48 (they expect thanks)

THEY EXPECT thanks for the banished nest

because their cage is shapely and secure.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

134
Verses
পায়ে চলার বেগে
     পথের-বিঘ্ন-হরণ-করা
           শক্তি উঠুক জেগে।
আরো দেখুন
22
Verses
          যখন আমায় হাতে ধরে
              আদর করে
          ডাকলে তুমি আপন পাশে,
          রাত্রিদিবস ছিলেম ত্রাসে
পাছে তোমার আদর হতে অসাবধানে কিছু হারাই,
          চলতে গিয়ে নিজের পথে
          যদি আপন ইচ্ছামতে
     কোনো দিকে এক পা বাড়াই,
পাছে বিরাগ-কুশাঙ্কুরের একটি কাঁটা একটু মাড়াই।
              মুক্তি, এবার মুক্তি আজি
                     উঠল বাজি
              অনাদরের কঠিন ঘায়ে,
     অপমানের ঢাকে ঢোলে সকল নগর সকল গাঁয়ে।
     ওরে ছুটি, এবার ছুটি, এই যে আমার হল ছুটি,
              ভাঙল আমার মানের খুঁটি,
              খসল বেড়ি হাতে পায়ে;
                     এই যে এবার
                     দেবার নেবার
              পথ খোলসা ডাইনে বাঁয়ে।
              এতদিনে আবার মোরে
                      বিষম জোরে
              ডাক দিয়েছে আকাশ পাতাল।
                      লাঞ্ছিতেরে কে রে থামায়।
                      ঘর-ছাড়ানো বাতাস আমায়
                             মুক্তি-মদে করল মাতাল।
              খসে-পড়া তারার সাথে
                       নিশীথরাতে
              ঝাঁপ দিয়েছি অতলপানে
                       মরণ-টানে।
          আমি-যে সেই বৈশাখী মেঘ বাঁধনছাড়া,
              ঝড় তাহারে দিল তাড়া;
     সন্ধ্যারবির স্বর্ণকিরীট ফেলে দিল অস্তপারে,
          বজ্রমানিক দুলিয়ে নিল গলার হারে;
              একলা আপন তেজে
                        ছুটল সে-যে
              অনাদরের মুক্তিপথের 'পরে
          তোমার চরণধুলায়-রঙিন চরম সমাদরে।
              গর্ভ ছেড়ে মাটির 'পরে
                      যখন পড়ে
          তখন ছেলে দেখে আপন মাকে।
              তোমার আদর যখন ঢাকে,
              জড়িয়ে থাকি তারি নাড়ীর পাকে,
              তখন তোমায় নাহি জানি।
                       আঘাত হানি
     তোমারি আচ্ছাদন হতে যেদিন দূরে ফেলাও টানি
              সে-বিচ্ছেদে চেতনা দেয় আনি,
                      দেখি বদনখানি।
আরো দেখুন
43
Verses
     ভাবনা নিয়ে মরিস কেন খেপে।
          দুঃখ-সুখের লীলা
     ভাবিস এ কি রইবে বক্ষে চেপে
          জগদ্দলন-শিলা।
     চলেছিস রে চলাচলের পথে
     কোন্‌ সারথির উধাও মনোরথে?
     নিমেষতরে যুগে যুগান্তরে
          দিবে না রাশ-ঢিলা।
     শিশু হয়ে এলি মায়ের কোলে,
          সেদিন গেল ভেসে।
     যৌবনেরি বিষম দোলার দোলে
          কাটল কেঁদে হেসে।
     রাত্রে যখন হচ্ছিল দীপ জ্বালা
     কোথায় ছিল আজকে দিনের পালা।
     আবার কবে কী সুর বাঁধা হবে
          আজকে পালার শেষে।
     চলতে যাদের হবে চিরকালই
          নাইকো তাদের ভার।
     কোথা তাদের রইবে থলি-থালি,
          কোথা বা সংসার।
     দেহযাত্রা মেঘের খেয়া বাওয়া,
     মন তাহাদের ঘূর্ণা-পাকের হাওয়া;
     বেঁকে বেঁকে আকার এঁকে এঁকে
          চলছে নিরাকার।
     ওরে পথিক, ধর্‌-না চলার গান,
          বাজা রে একতারা।
     এই খুশিতেই মেতে উঠুক প্রাণ--
          নাইকো কূল-কিনারা।
     পায়ে পায়ে পথের ধারে ধারে
     কান্না-হাসির ফুল ফুটিয়ে যা রে,
     প্রাণ-বসন্তে তুই-যে দখিন হাওয়া
          গৃহ-বাঁধন-হারা!
     এই জনমের এই রূপের এই খেলা
          এবার করি শেষ;
     সন্ধ্যা হল, ফুরিয়ে এল বেলা,
          বদল করি বেশ।
     যাবার কালে মুখ ফিরিয়ে পিছু
     কান্না আমার ছড়িয়ে যাব কিছু,
     সামনে সে-ও প্রেমের কাঁদন ভরা
          চির-নিরুদ্দেশ।
     বঁধুর চিঠি মধুর হয়ে আছে
          সেই অজানার দেশে।
     প্রাণের ঢেউ সে এমনি করেই নাচে
          এমনি ভালোবেসে।
     সেখানেতে আবার সে কোন্‌ দূরে
     আলোর বাঁশি বাজবে গো এই সুরে
     কোন্‌ মুখেতে সেই অচেনা ফুল
          ফুটবে আবার হেসে।
     এইখানে এক শিশির-ভরা প্রাতে
          মেলেছিলেম প্রাণ।
     এইখানে এক বীণা নিয়ে হাতে
          সেধেছিলেম তান।
     এতকালের সে মোর বীণাখানি
     এইখানেতেই ফেলে যাব জানি,
     কিন্তু ওরে হিয়ার মধ্যে ভরি
          নেব যে তার গান।
     সে-গান আমি শোনাব যার কাছে
          নূতন আলোর তীরে,
     চিরদিন সে সাথে সাথে আছে
          আমার ভুবন ঘিরে।
     শরতে সে শিউলি-বনের তলে
     ফুলের গন্ধে ঘোমটা টেনে চলে,
     ফাল্গুনে তার বরণমালাখানি
          পরাল মোর শিরে।
     পথের বাঁকে হঠাৎ দেয় সে দেখা
          শুধু নিমেষতরে।
     সন্ধ্যা-আলোয় রয় সে বসে একা
          উদাস প্রান্তরে।
     এমনি করেই তার সে আসা-যাওয়া,
     এমনি করেই বেদন-ভরা হাওয়া
     হৃদয়-বনে বইয়ে সে যায় চলে
          মর্মরে মর্মরে।
     জোয়ার-ভাঁটার নিত্য চলাচলে
          তার এই আনাগোনা।
     আধেক হাসি আধেক চোখের জলে
          মোদের চেনাশোনা।
     তারে নিয়ে হল না ঘর বাঁধা,
     পথে পথেই নিত্য তারে সাধা
     এমনি করেই আসা-যাওয়ার ডোরে
          প্রেমেরি জাল-বোনা।
আরো দেখুন