২৬ (phuldani hote eke eke)

ফুলদানি হতে একে একে

আয়ুক্ষীণ গোলাপের পাপড়ি পড়িল ঝরে ঝরে।

ফুলের জগতে

মৃত্যুর বিকৃতি নাহি দেখি।

শেষ ব্যঙ্গ নাহি হানে জীবনের পানে অসুন্দর।

যে মাটির কাছে ঋণী

আপনার ঘৃণা দিয়ে অশুচি করে না তারে ফুল,

রূপে গন্ধে ফিরে দেয় ম্লান অবশেষ।

বিদায়ের সকরুণ স্পর্শ আছে তাহে;

নাইকো ভর্ৎসনা।

জন্মদিনে মৃত্যুদিনে দোঁহে যবে করে মুখোমুখি

দেখি যেন সে মিলনে

পূর্বাচলে অস্তাচলে

অবসন্ন দিবসের দৃষ্টিবিনিময়--

সমুজ্জ্বল গৌরবের প্রণত সুন্দর অবসান।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

298
Verses
THE SILENT night has the beauty of the mother and the clamorous day of the child.
আরো দেখুন
57
Verses
THIS AUTUMN is mine, for she was rocked in my heart. The glistening bells of her anklets rang in my blood, and her misty veil fluttered in my breath.
I know the touch of her blown hair in all my dreams. She is abroad in the trembling leaves that danced in my life-throbs, and her eyes that smile from the blue sky drank their light from me.
আরো দেখুন
বিরহানন্দ
Verses
     এই ছন্দে যে যে স্থানে ফাঁক সেইখানে দীর্ঘ যতিপতন আবশ্যক
               ছিলাম নিশিদিন    আশাহীন    প্রবাসী
               বিরহতপোবনে    আনমনে    উদাসী।
               আঁধারে আলো মিশে    দিশে দিশে    খেলিত;
               অটবী বায়ুবশে    উঠিত সে    উছাসি।
               কখনো ফুল দুটো    আঁখিপুট    মেলিত,
               কখনো পাতা ঝরে    পড়িত রে    নিশাসি।
               তবু সে ছিনু ভালো   আধা-আলো-    আঁধারে,
               গহন শত-ফের    বিষাদের    মাঝারে।
               নয়নে কত ছায়া    কত মায়া    ভাসিত,
               উদাস বায়ু সে তো    ডেকে যেত    আমারে।
               ভাবনা কত সাজে    হৃদিমাঝে    আসিত,
               খেলাত অবিরত    কত শত    আকারে!
               বিরহপরিপূত    ছায়াযুত    শয়নে,
               ঘুমের সাথে স্মৃতি    আসে নিতি    নয়নে।
               কপোত দুটি ডাকে    বসি শাখে    মধুরে,
               দিবস চলে যায়    গলে যায়    গগনে।
               কোকিল কুহুতানে    ডেকে আনে    বধূরে,
               নিবিড় শীতলতা    তরুলতা    গহনে।
               আকাশে চাহিতাম    গাহিতাম    একাকী,
               মনের যত কথা    ছিল সেথা    লেখা কি?
               দিবসনিশি ধ'রে    ধ্যান ক'রে    তাহারে
               নীলিমা-পরপার    পাব তার    দেখা কি?
               তটিনী অনুখন    ছোটে কোন্‌    পাথারে,
               আমি যে গান গাই   তারি ঠাঁই    শেখা কি?
               বিরহে তারি নাম    শুনিতাম    পবনে,
               তাহারি সাথে থাকা    মেঘে ঢাকা    ভবনে।
               পাতার মরমর    কলেবর    হরষে;
               তাহারি পদধ্বনি    যেন গণি    কাননে!
               মুকূল সুকুমার    যেন তার    পরশে,
               চাঁদের চোখে ক্ষুধা    তারি সুধা    স্বপনে।
               করুণা অনুখন    প্রাণ মন    ভরিত,
               ঝরিলে ফুলদল    চোখে জল    ঝরিত।
               পবন হুহু করে    করিত রে    হাহাকার,
               ধরার তরে যেন    মোর প্রাণ    ঝুরিত।
               হেরিলে দুখে শোকে    কারো চোখে    আঁখিধার
               তোমারি আঁখি কেন    মনে যেন    পড়িত।
               শিশুরে কোলে নিয়ে    জুড়াইয়ে    যেত বুক,
               আকাশে বিকশিত    তোরি মতো    স্নেহমুখ।
               দেখিলে আঁখি-রাঙা    পাখা-ভাঙা    পাখিটি
               "আহাহা" ধ্বনি তোর    প্রাণে মোর    দিত দুখ।
               মুছালে দুখনীর    দুখিনীর    আঁখিটি,
               জাগিত মনে ত্বরা    দয়া-ভরা    তোর সুখ।
               সারাটা দিনমান    রচি গান    কত-না!
               তোমারি পাশে রহি    যেন কহি    বেদনা।
               কানন মরমরে    কত স্বরে    কহিত,
               ধ্বনিত যেন দিশে  তোমারি সে    রচনা।
               সতত দূরে কাছে   আগে পাছে    বহিত
               তোমারি যত কথা    পাতা-লতা    ঝরনা।
               তোমারে আঁকিতাম,    রাখিতাম    ধরিয়া
               বিরহ ছায়াতল    সুশীতল    করিয়া।
               কখনো দেখি যেন    ম্লান-হেন    মুখানি,
               কখনো আঁখিপুটে    হাসি উঠে    ভরিয়া।
               কখনো সারা রাত    ধরি হাত    দুখানি
               রহি গো বেশবাসে    কেশপাশে    মরিয়া।
               বিরহ সুমধুর    হল দূর    কেন রে?
               মিলনদাবানলে    গেল জ্বলে    যেন রে।
               কই সে দেবী কই?   হেরো ওই    একাকার,
               শ্মশানবিলাসিনী    বিবাসিনী    বিহরে।
               নাই গো দয়ামায়া    স্নেহছায়া    নাহি আর--
               সকলি করে ধুধু,    প্রাণ শুধু    শিহরে।
আরো দেখুন