১২৮ (nutan juger protyushe kon)

নূতন যুগের প্রত্যুষে কোন্‌

      প্রবীণ বুদ্ধিমান

          নিত্যই শুধু সূক্ষ্ম বিচার করে--

যাবার লগ্ন, চলার চিন্তা

      নিঃশেষে করে দান

          সংশয়ময় তলহীন গহ্বরে।

নির্ঝর যথা সংগ্রামে নামে

      দুর্গম পর্বতে,

অচেনার মাঝে ঝাঁপ দিয়ে পড়্‌

      দুঃসাহসের পথে,

বিঘ্নই তোর স্পর্ধিত প্রাণ

      জাগায়ে তুলিবে যে রে--

জয় করি তবে জানিয়া লইবি

      অজানা অদৃষ্টেরে।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

এক হাতে ওর কৃপাণ আছে
Verses
  এক হাতে ওর কৃপাণ আছে
        আর  এক হাতে হার।
     ও যে    ভেঙেছে তোর দ্বার।
  আসে নি ও ভিক্ষা নিতে,
  লড়াই করে নেবে জিতে
        পরানটি তোমার।
     ও যে    ভেঙেছে তোর দ্বার।
মরণেরি পথ দিয়ে ওই
আসছে জীবন-মাঝে,
   ও যে আসছে বীরের সাজে।
আধেক নিয়ে ফিরবে না রে,
যা আছে সব একেবারে
করবে অধিকার।
   ও যে    ভেঙেছে তোর দ্বার।
আরো দেখুন
উৎসর্গ
Verses
      আজি মোর দ্রাক্ষাকুঞ্জবনে
      গুচ্ছ গুচ্ছ ধরিয়াছে ফল।
পরিপূর্ণ বেদনার ভরে
মুহূর্তেই বুঝি ফেটে পড়ে,
বসন্তের দুরন্ত বাতাসে
নুয়ে বুঝি নমিবে ভূতল--
রসভরে অসহ উচ্ছ্বাসে
থরে থরে ফলিয়াছে ফল।
      তুমি এসো নিকুঞ্জনিবাসে,
      এসো মোর সার্থকসাধন।
লুটে লও ভরিয়া অঞ্চল
জীবনের সকল সম্বল,
নীরবে নিতান্ত অবনত
বসন্তের সর্ব-সমর্পণ--
হাসি মুখে নিয়ে যাও যত
বনের বেদননিবেদন।
      শুক্তিরক্ত নখরে বিক্ষত
      ছিন্ন করি ফেলো বৃন্তগুলি।
          সুখাবেশে বসি লতামূলে
          সারাবেলা অলস অঙ্গুলে
বৃথা কাজে যেন অন্যমনে
খেলাচ্ছলে লহো তুলি তুলি--
তব ওষ্ঠে দশনদংশনে
টুটে যাক পূর্ণ ফলগুলি।
      আজি মোর দ্রাক্ষাকুঞ্জবনে
      গুঞ্জরিছে ভ্রমর চঞ্চল।
          সারাদিন অশান্ত বাতাস
          ফেলিতেছে মর্মরনিশ্বাস,
বনের বুকের আন্দোলনে
কাঁপিতেছে পল্লব-অঞ্চল--
আজি মোর দ্রাক্ষাকুঞ্জবনে
পুঞ্জ পুঞ্জ ধরিয়াছে ফল।
আরো দেখুন
সাজ
Verses
এই-যে রাঙা চেলি দিয়ে তোমায় সাজানো,
ওই-যে হোথায় দ্বারের কাছে সানাই বাজানো,
           অদৃশ্য এক লিপির লিখায়
           নবীন প্রাণের কোন্‌ ভূমিকায়
                         মিলছে, না জানো।
শিশুবেলায় ধূলির 'পরে আঁচল এলিয়ে
সাজিয়ে পুতুল কাটল বেলা খেলা খেলিয়ে।
           বুঝতে নাহি পারবে আজো
           আজ কী খেলায় আপনি সাজো
                         হৃদয় মেলিয়ে।
অখ্যাত এই প্রাণের কোণে সন্ধ্যাবেলাতে
বিশ্বখেলোয়াড়ের খেয়াল নামল খেলাতে।
           দুঃখসুখের তুফান লেগে
           পুতুল-ভাসান চলল বেগে
                         ভাগ্যভেলাতে।
তার পরেতে ভোলার পালা, কথা কবে না--
অসীম কালের পটে ছবির চিহ্ন রবে না।
           তার পরেতে জিতবে ধুলো,
           ভাঙা খেলার চিহ্নগুলো
                         সঙ্গে লবে না।
রাঙা রঙের চেলি দিয়ে কন্যে সাজানো,
দ্বারের কাছে বেহাগ রাগে সানাই বাজানো,
           এই মানে তার বুঝতে পারি--
           খেয়াল যাঁহার খুশি তাঁরি
                         জানো না-জানো।
আরো দেখুন