১০৫ (nupur beje jay rinijhini)

         নূপুর বেজে যায় রিনিরিনি।

                 আমার মন কয়, চিনি চিনি॥

গন্ধ রেখে যায় মধুবায়ে     মাধবীবিতানের ছায়ে ছায়ে,

ধরণী শিহরায় পায়ে পায়ে,    কলসে কঙ্কণে কিনিকিনি॥

পারুল শুধাইল, কে তুমি গো,    অজানা কাননের মায়ামৃগ।

কামিনী ফুলকুল বরষিছে,     পবন এলোচুল পরশিছে,

আঁধারে তারাগুলি হরষিছে,    ঝিল্লি ঝনকিছে ঝিনিঝিনি॥

রাগ: কেদারা

তাল: কাহারবা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): চৈত্র, ১৩৩২

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1926

স্বরলিপিকার: রমা কর, দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর

Rendition

Notation

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

আমি সন্ধ্যাদীপের শিখা,
Songs
              আমি   সন্ধ্যাদীপের শিখা,
          অন্ধকারের ললাট-মাঝে পরানু রাজটিকা ॥
তার         স্বপনে মোর আলোর পরশ   জাগিয়ে দিল গোপন হরষ,
              অন্তরে তার রইল আমার প্রথম প্রেমের লিখা ॥
                   আমার   নির্জন উৎসবে
              অম্বরতল হয় নি উতল পাখির কলরবে।
যখন    তরুণ রবির চরণ লেগে   নিখিল ভুবন উঠবে জেগে
              তখন আমি মিলিয়ে যাব ক্ষণিক মরীচিকা ॥
আরো দেখুন
কী ধ্বনি বাজে
Songs
        কী ধ্বনি বাজে
গহনচেতনামাঝে!
        কী আনন্দে উচ্ছ্বসিল
মম তনুবীণা গহনচেতনামাঝে।
মনপ্রাণহরা সুধা-ঝরা
        পরশে ভাবনা উদাসীনা॥
আরো দেখুন
আমার প্রাণের 'পরে
Songs
আমার    প্রাণের 'পরে চলে গেল কে
বসন্তের   বাতাসটুকুর মতো।
সে যে    ছুঁয়ে গেল, নুয়ে গেল রে--
ফুল      ফুটিয়ে গেল শত শত।
সে       চলে গেল, বলে গেল না-- সে   কোথায় গেল ফিরে এল না।
সে       যেতে যেতে চেয়ে গেল    কী যেন গেয়ে গেল--
তাই     আপন-মনে বসে আছি কুসুমবনেতে।
সে       ঢেউয়ের মতন ভেসে গেছে,   চাঁদের আলোর দেশে গেছে,
          যেখান দিয়ে হেসে গেছে,  হাসি তার    রেখে গেছে রে--
          মনে হল আঁখির কোণে    আমায় যেন ডেকে গেছে সে।
আমি     কোথায় যাব, কোথায় যাব, ভাবতেছি তাই একলা বসে।
সে       চাঁদের চোখে বুলিয়ে গেল ঘুমের ঘোর।
সে       প্রাণের কোথায় দুলিয়ে গেল ফুলের ডোর।
          কুসুমবনের উপর দিয়ে কী কথা সে বলে গেল,
          ফুলের গন্ধ পাগল হয়ে সঙ্গে তারি চলে গেল।
          হৃদয় আমার আকুল হল,    নয়ন আমার মুদে এলে রে--
          কোথা দিয়ে কোথায় গেল সে॥
আরো দেখুন