৩৯ (he raajendra taba haate kaal antaheen)

হে রাজেন্দ্র,তব হাতে কাল অন্তহীন।

গণনা কেহ না করে, রাত্রি আর দিন

আসে যায়, ফুটে ঝরে যুগযুগন্তরা।

বিলম্ব নাহিক তব, নাহি তব ত্বরা--

প্রতীক্ষা করিতে জান। শতবর্ষ ধ'রে

একটি পুষ্পের কলি ফুটাবার তরে

চলে তব ধীর আয়োজন। কাল নাই

আমাদের হাতে; কাড়াকাড়ি করে তাই

সবে মিলে; দেরি কারো নাহি সহে কভু।

আগে তাই সকলের সব সেবা, প্রভু,

শেষ করে দিতে দিতে কেটে যায় কাল--

শূন্য পড়ে থাকে হায় তব পূজা-থাল।

অসময়ে ছুটে আসি, মনে বাসি ভয়--

এসে দেখি, যায় নাই তোমার সময়।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

323
Verses
I HAVE suffered and despaired and known death and I am glad that I am in this great world.
আরো দেখুন
ছায়াছবি
Verses
আমার প্রিয়ার সচল ছায়াছবি
                   সজল নীলাকাশে।
     আমার প্রিয়া মেঘের ফাঁকে ফাঁকে
          সন্ধ্যাতারায় লুকিয়ে দেখে কাকে,
সন্ধ্যাদীপের লুপ্ত আলো স্মরণে তার ভাসে।
               বারিঝরা বনের গন্ধ নিয়া
   পরশহারা বরণমালা গাঁথে আমার প্রিয়া।
          আমার প্রিয়া ঘন শ্রাবণধারায়
               আকাশ ছেয়ে মনের কথা হারায়,
                   আমার প্রিয়ার আঁচল দোলে
                        নিবিড় বনের শ্যামল উচ্ছ্বাসে।
আরো দেখুন
উৎসর্গ
Verses
      আজি মোর দ্রাক্ষাকুঞ্জবনে
      গুচ্ছ গুচ্ছ ধরিয়াছে ফল।
পরিপূর্ণ বেদনার ভরে
মুহূর্তেই বুঝি ফেটে পড়ে,
বসন্তের দুরন্ত বাতাসে
নুয়ে বুঝি নমিবে ভূতল--
রসভরে অসহ উচ্ছ্বাসে
থরে থরে ফলিয়াছে ফল।
      তুমি এসো নিকুঞ্জনিবাসে,
      এসো মোর সার্থকসাধন।
লুটে লও ভরিয়া অঞ্চল
জীবনের সকল সম্বল,
নীরবে নিতান্ত অবনত
বসন্তের সর্ব-সমর্পণ--
হাসি মুখে নিয়ে যাও যত
বনের বেদননিবেদন।
      শুক্তিরক্ত নখরে বিক্ষত
      ছিন্ন করি ফেলো বৃন্তগুলি।
          সুখাবেশে বসি লতামূলে
          সারাবেলা অলস অঙ্গুলে
বৃথা কাজে যেন অন্যমনে
খেলাচ্ছলে লহো তুলি তুলি--
তব ওষ্ঠে দশনদংশনে
টুটে যাক পূর্ণ ফলগুলি।
      আজি মোর দ্রাক্ষাকুঞ্জবনে
      গুঞ্জরিছে ভ্রমর চঞ্চল।
          সারাদিন অশান্ত বাতাস
          ফেলিতেছে মর্মরনিশ্বাস,
বনের বুকের আন্দোলনে
কাঁপিতেছে পল্লব-অঞ্চল--
আজি মোর দ্রাক্ষাকুঞ্জবনে
পুঞ্জ পুঞ্জ ধরিয়াছে ফল।
আরো দেখুন