২৫ (jotil songsar)

জটিল সংসার,

মোচন করিতে গ্রন্থি জড়াইয়া পড়ি বারংবার।

গম্য নহে সোজা,

দুর্গম  পথের যাত্রা স্কন্ধে বহি দুশ্চিন্তার বোঝা।

পথে  পথে যথাতথা

শত শত কৃত্রিম বক্রতা।

অণুক্ষণ

হতাশ্বাস হয়ে শেষে হার মানে মন।

জীবনের ভাঙা ছন্দে ভ্রষ্ট হয় মিল,

বাঁচিবার উৎসাহ ধূলিতলে লুটায়ে শিথিল।

ওগো আশাহারা,

শুষ্কতার 'পরে আনো নিখিলের রসবন্যাধারা।

বিরাট আকাশে,

বনে বনে, ধরণীর ঘাসে ঘাসে

সুগভীর অবকাশ পূর্ণ হয়ে আছে

গাছে গাছে,

অন্তহীন শান্তি-উৎসস্রোতে।

অন্তঃশীল যে রহস্য আঁধারে আলোতে

তারে সদ্য করুক আহ্বান

আদিম প্রাণের যজ্ঞে মর্মের সহজ সামগান।

আত্মার মহিমা যাহা  তুচ্ছতায় দিয়েছে  জর্জরি

ম্লান অবসাদে,তারে দাও দূর করি,

লুপ্ত হয়ে যাক শূন্যতলে

দ্যুলোকের ভূলোকের সন্মিলিত মন্ত্রণার বলে।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

9
Verses
                 না বুঝেও আমি বুঝেছি তোমারে
                        কেমনে কিছু না জানি।
                 অর্থের শেষ পাই না, তবুও
                        বুঝেছি তোমার বাণী।
নিশ্বাসে মোর নিমেষের পাতে
চেতনা বেদনা ভাবনাআঘাতে
কে দেয় সর্বশরীরে ও মনে
                 তব সংবাদ আনি।
                        না বুঝেও আমি বুঝেছি তোমারে
                               কেমনে কিছু না জানি।
তব রাজত্ব লোক হতে লোকে
সে বারতা আমি পেয়েছি পলকে,
হৃদি-মাঝে যবে হেরেছি তোমার
          বিশ্বের রাজধানী।
                 না বুঝেও আমি বুঝেছি তোমারে
                        কেমনে কিছু না জানি।
আপনার চিতে নিবিড় নিভৃতে
যেথায় তোমারে পেয়েছি জানিতে
সেথায় সকলি স্থির নির্বাক্‌
          ভাষা পরাস্ত মানি।
                 না বুঝেও আমি বুঝেছি তোমারে
                        কেমনে কিছু না জানি।
আরো দেখুন
34
Verses
আশার আলোকে
     জ্বলুক প্রাণের তারা,
আগামী কালের
     প্রদোষ-আঁধারে
             ফেলুক কিরণধারা
আরো দেখুন
বুদ্ধজন্মোৎসব
Verses
সংস্কৃত ছন্দের নিয়ম-অনুসারে পঠনীয়
           হিংসায় উন্মত্ত পৃথ্বী,
                 নিত্য নিঠুর দ্বন্দ্ব,
           ঘোর কুটিল পন্থ তার,
                 লোভজটিল বন্ধ।
      নূতন তব জন্ম লাগি কাতর যত প্রাণী,
      কর ত্রাণ মহাপ্রাণ, আন অমৃতবাণী,
           বিকশিত কর প্রেমপদ্ম
           চিরমধুনিষ্যন্দ।
শান্ত হে, মুক্ত হে, হে অনন্তপুণ্য,
           করুণাঘন, ধরণীতল কর কলঙ্কশূন্য।
           এসো দানবীর, দাও
                 ত্যাগকঠিন দীক্ষা,
           মহাভিক্ষু, লও সবার
                 অহংকার ভিক্ষা।
লোক লোক ভুলুক শোক, খণ্ডন কর মোহ,
উজ্জ্বল কর জ্ঞানসূর্য-উদয়-সমারোহ,
           প্রাণ লভুক সকল ভুবন,
                 নয়ন লভুক অন্ধ।
শান্ত হে, মুক্ত হে, হে অনন্তপুণ্য,
       করুণাঘন, ধরণীতল কর কলঙ্কশূন্য।
           ক্রন্দনময় নিখিলহৃদয়
                 তাপদহনদীপ্ত।
           বিষয়বিষ-বিকারজীর্ণ
                 খিন্ন অপরিতৃপ্ত।
           দেশ দেশ পরিল তিলক রক্তকলুষগ্লানি,
           তব মঙ্গলশঙ্খ আন, তব দক্ষিণ পাণি,
                 তব শুভ সংগীতরাগ,
                         তব সুন্দর ছন্দ।
           শান্ত হে, মুক্ত হে, হে অনন্তপুণ্য,
                 করুণাঘন, ধরণীতল কর কলঙ্কশূন্য।
আরো দেখুন