45 (who are you and whence)

I.97. sadho, ko hai kanh se ayo

 

WHO ARE YOU, and whence do you come?

Where dwells that Supreme Spirit, and how does He have His sport with all created things?

The fire is in the wood; but who awakens it suddenly? Then it turns to ashes, and where goes the force of the fire?

The true guru teaches that He has neither limit nor infinitude.

Kabir says: 'Brahma suits His language to the understanding of His hearer.'

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

ঘরের খেয়া
Verses
            সন্ধ্যা হয়ে আসে;
সোনা-মিশোল ধূসর আলো ঘিরল চারিপাশে।
নৌকোখানা বাঁধা আমার মধ্যিখানের গাঙে
অস্তরবির কাছে নয়ন কী যেন ধন মাঙে।
আপন গাঁয়ে কুটীর আমার দূরের পটে লেখা,
ঝাপসা আভায় যাচ্ছে দেখা বেগনি রঙের রেখা।
       যাব কোথায় কিনারা তার নাই,
পশ্চিমেতে মেঘের গায়ে একটু আভাস পাই।
হাঁসের দলে উড়ে চলে হিমালয়ের পানে,
পাখা তাদের চিহ্নবিহীন পথের খবর জানে।
শ্রাবণ গেল, ভাদ্র গেল, শেষ হল জল-ঢালা,
আকাশতলে শুরু হল শুভ্র আলোর পালা।
খেতের পরে খেত একাকার প্লাবনে রয় ডুবে,
লাগল জলের দোলযাত্রা পশ্চিমে আর পুবে।
আসন্ন এই আঁধার মুখে নৌকোখানি বেয়ে
     যায় কারা ঐ, শুধাই, "ওগো নেয়ে,
              চলেছ কোন্‌খানে।"
যেতে যেতে জবাব দিল, "যাব গাঁয়ের পানে।"
অচিন শূন্যে ওড়া পাখি চেনে আপন নীড়,
জানে বিজনমধ্যে কোথায় আপন জনের ভিড়।
অসীম আকাশ মিলেছে ওর বাসার সীমানাতে,
ঐ অজানা জড়িয়ে আছে জানাশোনার সাথে|
তেমনি ওরা ঘরের পথিক ঘরের দিকে চলে
যেথায় ওদের তুলসিতলায় সন্ধ্যাপ্রদীপ জ্বলে।
    দাঁড়ের শব্দ ক্ষীণ হয়ে যায় ধীরে,
            মিলায় সুদূর নীরে।
সেদিন দিনের অবসানে সজল মেঘের ছায়ে
আমার চলার ঠিকানা নাই, ওরা চলল গাঁয়ে।
আরো দেখুন
শরৎ
Verses
আজি কি তোমার মধুর মূরতি
     হেরিনু শারদ প্রভাতে!
হে মাত বঙ্গ, শ্যামল অঙ্গ
     ঝলিছে অমল শোভাতে।
পারে না বহিতে নদী জলধার,
মাঠে মাঠে ধান ধরে নাকো আর--
ডাকিছে দোয়েল গাহিছে কোয়েল
     তোমার কাননসভাতে!
মাঝখানে তুমি দাঁড়ায়ে জননী,
     শরৎকালের প্রভাতে।
জননী, তোমার শুভ আহ্বান
     গিয়েছে নিখিল ভুবনে--
নূতন ধান্যে হবে নবান্ন
     তোমার ভবনে ভবনে।
অবসর আর নাহিকো তোমার--
আঁটি আঁটি ধান চলে ভারে ভার,
গ্রামপথে-পথে গন্ধ তাহার
     ভরিয়া উঠিছে পবনে।
জননী, তোমার আহ্বান লিপি
     পাঠায়ে দিয়েছ ভুবনে।
তুলি মেঘভার আকাশ তোমার
     করেছ সুনীলবরনী।
শিশির ছিটায়ে করেছ শীতল
     তোমার শ্যামল ধরণী।
স্থলে জলে আর গগনে গগনে
বাঁশি বাজে যেন মধুর লগনে,
আসে দলে দলে তব দ্বারতলে
     দিশি দিশি হতে তরণী।
আকাশ করেছ সুনীল অমল,
     স্নিগ্ধশীতল ধরণী।
বহিছে প্রথম শিশিরসমীর
     ক্লান্ত শরীর জুড়ায়ে--
কুটিরে কুটিরে নব নব আশা
     নবীন জীবন উড়ায়ে।
দিকে দিকে মাতা কত আয়োজন,
হাসিভরা মুখ তব পরিজন
ভাণ্ডারে তব সুখ নব নব
     মুঠা মুঠা লয় কুড়ায়ে।
ছুটেছে সমীর আঁচলে তাহার
     নবীন জীবন উড়ায়ে।
আয় আয় আয়, আছ যে যেথায়
     আয় তোরা সব ছুটিয়া--
ভান্ডারদ্বার খুলেছে জননী,
     অন্ন যেতেছে লুটিয়া।
ও পার হইতে আয় খেয়া দিয়ে,
ও পাড়া হইতে আয় মায়ে ঝিয়ে,
কে কাঁদে ক্ষুধায় জননী শুধায়--
     আয় তোরা সবে জুটিয়া।
ভাণ্ডারদ্বার খুলেছে জননী,
     অন্ন যেতেছে লুটিয়া।
মাতার কণ্ঠে শেফালিমাল্য
     গন্ধে ভরিছে অবনী।
জলহারা মেঘ আঁচলে খচিত
     শুভ্র যেন সে নবনী।
পরেছে কিরীট কনককিরণে,
মধুর মহিমা হরিতে হিরণে
কুসুমভূষণজড়িত চরণে
     দাঁড়ায়েছে মোর জননী।
আলোকে শিশিরে কুসুমে ধান্যে
      হাসিছে নিখিল অবনী।
আরো দেখুন
টাকা সিকি আধুলিতে
Verses
     টাকা সিকি আধুলিতে
     ছিল তার হাত জোড়া;
যে-সাহসে কিনেছিল
     পান্তোয়া সাত ঝোড়া।
     ফুঁকে দিয়ে কড়াকড়ি
     শেষে হেসে গড়াগড়ি;
ফেলে দিতে হল সব--
     আলুভাতে পাত-জোড়া।
আরো দেখুন