26 (he came and sat by)

HE CAME AND sat by my side but I woke not. What a cursed sleep it was, O miserable me!

He came when the night was still; he had his harp in his hands, and my dreams became resonant with its melodies.

Alas, why are my nights all thus lost? Ah, why do I ever miss his sight whose breath touches my sleep?

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

20
Verses
এসো, বসন্ত, এসো আজ তুমি
আমারও দুয়ারে এসো।
ফুল তোলা নাই, ভাঙা আয়োজন,
নিবে গেছে দীপ, শূন্য আসন,
আমার ঘরের শ্রীহীন মলিন
দীনতা দেখিয়া হেসো।
তবু, বসন্ত, তবু আজ তুমি
আমারও দুয়ারে এসো।
আজিকে আমার সব বাতায়ন
রয়েছে, রয়েছে খোলা।
বাধাহীন দিন পড়ে আছে আজ,
নাই কোনো আশা, নাই কোনো কাজ,
আপনা-আপনি দক্ষিণবায়ে
দুলিছে চিত্তদোলা,
শূন্য ঘরে সব বাতায়ন
আজিকে রয়েছে খোলা।
কত দিবসের হাসি ও কান্না
হেথা হয়ে গেছে সারা।
ছাড়া পাক তারা তোমার আকাশে,
নিশ্বাস পাক তোমার বাতাসে,
নব নব রূপে লভুক জন্ম
বকুলে চাঁপায় তারা।
গত দিবসের হাসি ও কান্না
যত হয়ে গেছে সারা।
আমার বক্ষে বেদনার মাঝে
করো তব উৎসব।
আনো তব হাসি, আনো তব বাঁশি,
ফুলপল্লব আনো রাশি রাশি,
ফিরিয়া ফিরিয়া গান গেয়ে যাক
যত পাখি আছে সব।
বেদনা আমার ধ্বনিত করিয়া
করো তব উৎসব।
সেই কলরবে অন্তর-মাঝে
পাব, পাব আমি সাড়া।
দ্যুলোকে ভূলোকে বাঁধি এক দল
তোমরা করিবে যবে কোলাহল,
হাসিতে হাসিতে মরণের দ্বারে
বারে বারে দিবে নাড়া
সেই কলরবে অন্তর-মাঝে
পাব, পাব আমি সাড়া।
আরো দেখুন
পত্র
Verses
তোমাকে পাঠালুম আমার লেখা
        এক-বই-ভরা কবিতা
তারা সবাই ঘেঁষাঘেঁষি দেখা দিল
           একই সঙ্গে এক খাঁচায়।
        কাজেই আর সমস্ত পাবে,
কেবল পাবে না তাদের মাঝখানের ফাঁকগুলোকে।
    যে অবকাশের নীল আকাশের আসরে
        একদিন নামল এসে কবিতা
           সেইটেই পড়ে রইল পিছনে।
নিশীথ রাত্রের তারাগুলি ছিঁড়ে নিয়ে
    যদি হার গাঁথা যায় ঠেসে,
বিশ্ব-বেনের দোকানে
    হয়তো সেটা বিকোয় মোটা দামে;
তবু রসিকেরা বুঝতে পারে, যেন কমতি হল কিসের।
    যেটা কম পড়ল সেটা ফাঁকা আকাশ,
           তৌল করা যায় না তাকে,
               কিন্তু সেটা দরদ দিয়ে ভরা।
মনে করো একটি গান উঠল জেগে
    নীরব সময়ের বুকের মাঝখানে
        একটি মাত্র নীলকান্তমণি--
    তাকে কি দেখতে হবে
           গয়নার বাক্সের মধ্যে।
        বিক্রমাদিত্যের সভায়
কবিতা শুনিয়েছেন কবি দিনে দিনে।
    ছাপাখানার দৈত্য তখন
           কবিতার সময়াকাশকে
        দেয় নি লেপে কালি মাখিয়ে।
    হাইড্রলিক জাঁতায় পেষা কাব্যপিণ্ড
           তলিয়ে যেত না গলায় এক-এক গ্রাসে,
উপভোগটা পুরো অবসরে উঠত রসিয়ে।
হায় রে, কানে শোনার কবিতাকে
        পরানো হল চোখে দেখার শিকল,
কবিতার নির্বাসন হল লাইব্রেরি-লোকে;
        নিত্যকালের আদরের ধন
পাব্‌লিশরের হাটে হল নাকাল।
           উপায় নেই,
    জটলা-পাকানোর যুগ এটা।
কবিতাকে পাঠকের অভিসারে যেতে হয়
    পটল-ডাঙার অম্‌নিবাসে চড়ে।
        মন বলছে নিশ্বাস ফেলে--
আমি যদি জন্ম নিতেম কালিদাসের কালে।
        তুমি যদি হতে বিক্রমাদিত্য
আর আমি যদি হতেম-- কী হবে ব'লে।
        জন্মেছি ছাপার কালিদাস হয়ে।
           তোমরা আধুনিক মালবিকা
               কিনে পড় কবিতা
        আরাম-কেদারায় ব'সে।
    চোখ বুজে কান পেতে শোন না;
           শোনা হলে
    কবিকে পরিয়ে দাও না বেলফুলের মালা,
        দোকানে পাঁচ সিকে দিয়েই খালাস।
আরো দেখুন
5
Verses
মত্ত সাগর দিল পাড়ি গহন রাত্রিকালে
          ওই যে আমার নেয়ে।
ঝড় বয়েছে, ঝড়ের হাওয়া লাগিয়ে দিয়ে পালে
          আসছে তরী বেয়ে।
কালো রাতের কালি-ঢালা ভয়ের বিষম বিষে
আকাশ যেন মূর্ছি পড়ে সাগরসাথে মিশে,
উতল ঢেউয়ের দল খেপেছে, না পায় তারা দিশে,
          উধাও চলে ধেয়ে।
হেনকালে এ-দুর্দিনে ভাবল মনে কী সে
          কূলছাড়া মোর নেয়ে।
এমন রাতে উদাস হয়ে কেমন অভিসারে
          আসে আমার নেয়ে।
সাদা পালের চমক দিয়ে নিবিড় অন্ধকারে
          আসছে তরী বেয়ে।
কোন্‌ ঘাটে যে ঠেকবে এসে কে জানে তার পাতি,
পথহারা কোন্‌ পথ দিয়ে সে আসবে রাতারাতি,
কোন অচেনা আঙিনাতে তারি পূজার বাতি
          রয়েছে পথ চেয়ে।
অগৌরবার বাড়িয়ে গরব আপন সাথি
          বিরহী মোর নেয়ে।
এই তুফানে এই তিমিরে খোঁজে কেমন খোঁজা
          বিবাগী মোর নেয়ে।
নাহি জানি পুর্ণ ক'রে কোন্‌ রতনের বোঝা
          আসছে তরী বেয়ে।
নহে নহে, নাইকো মানিক, নাই রতনের ভার,
একটি ফুলের গুচ্ছ আছে রজনীগন্ধার,
সেইটি হাতে আঁধার রাতে সাগর হবে পার
          আনমনে গান গেয়ে।
কার গলাতে নবীন প্রাতে পরিয়ে দেবে হার
          নবীন আমার নেয়ে।
সে থাকে এক পথের পাশে, অদিনে যার তরে
          বাহির হল নেয়ে।
তারি লাগি পাড়ি দিয়ে সবার অগোচরে
          আসছে তরী বেয়ে।
রুক্ষ অলক উড়ে পড়ে, সিক্ত-পলক আঁখি,
ভাঙা ভিতের ফাঁক দিয়ে তার বাতাস চলে হাঁকি
দীপের আলো বাদল-বায়ে কাঁপছে থাকি থাকি
          ছায়াতে ঘর ছেয়ে।
তোমরা যাহার নাম জান না তাহারি নাম ডাকি
          ওই যে আসে নেয়ে।
অনেক দেরি হয়ে গেছে বাহির হল কবে
          উন্মনা মোর নেয়ে।
এখনো রাত হয় নি প্রভাত, অনেক দেরি হবে
          আসতে তরী বেয়ে।
বাজবে নাকো তূরী ভেরী, জানবে নাকো কেহ,
কেবল যাবে আঁধার কেটে, আলোয় ভরবে গেহ,
দৈন্য যে তার ধন্য হবে, পুণ্য হবে দেহ
          পুলক-পরশ পেয়ে
নীরবে তার চিরদিনের ঘুচিবে সন্দেহ
          কূলে আসবে নেয়ে।
আরো দেখুন