৮৯ (jinoner singhodware poshinu je khone)

জীবনের সিংহদ্বারে পশিনু যে ক্ষণে

এ আশ্চর্য সংসারের মহানিকেতনে,

সে ক্ষণ অজ্ঞাত মোর। কোন্‌ শক্তি মোরে

ফুটাইল এ বিপুল রহস্যের ক্রোড়ে

অর্ধরাত্রে মহারণ্যে মুকুলের মতো?

তবু তো প্রভাতে শির করিয়া উন্নত

যখনি নয়ন মেলি নিরখিনু ধরা

কনককিরণ-গাঁথা নীলাম্বর-পরা।

নিরখিনু সুখে-দুঃখে-খচিত সংসার,

তখনি অজ্ঞাত এই রহস্য অপার

নিমেষেই মনে হল মাতৃবক্ষসম

নিতান্তই পরিচিত, একান্তই মম।

রূপহীন জ্ঞানাতীত ভীষণ শকতি

ধরেছে আমার কাছে জননী-মুরতি।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

7
Verses
এ কথা জানিতে তুমি, ভারত-ঈশ্বর শা-জাহান,
কালস্রোতে ভেসে যায় জীবন যৌবন ধন মান।
          শুধু তব অন্তরবেদনা
চিরন্তন হয়ে থাক্‌ সম্রাটের ছিল এ সাধনা।
          রাজশক্তি বজ্র সুকঠিন
সন্ধ্যারক্তরাগসম তন্দ্রাতলে হয় হোক লীন,
          কেবল একটি দীর্ঘশ্বাস
নিত্য-উচ্ছ্বসিত হয়ে সকরুণ করুক আকাশ
          এই তব মনে ছিল আশ।
          হীরা মুক্তামানিক্যের ঘটা
যেন শূন্য দিগন্তের ইন্দ্রজাল ইন্দ্রধনুচ্ছটা
          যায় যদি লুপ্ত হয়ে যাক,
              শুধু থাক্‌
          একবিন্দু নয়নের জল
     কালের কপোলতলে শুভ্র সমুজ্জ্বল
              এ তাজমহল।
     হায় ওরে মানবহৃদয়,
          বার বার
     কারো পানে ফিরে চাহিবার
          নাই যে সময়,
          নাই নাই।
জীবনের খরস্রোতে ভাসিছ সদাই
     ভুবনের ঘাটে ঘাটে--
   এক হাটে লও বোঝা, শূন্য করে দাও অন্য হাটে।
     দক্ষিণের মন্ত্রগুঞ্জরণে
              তব কুঞ্জবনে
     বসন্তের মাধবীমঞ্জরী
     যেই ক্ষণে দেয় ভরি
          মালঞ্চের চঞ্চল অঞ্চল,
বিদায় গোধূলি আসে ধুলায় ছড়ায়ে ছিন্নদল।
          সময় যে নাই;
     আবার শিশিররাত্রে তাই
    নিকুঞ্জে ফুটায়ে তোল নব কুন্দরাজি
সাজাইতে হেমন্তের অশ্রুভরা আনন্দের সাজি।
              হায় রে হৃদয়,
              তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।
     নাই নাই, নাই যে সময়।
     হে সম্রাট, তাই তব শঙ্কিত হৃদয়
     চেয়েছিল করিবারে সময়ের হৃদয় হরণ
                             সৌন্দর্যে ভুলায়ে।
                          কণ্ঠে তার কী মালা দুলায়ে
                                    করিলে বরণ
রূপহীন মরণেরে মৃত্যুহীন অপরূপ সাজে।
                             রহে না যে
                            বিলাপের অবকাশ
                             বারো মাস,
              তাই তব অশান্ত ক্রন্দনে
চিরমৌন জাল দিয়ে বেঁধে দিলে কঠিন বন্ধনে।
              জ্যোৎস্নারাতে নিভৃত মন্দিরে
                             প্রেয়সীরে
              যে-নামে ডাকিতে ধীরে ধীরে
সেই কানে-কানে ডাকা রেখে গেলে এইখানে
                             অনন্তের কানে।
                      প্রেমের করুণ কোমলতা
                             ফুটিল তা
          সৌন্দর্যের পুষ্পপুঞ্জে প্রশান্ত পাষাণে।
                            হে সম্রাট কবি,
              এই তব হৃদয়ের ছবি,
                        এই তব নব মেঘদূত,
                             অপূর্ব অদ্ভুত
                                      ছন্দে গানে
          উঠিয়াছে অলক্ষের পানে
          যেথা তব বিরহিণী  প্রিয়া
              রয়েছে মিশিয়া
          প্রভাতের অরুণ-আভাসে,
     ক্লান্তসন্ধ্যা দিগন্তের করুণ নিশ্বাসে,
     পূর্ণিমায় দেহহীন চামেলির লাবণ্যবিলাসে,
              ভাষার অতীত তীরে
কাঙাল নয়ন যেথা দ্বার হতে আসে ফিরে ফিরে।
          তোমার সৌন্দর্যদূত যুগ যুগ ধরি
               এড়াইয়া কালের প্রহরী
                     চলিয়াছে বাক্যহারা এই বার্তা নিয়া
                 "ভুলি নাই, ভুলি নাই, ভুলি নাই প্রিয়া।"
              চলে গেছ তুমি আজ
                     মহারাজ;
          রাজ্য তব স্বপ্নসম গেছে ছুটে,
              সিংহাসন গেছে টুটে;
                             তব সৈন্যদল
          যাদের চরনভরে ধরণী করিত টলমল
              তাহাদের স্মৃতি আজ বায়ুভরে
              উড়ে যায় দিল্লীর পথের ধূলি-'পরে।
                     বন্দীরা গাহে না গান;
          যমুনা-কল্লোলসাথে নহবত মিলায় না তান;
              তব পুরসুন্দরীর নূপুরনিক্কণ
                    ভগ্ন প্রাসাদের কোণে
                    ম'রে গিয়ে ঝিল্লীস্বনে
                             কাঁদায় রে নিশার গগন।
                    তবুও তোমার দূত অমলিন,
                             শ্রান্তিক্লান্তিহীন,
                        তুচ্ছ করি রাজ্য-ভাঙাগড়া,
                     তুচ্ছ করি জীবনমৃত্যুর ওঠাপড়া,
                             যুগে যুগান্তরে
                             কহিতেছে একস্বরে
                           চিরবিরহীর বাণী নিয়া
                "ভুলি নাই, ভুলি নাই, ভুলি নাই প্রিয়া।"
     মিথ্যা কথা-- কে বলে যে ভোল নাই।
          কে বলে রে খোল নাই
              স্মৃতির পিঞ্জরদ্বার।
             অতীতের চির অস্ত-অন্ধকার
     আজিও হৃদয় তব রেখেছে বাঁধিয়া?
          বিস্মৃতির মুক্তিপথ দিয়া
              আজিও সে হয় নি বাহির?
                      সমাধিমন্দির
              এক ঠাঁই রহে চিরস্থির;
                     ধরায় ধুলায় থাকি
     স্মরণের আবরণে মরণেরে যত্নে রাখে ঢাকি।
          জীবনেরে কে রাখিতে পারে।
     আকাশের প্রতি তারা ডাকিছে তাহারে।
              তার নিমন্ত্রণ লোকে লোকে
          নব নব পূর্বাচলে  আলোকে আলোকে।
                    স্মরণের গ্রন্থি টুটে
                    সে যে যায় ছুটে
                 বিশ্বপথে বন্ধনবিহীন।
     মহারাজ, কোনো মহারাজ্য কোনোদিন
               পারে নাই তোমারে ধরিতে;
     সমুদ্রস্তনিত পৃথ্বী, হে বিরাট, তোমারে ভরিতে
                 নাহি পারে--
              তাই এ-ধরারে
জীবন-উৎসব-শেষে দুই পায়ে ঠেলে
          মৃৎপাত্রের মতো যাও ফেলে।
     তোমার কীর্তির চেয়ে তুমি যে মহৎ,
          তাই তব জীবনের রথ
     পশ্চাতে ফেলিয়া যায় কীর্তিরে তোমার
          বারম্বার।
              তাই
     চিহ্ন তব পড়ে আছে, তুমি হেথা নাই।
              যে প্রেম সম্মুখপানে
          চলিতে চালাতে নাহি জানে,
     যে প্রেম পথের মধ্যে  পেতেছিল নিজ সিংহাসন,
               তার বিলাসের সম্ভাষণ
     পথের ধুলার মতো জড়ায়ে ধরেছে তব পায়ে,
                    দিয়েছ তা ধূলিরে ফিরায়ে।
                  সেই তব পশ্চাতের পদধূলি-'পরে
                     তব চিত্ত হতে বায়ুভরে
                            কখন সহসা
     উড়ে পড়েছিল বীজ জীবনের মাল্য হতে খসা।
              তুমি চলে গেছ দূরে
              সেই বীজ অমর অঙ্কুরে
                    উঠেছে অম্বরপানে,
                           কহিছে গম্ভীর গানে--
                             "যত দূর চাই
                          নাই নাই সে পথিক নাই।
     প্রিয়া তারে রাখিল না, রাজ্য তারে ছেড়ে দিল পথ
              রুধিল না সমুদ্র পর্বত।
                            আজি তার রথ
              চলিয়াছে রাত্রির আহ্বানে
                      নক্ষত্রের গানে
              প্রভাতের সিংহদ্বার পানে।
                           তাই
              স্মৃতিভারে আমি পড়ে আছি,
                     ভারমুক্ত সে এখানে নাই।'
আরো দেখুন
224
Verses

MY FRIEND, your great heart shone with thee sunrise of the East like the snowy summit of a lonely hill in the dawn.
আরো দেখুন
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
Verses
বর্ষার নবীন মেঘ এল ধরণীর পূর্বদ্বারে,
বাজাইল বজ্রভেরী। হে কবি, দিবে না সাড়া তারে
তোমার নবীন ছন্দে? আজিকার কাজরি গাথায়
ঝুলনের দোলা লাগে ডালে ডালে পাতায় পাতায়;
বর্ষে বর্ষে এ দোলায় দিত তাল তোমার যে বাণী
বিদ্যুৎ-নাচন গানে, সে আজি ললাটে কর হানি
বিধবার বেশে কেন নিঃশব্দে লুটায় ধূলি-'পরে?
আশ্বিনে উৎসব-সাজে শরৎ সুন্দর শুভ্র করে
শেফালির সাজি নিয়ে দেখা দিবে তোমার অঙ্গনে;
প্রতি বর্ষে দিত সে যে শুক্লরাতে জ্যোৎস্নার চন্দনে
ভালে তব বরণের টিকা; কবি, আজ হতে সে কি
বারে বারে আসি তব শূন্যকক্ষে তোমারে না দেখি
উদ্দেশে ঝরায়ে যাবে শিশিরসিঞ্চিত পুষ্পগুলি
নীরবসংগীত তব দ্বারে?
                            জানি তুমি প্রাণ খুলি
এ সুন্দরী ধরণীরে ভালোবেসেছিলে। তাই তারে
সাজায়েছ দিনে দিনে নিত্য নব সংগীতের হারে।
অন্যায় অসত্য যত, যত কিছু অত্যাচার পাপ
কুটিল কুৎসিত ক্রূর, তার 'পরে তব অভিশাপ
বর্ষিয়াছ ক্ষিপ্রবেগে অর্জুনের অগ্নিবাণ-সম;
তুমি সত্যবীর, তুমি সুকঠোর, নির্মল, নির্মম,
করুণ, কোমল। তুমি বঙ্গভারতীর তন্ত্রী-'পরে
একটি অপূর্ব তন্ত্র এসেছিলে পরাবার তরে।
সে তন্ত্র হয়েছে বাঁধা; আজ হতে বাণীর উৎসবে
তোমার আপন সুর কখনো ধ্বনিবে মন্দ্ররবে,
কখনো মঞ্জুল গুঞ্জরণে। বঙ্গের অঙ্গনতলে
বর্ষা-বসন্তের নৃত্যে বর্ষে বর্ষে উল্লাস উথলে;
সেথা তুমি এঁকে গেলে বর্ণে বর্ণে বিচিত্র রেখায়
আলিম্পন; কোকিলের কুহুরবে, শিখীর কেকায়
দিয়ে গেলে তোমার সংগীত; কাননের পল্লবে কুসুমে
রেখে গেলে আনন্দের হিল্লোল তোমার। বঙ্গভূমে
যে তরুণ যাত্রিদল রুদ্ধদ্বার-রাত্রি-অবসানে
নিঃশঙ্কে বাহির হবে নবজীবনের অভিযানে
নব নব সংকটের পথে পথে, তাহাদের লাগি
অন্ধকার নিশীথিনী তুমি, কবি, কাটাইলে জাগি
জয়মাল্য বিরচিয়া, রেখে গেলে গানের পাথেয়
বহ্নিতেজে পূর্ণ করি; অনাগত যুগের সাথেও
ছন্দে ছন্দে নানাসূত্রে বেঁধে গেলে বন্ধুত্বের ডোর,
গ্রন্থি দিলে চিন্ময় বন্ধনে, হে তরুণ বন্ধু মোর,
সত্যের পূজারি।
                 আজো যারা জন্মে নাই তব দেশে,
দেখে নাই যাহারা তোমারে, তুমি তাদের উদ্দেশে
দেখার অতীত রূপে আপনারে করে গেলে দান
দূরকালে। তাহাদের কাছে তুমি নিত্য-গাওয়া গান
মূর্তিহীন। কিন্তু যারা পেয়েছিল প্রত্যক্ষ তোমায়
অনুক্ষণ তারা যা হারাল তার সন্ধান কোথায়,
কোথায় সান্ত্বনা? বন্ধুমিলনের দিনে বারম্বার
উৎসব-রসের পাত্র পূর্ণ তুমি করেছ আমার
প্রাণে তব, গানে তব, প্রেমে তব, সৌজন্যে, শ্রদ্ধায়,
আনন্দের দানে ও গ্রহণে। সখা, আজ হতে হায়,
জানি মনে, ক্ষণে ক্ষণে চমকি উঠিবে মোর হিয়া
তুমি আস নাই বলে, অকস্মাৎ রহিয়া রহিয়া
করুণ স্মৃতির ছায়া ম্লান করি দিবে সভাতলে
আলাপ আলোক হাস্য প্রচ্ছন্ন গভীর অশ্রুজলে।
আজিকে একেলা বসি শোকের প্রদোষ-অন্ধকারে,
মৃত্যুতরঙ্গিণীধারা-মুখরিত ভাঙনের ধারে
তোমারে শুধাই-- আজি বাধা কি গো ঘুচিল চোখের,
সুন্দর কি ধরা দিল অনিন্দিত নন্দনলোকের
আলোকে সম্মুখে তব, উদয়শৈলের তলে আজি
নবসূর্যবন্দনায় কোথায় ভরিলে তব সাজি
নব ছন্দে, নূতন আনন্দগানে। সে গানের সুর
লাগিছে আমার কানে অশ্রুসাথে মিলিত মধুর
প্রভাত-আলোকে আজি; আছে তাহে সমাপ্তির ব্যথা
আছে তাহে নবতন আরম্ভের মঙ্গল-বারতা;
আছে তাহে ভৈরবীতে বিদায়ের বিষণ্ণ মূর্ছনা,
আছে ভৈরবের সুরে মিলনের আসন্ন অর্চনা।
যে খেয়ার কর্ণধার তোমারে নিয়েছে সিন্ধুপারে
আষাঢ়ের সজল ছায়ায়, তার সাথে বারে বারে
হয়েছে আমার চেনা; কতবার তারি সারিগানে
নিশান্তের নিদ্রা ভেঙে ব্যথায় বেজেছে মোর প্রাণে
অজানা পথের ডাক, সূর্যাস্তপারের স্বর্ণরেখা
ইঙ্গিত করেছে মোরে। পুনঃ আজ তার সাথে দেখা
মেঘে-ভরা বৃষ্টিঝরা দিনে। সেই মোরে দিল আনি
ঝরে-পড়া কদম্বের কেশর-সুগন্ধি লিপিখানি
তব শেষ-বিদায়ের। নিয়ে যাব ইহার উত্তর
নিজ হাতে করে আমি ওই খেয়া-'পরে করি ভর--
না জানি সে কোন্‌ শান্ত শিউলি-ঝরার শুক্লরাতে,
দক্ষিণের দোলা-লাগা পাখি-জাগা বসন্তপ্রভাতে,
নবমল্লিকার কোন্‌ আমন্ত্রণ-দিনে, শ্রাবণের
ঝিল্লিমন্দ্রসঘন সন্ধ্যায়, মুখরিত প্লাবনের
অশান্ত নিশীথ রাত্রে, হেমন্তের দিনান্তবেলায়
কুহেলীগুণ্ঠনতলে।
                       ধরণীতে প্রাণের খেলায়
সংসারের যাত্রাপথে এসেছি তোমার বহু আগে,
সুখে দুঃখে চলেছি আপন মনে; তুমি অনুরাগে
এসেছিলে আমার পশ্চাতে, বাঁশিখানি লয়ে হাতে
মুক্ত মনে, দীপ্ত তেজে, ভারতীর বরমাল্য মাথে।
আজ তুমি গেলে আগে; ধরিত্রীর রাত্রি আর দিন
তোমা হতে গেল খসি, সর্ব আবরণ করি লীন
চিরন্তন হলে তুমি, মর্ত কবি, মুহূর্তের মাঝে।
গেলে সেই বিশ্বচিত্তলোকে, যেথা সুগম্ভীর বাজে
অনন্তের বীণা, যার শব্দহীন সংগীতধারায়
ছুটেছে রূপের বন্যা গ্রহে সূর্যে তারায় তারায়।
সেথা তুমি অগ্রজ আমার; যদি কভু দেখা হয়,
পাব তবে সেথা তব কোন্‌ অপরূপ পরিচয়
কোন্‌ ছন্দে, কোন্‌ রূপে? যেমনি অপূর্ব হোক নাকো,
তবু আশা করি যেন মনের একটি কোণে রাখ
ধরণীর ধূলির স্মরণ, লাজে ভয়ে দুঃখে সুখে
বিজড়িত-- আশা করি, মর্তজন্মে ছিল তব মুখে
যে বিনম্র স্নিগ্ধ হাস্য, যে স্বচ্ছ সতেজ সরলতা,
সহজ সত্যের প্রভা, বিরল সংযত শান্ত কথা,
তাই দিয়ে আরবার পাই যেন তব অভ্যর্থনা
অমর্ত্যলোকের দ্বারে-- ব্যর্থ নাহি হোক এ কামনা।
আরো দেখুন