্মাৎ শকটের তলে গেল পড়ি,
পাষাণকঠিন পথ উঠিল শিহরি।
সহসা উঠিল শূন্যে বিলাপ কাহার,
স্বর্গে যেন দয়াদেবী করে হাহাকার।
ঊর্ধ্বপানে চেয়ে দেখি স্খলিতবসনা
লুটায়ে লুটায়ে ভূমে কাঁদে বারাঙ্গনা।
আরো দেখুন