২৭ (bishwodhoronir ei bipul kulay)

বিশ্বধরণীর এই বিপুল কুলায়

সন্ধ্যা-- তারি নীরব নির্দেশে

নিখিল গতির বেগ ধায় তারি পানে।

চৌদিকে ধূসরবর্ণ আবরণ নামে।

মন বলে, ঘরে যাব--

কোথা ঘর নাহি জানে।

দ্বার খোলে সন্ধ্যা নিঃসঙ্গিনী,

সম্মুখে নীরন্ধ্র অন্ধকার।

সকল আলোর অন্তরালে

বিস্মৃতির দূতী

খুলে নেয় এ মর্তের ঋণ-করা সাজসজ্জা যত--

প্রক্ষিপ্ত যা-কিছু তার নিত্যতার মাঝে

ছিন্ন জীর্ণ মলিন অভ্যাস।

আঁধারে অবগাহন-স্নানে

নির্মল করিয়া দেয় নবজন্ম নগ্ন ভূমিকারে।

জীবনের প্রান্তভাগে

অন্তিম রহস্যপথে দেয় মুক্ত করি

সৃষ্টির নূতন রহস্যেরে।

নব জন্মদিন তারে বলি

আঁধারের মন্ত্র পড়ি সন্ধ্যা যারে জাগায় আলোকে।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

126
Verses
NOT HAMMERSTROKES, but dance of the water sings the pebbles into perfection.
আরো দেখুন
মোর হৃদয়ের গোপন বিজন ঘরে
Verses
মোর হৃদয়ের গোপন বিজন ঘরে
একেলা রয়েছ নীরব শয়ন-'পরে--
          প্রিয়তম হে, জাগো জাগো জাগো।
রুদ্ধ দ্বারের বাহিরে দাঁড়ায়ে আমি
আর কতকাল এমনে কাটিবে স্বামী--
          প্রিয়তম হে, জাগো জাগো জাগো।
রজনীর তারা উঠেছে গগন ছেয়ে,
আছে সবে মোর বাতায়ন-পানে চেয়ে--
          প্রিয়তম হে, জাগো জাগো জাগো।
জীবনে আমার সংগীত দাও আনি,
নীরব রেখো না তোমার বীণার বাণী--
          প্রিয়তম হে, জাগো জাগো জাগো।
মিলাব নয়ন তব নয়নের সাথে,
মিলাব এ হাত তব দক্ষিণ হাতে--
          প্রিয়তম হে, জাগো জাগো জাগো।
হৃদয়পাত্র সুধায় পূর্ণ হবে,
তিমির কাঁপিবে গভীর আলোর রবে--
          প্রিয়তম হে, জাগো জাগো জাগো।
আরো দেখুন
কনের পণের আশে
Verses
কনের পণের আশে
   চাকরি সে ত্যেজেছে।
বারবার আয়নাতে
   মুখখানি মেজেছে।
হেনকালে বিনা কোনো কসুরে
যম এসে ঘা দিয়েছে শ্বশুরে,
     কনেও বাঁকালো মুখ--
       বুকে তাই বেজেছে।
          বরবেশ ছেড়ে হীরু
            দরবেশ সেজেছে।
আরো দেখুন