95 (i was not aware of)

I WAS NOT aware of the moment when I first crossed the threshold of this life.

What was the power that made me open out into this vast mystery like a bud in the forest at midnight!

When in the morning I looked upon the light I felt in a moment that I was no stranger in this world, that the inscrutable without name and form had taken me in its arms in the form of my own mother.

Even so, in death the same unknown will appear as ever known to me. And because I love this life, I know I shall love death as well.

The child Cries out when from the right breast the mother takes it away, in the very next moment to find in the left one its consolation.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

ময়ূরের দৃষ্টি
Verses
দক্ষিণায়নের সূর্যোদয় আড়াল ক'রে
                                  সকালে বসি চাতালে।
                          অনুকূল অবকাশ;
                     তখনো নিরেট হয়ে ওঠে নি কাজের দাবি,
                          ঝুঁকে পড়ে নি লোকের ভিড়
                                  পায়ে পায়ে সময় দলিত করে দিয়ে।
                                        লিখতে বসি,
                                  কাটা খেজুরের গুঁড়ির মতো
               ছুটির সকাল কলমের ডগায় চুঁইয়ে দেয় কিছু রস।
                     আমাদের ময়ূর এসে পুচ্ছ নামিয়ে বসে
                                  পাশের রেলিংটির উপর।
                     আমার এই আশ্রয় তার কাছে নিরাপদ,
         এখানে আসে না তার বেদরদী শাসনকর্তা বাঁধন হাতে।
               বাইরে ডালে ডালে কাঁচা আম পড়েছে ঝুলে,
                     নেবু ধরেছে নেবুর গাছে,
                          একটা একলা কুড়চিগাছ
               আপনি আশ্চর্য আপন ফুলের বাড়াবাড়িতে।
                                  প্রাণের নিরর্থক চাঞ্চল্যে
                          ময়ূরটি ঘাড় বাঁকায় এদিকে ওদিকে।
                                  তার উদাসীন দৃষ্টি
               কিছুমাত্র খেয়াল করে না আমার খাতা-লেখায়;
         করত, যদি অক্ষরগুলো হত পোকা;
               তা হলে নগণ্য মনে করত না কবিকে।
         হাসি পেল ওর ওই গম্ভীর উপেক্ষায়,
               ওরই দৃষ্টি দিয়ে দেখলুম আমার এই রচনা।
                     দেখলুম, ময়ূরের চোখের ঔদাসীন্য
                                  সমস্ত নীল আকাশে,
               কাঁচা-আম-ঝোলা গাছের পাতায় পাতায়,
                          তেঁতুলগাছের গুঞ্জনমুখর মৌচাকে।
               ভাবলুম, মাহেন্দজারোতে
                     এইরকম চৈত্রশেষের অকেজো সকালে
                          কবি লিখেছিল কবিতা,
                     বিশ্বপ্রকৃতি তার কোনোই হিসাব রাখে নি।
               কিন্তু, ময়ূর আজও আছে প্রাণের দেনাপাওনায়,
                     কাঁচা আম ঝুলে পড়েছে ডালে।
               নীল আকাশ থেকে শুরু করে সবুজ পৃথিবী পর্যন্ত
                     কোথাও ওদের দাম যাবে না কমে।
               আর, মাহেন্দজারোর কবিকে গ্রাহ্যই করলে না।
                     পথের ধারের তৃণ, আঁধার রাত্রের জোনাকি।
                     নিরবধি কাল আর বিপুলা পৃথিবীতে
                          মেলে দিলাম চেতনাকে,
               টেনে নিলেম প্রকৃতির ধ্যান থেকে বৃহৎ বৈরাগ্য
                                  আপন মনে;
                     খাতার অক্ষরগুলোকে দেখলুম
                                        মহাকালের দেয়ালিতে
                          পোকার ঝাঁকের মতো।
                     ভাবলুম, আজ যদি ছিঁড়ে ফেলি পাতাগুলো
               তা হলে পর্শুদিনের অস্ত্যসৎকার এগিয়ে রাখব মাত্র।
         এমন সময় আওয়াজ এল কানে,
               "দাদামশায়, কিছু লিখেছ না কি।"
                     ওই এসেছে--ময়ূর না,
                          ঘরে যার নাম সুনয়নী,
                     আমি যাকে ডাকি শুনায়নী ব'লে।
               ওকে আমার কবিতা শোনাবার দাবি সকলের আগে।
               আমি বললেম, "সুরসিকে, খুশি হবে না,
                          এ গদ্যকাব্য।"
               কপালে ভ্রূকুঞ্চনের ঢেউ খেলিয়ে
                          বললে, "আচ্ছা, তাই সই।"
                     সঙ্গে একটু স্তুতিবাক্য দিলে মিলিয়ে;
                          বললে, "তোমার কণ্ঠস্বরে,
                                  গদ্যে রঙ ধরে পদ্যের।"
                     ব'লে গলা ধরলে জড়িয়ে।
         আমি বললেম, "কবিত্বের রঙ লাগিয়ে নিচ্ছ
                     কবিকণ্ঠ থেকে তোমার বাহুতে?"
         সে বললে, "অকবির মতো হল তোমার কথাটা;
               কবিত্বের স্পর্শ লাগিয়ে দিলেম তোমারই কণ্ঠে,
                     হয়তো জাগিয়ে দিলেম গান।"
               শুনলুম নীরবে, খুশি হলুম নিরুত্তরে।
         মনে-মনে বললুম, প্রকৃতির ঔদাসীন্য অচল রয়েছে
               অসংখ্য বর্ষকালের চূড়ায়,
         তারই উপরে একবারমাত্র পা ফেলে চলে যাবে
                          আমার শুনায়নী,
                     ভোরবেলার শুকতারা।
         সেই ক্ষণিকের কাছে হার মানবে বিরাটকালের বৈরাগ্য।
               মাহেন্দজারোর কবি, তোমার সন্ধ্যাতারা
                          অস্তাচল পেরিয়ে
                     আজ উঠেছে আমার জীবনের
                          উদয়াচলশিখরে।
আরো দেখুন
57
Verses
WE COME nearest to the great when we are great in humility.
আরো দেখুন
10
Verses
বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি।
দেশে দেশে কত-না নগর রাজধানী--
মানুষের কত কীর্তি, কত নদী গিরি সিন্ধু মরু,
কত-না অজানা জীব, কত-না অপরিচিত তরু
রয়ে গেল অগোচরে। বিশাল বিশ্বের আয়োজন;
মন মোর জুড়ে থাকে অতি ক্ষুদ্র তারি এক কোণ।
সেই ক্ষোভে পড়ি গ্রন্থ ভ্রমণবৃত্তান্ত আছে যাহে
অক্ষয় উৎসাহে--
যেথা পাই চিত্রময়ী বর্ণনার বাণী
কুড়াইয়া আনি।
জ্ঞানের দীনতা এই আপনার মনে
পূরণ করিয়া লই যত পারি ভিক্ষালব্ধ ধনে।
আমি পৃথিবীর কবি, যেথা তার যত উঠে ধ্বনি
আমার বাঁশির সুরে সাড়া তার জাগিবে তখনি,
এই স্বরসাধনায় পৌঁছিল না বহুতর ডাক--
রয়ে গেছে ফাঁক।
কল্পনায় অনুমানে ধরিত্রীর মহা-একতান
কত-না নিস্তব্ধ ক্ষণে পূর্ণ করিয়াছে মোর প্রাণ।
দু্‌র্গম তুষারগিরি অসীম নিঃশব্দ নীলিমায়
অশ্রুত যে গান গায়
আমার অন্তরে বারবার
পাঠায়েছে নিমন্ত্রণ তার।
দক্ষিণমেরুর ঊর্ধ্বে যে অজ্ঞাত তারা
মহাজনশূন্যতায় রাত্রি তার করিতেছে সারা,
সে আমার অর্ধরাত্রে অনিমেষ চোখে
অনিদ্রা করেছে স্পর্শ অপূর্ব আলোকে।
সুদূরের মহাপ্লাবী প্রচন্ড নির্ঝর
মনের গহনে মোর পঠায়েছে স্বর।
প্রকৃতির ঐকতানস্রোতে
নানা কবি ঢালে গান নানা দিক হতে;
তাদের সবার সাথে আছে মোর এইমাত্র যোগ--
সঙ্গ পাই সবাকার, লাভ করি আনন্দের ভোগ,
গীতভারতীর আমি পাই তো প্রসাদ
নিখিলের সংগীতের স্বাদ।
সব চেয়ে দুর্গম-যে মানুষ আপন অন্তরালে,
তার কোনো পরিণাপ নাই বাহিরের দেশে কালে।
সে অন্তরময়
অন্তর মিশালে তবে তার অন্তরের পরিচয়।
পাই নে সর্বত্র তার প্রবেশের দ্বার,
বাধা হয়ে আছে মোর বেড়াগুলি জীবনযাত্রার।
চাষি খেতে চালাইছে হাল,
তাঁতি বসে তাঁত বোনে, জেলে ফেলে জাল--
বহুদূরপ্রসারিত এদের বিচিত্র কর্মভার
তারি 'পরে ভর দিয়ে চলিতেছে সমস্ত সংসার।
অতি ক্ষুদ্র অংশে তার সম্মানের চিরনির্বাসনে
সমাজের উচ্চ মঞ্চে বসেছি সংকীর্ণ বাতায়নে।
মাঝে মাঝে গেছি আমি ও পাড়ার প্রাঙ্গণের ধারে,
ভিতরে প্রবেশ করি সে শক্তি ছিল না একেবারে।
জীবনে জীবন যোগ করা
না হলে কৃত্রিম পণ্যে ব্যর্থ হয় গানের পসরা।
তাই আমি মেনে নিই সে নিন্দার কথা
আমার সুরের অপূর্ণতা।
আমার কবিতা, জানি আমি,
গেলেও বিচিত্র পথে হয় নাই সে সর্বত্রগামী।
কৃষাণের জীবনের শরিক যে জন,
কর্মে ও কথায় সত্য আত্মীয়তা করেছে অর্জন,
যে আছে মাটির কাছাকাছি,
সে কবির বাণী-লাগি কান পেতে আছি।
সাহিত্যের আনন্দের ভোজে
নিজে যা পারি না দিতে নিত্য আমি থাকি তারি খোঁজে।
সেটা সত্য হোক,
শুধু ভঙ্গি দিয়ে যেন না ভোলায় চোখ।
সত্য মূল্য না দিয়েই সাহিত্যের খ্যাতি করা চুরি
ভালো নয়, ভালো নয় নকল সে শৌখিন মজ্‌দুরি।
এসো কবি, অখ্যাতজনের
নির্বাক্‌ মনের।
মর্মের বেদনা যত করিয়ো উদ্ধার--
প্রাণহীন এ দেশেতে গানহীন যেথা চারি ধার,
অবজ্ঞার তাপে শুষ্ক নিরানন্দ সেই মরুভূমি
রসে পূর্ণ করি দাও তুমি।
অন্তরে যে উৎস তার আছে আপনারি
তাই তুমি দাও তো উদ্‌বারি।
সাহিত্যের ঐকতানসংগীতসভায়
একতারা যাহাদের তারাও সম্মান যেন পায়--
মূক যারা দুঃখে সুখে,
নতশির স্তব্ধ যারা বিশ্বের সম্মুখে,
ওগো গুণী,
কাছে থেকে দূরে যারা তাহাদের বাণী যেন শুনি।
তুমি থাকো তাহাদের জ্ঞাতি,
তোমার খ্যাতিতে তারা পায় যেন আপনারি খ্যাতি--
আমি বারংবার
তোমারে করিব নমস্কার।
আরো দেখুন