৫ (tumi he premer rabi)

              তুমি হে প্রেমের রবি  আলো করি চরাচর 

              যত করো বিতরণ  অক্ষয় তোমার কর । 

              দুজনের আঁখি-’পরে  তুমি থাকো আলো ক’রে–

              তা হলে আঁধারে আর  বলো হে কিসের ডর । 

              তোমারে হারায় যদি  দুজনে হারাবে দোঁহে–

              দুজনে কাঁদিবে বসি  অন্ধ হয়ে ঘন মোহে,

              এমনি আঁধার হবে  পাশাপাশি বসে রবে 

              তবুও দোঁহার মুখ  চিনিবে না পরস্পর । 

              দেখো, প্রভু, চিরদিন  আঁখি-’পরে থেকো জেগে–

              তোমারে ঢাকে না যেন  সংসারের ঘন মেঘে । 

              তোমারি আলোকে বসি  উজল-আনন-শশী 

              উভয়ে উভয়ে হেরে  পুলকিতকলেবর ।।

রাগ: জয়জয়ন্তী

তাল: অজ্ঞাত

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1288

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1881

Rendition

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

কোথা আছ, প্রভু
Songs
              কোথা আছ, প্রভু, এসেছি দীনহীন,
                       আলয় নাহি মোর অসীম সংসারে!
     অতি দূরে দূরে ভ্রমিছি আমি হে  ‘প্রভু প্রভু’ ব'লে ডাকি কাতরে।।
     সাড়া কি দিবে না। দীনে কি চাবে না। রাখিবে ফেলিয়ে অকূল আঁধারে?
     পথ যে জানি নে, রজনী আসিছে,   একেলা আমি যে এ বনমাঝারে।।
     জগতজননী, লহো লহো কোলে,    বিরাম মাগিছে শ্রান্ত শিশু এ।
     পিয়াও অমৃত, তৃষিত সে অতি–    জুড়াও তাহারে স্নেহ বরষিয়ে।।
     ত্যজি সে তোমারে গেছিল চলিয়ে,   কাঁদিছে আজিকে পথ হারাইয়ে–
     আর সে যাবে না, রহিবে সাথ-সাথ,  ধরিয়ে তব হাত ভ্রমিবে নির্ভয়ে।।
     এসো তবে, প্রভু, স্নেহনয়নে এ- মুখ-পানে চাও– ঘুচিবে যাতনা,
     পাইব নব বল, মুছিব অশ্রুজল,    চরণ ধরিয়ে পূরিবে কামনা।।
আরো দেখুন
পথ চেয়ে যে
Songs
                   পথ চেয়ে যে কেটে গেল কত দিনে রাতে,
আজ    তোমায় আমায় প্রাণের বঁধু মিলব গো এক সাথে ॥
          রচবে তোমার মুখের ছায়া   চোখের জলে মধুর মায়া,
                   নীরব হয়ে তোমার পানে চাইব গো জোড় হাতে ॥
                   এরা সবাই কী বলে গো লাগে না মন আর,
          আমার হৃদয় ভেঙে দিল   তোমার   কী মাধুরীর ভার!
বাহুর ঘেরে তুমি মোরে   রাখবে না কি আড়াল করে,
                   তোমার আঁখি চাইবে না কি আমার বেদনাতে?।
আরো দেখুন
আজি ওই আকাশ-'পরে
Songs
আজি ওই   আকাশ-'পরে সুধায় ভরে আষাঢ়-মেঘের ফাঁক।
     হৃদয়-মাঝে মধুর বাজে কী উৎসবের শাঁখ॥
একি হাসির বাঁশির তান,   একি   চোখের জলের গান--
     পাই নে দিশে কে জানি সে দিল আমায় ডাক॥
আমায়   নিরুদ্দেশের পানে   কেমন করে টানে   এমন করুণ গানে।
     ওই   পথের পারের আলো   আমার   লাগল চোখে ভালো,
          গগনপারে দেখি তারে সুদূর নির্বাক্‌॥
আরো দেখুন