১৩১ (he antarer dhan)

                   হে অন্তরের ধন,

          তুমি যে বিরহী, তোমার শূন্য এ ভবন ॥

আমার ঘরে তোমায় আমি   একা রেখে দিলাম স্বামী--

          কোথায় যে বাহিরে আমি ঘুরি সকল ক্ষণ ॥

                   হে অন্তরের ধন,

          এই বিরহে কাঁদে আমার নিখিল ভুবন।

তোমার বাঁশি নানা সুরে   আমায় খুঁজে বেড়ায় দূরে,

          পাগল হল বসন্তের এই দখিন-সমীরণ ॥

রাগ: অজ্ঞাত

তাল: অজ্ঞাত

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ১৫ চৈত্র, ১৩২০

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1914

Rendition

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

বসন্ত-প্রভাতে এক মালতীর ফুল
Songs
                   বসন্তপ্রভাতে এক মালতীর ফুল
           প্রথম মেলিল আঁখি তার,   চাহিয়া দেখিল চারি ধার ।।
                   উষারানী দাঁড়াইয়া শিয়রে তাহার
           দেখিছে ফুলের ঘুম-ভাঙা ।  হরষে কপোল তার রাঙা ।।
           মধুকর গান গেয়ে বলে,  ‘মধু কই । মধু দাও দাও ।’
           হরষে হৃদয় ফেটে গিয়ে  ফুল বলে, ‘এই লও লও ।’
           বায়ু আসি কহে কানে কানে,  ‘ফুলবালা, পরিমল দাও ।’
           আনন্দে কাঁদিয়া কহে ফুল,  ‘যাহা আছে সব লয়ে যাও ।’
           হরষ ধরে না তার চিতে,  আপনারে চাহে বিলাইতে,
           বালিকা আনন্দে কুটি-কুটি  পাতায় পাতায় পড়ে লুটি ।।
আরো দেখুন
আমার অঙ্গে অঙ্গে কে বাজায়
Songs
আমার    অঙ্গে অঙ্গে কে বাজায় বাঁশি।
                আনন্দে বিষাদে মন উদাসী।
              পুষ্পবিকাশের সুরে
                দেহ মন উঠে পূরে,
         কী মাধুরী সুগন্ধ
                বাতাসে যায় ভাসি।
         সহসা মনে জাগে আশা,
মোর আহুতি পেয়েছে অগ্নির ভাষা।
             আজ মম রূপে বেশে
             লিপি লিখি কার উদ্দেশে,
এল   মর্মের বন্দিনী বাণী বন্ধন নাশি॥
                     ---
                       মীনকেতু,
         কোন্‌ মহা রাক্ষসীরে দিয়েছ বাঁধিয়া
                     অঙ্গসহচরী করি।
         এ মায়ালাবণ্য মোর কী অভিসম্পাত!
                     ক্ষণিক যৌবনবন্যা
         রক্তস্রোতে তরঙ্গিয়া
                     উন্মাদ করেছে মোরে।
আরো দেখুন
আয় তোরা আয়
Songs
            আয় তোরা আয়         আয় গো--
       গাবার বেলা যায় পাছে তোর       যায় গো।
শিশিরকণা ঘাসে ঘাসে   শুকিয়ে আসে,
            নীড়ের পাখি নীল আকাশে       চায় গো।
        সুর দিয়ে যে সুর ধরা যায়,         গান দিয়ে পাই গান,
প্রাণ দিয়ে পাই প্রাণ--তোর আপন বাঁশি আন্‌,
        তবেই যে তুই শুনতে পাবি        কে বাঁশি বাজায় গো।
শুকনো দিনের তাপ     তোর   বসন্তকে দেয় না যেন শাপ।
        ব্যর্থ কাজে মগ্ন হয়ে        লগ্ন যদি যায় গো ব'য়ে
গান-হারানো হাওয়া তখন করবে যে 'হায় হায়' গো॥
আরো দেখুন