৩৪ (amar moner janlati aj)

আমার মনের জানলাটি আজ হঠাৎ গেল খুলে

          তোমার মনের দিকে।

সকালবেলার আলোয় আমি সকল কর্ম ভুলে

          রইনু অনিমিখে।

 

          দেখতে পেলেম তুমি মোরে

          সদাই ডাক যে-নাম ধ'রে

     সে-নামটি এই চৈত্রমাসের পাতায় পাতায় ফুলে

              আপনি দিলে লিখে।

     সকালবেলার আলোতে তাই সকল কর্ম ভুলে

               রইনু অনিমিখে।

 

     আমার সুরের পর্দাটি আজ হঠাৎ গেল উড়ে

              তোমার গানের পানে।

     সকালবেলার আলো দেখি তোমার সুরে সুরে

              ভরা আমার গানে।

              মনে হল আমারি প্রাণ

          তোমার বিশ্বে তুলেছে তান,

     আপন গানের সুরগুলি সেই তোমার চরণমূলে

              নেব আমি শিখে।

     সকালবেলার আলোতে তাই সকল কর্ম ভুলে

              রইনু অনিমিখে।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

শুকসারী
Verses
  শ্রীযুক্ত নন্দলাল বসুর পাহাড়-আঁকা চিত্রপত্রিকার উত্তরে
      শুক বলে, গিরিরাজের জগতে প্রাধান্য;
      সারী বলে, মেঘমালা, সেই বা কী সামান্য,--
             গিরির মাথায় থাকে।
      শুক বলে, গিরিরাজের দৃঢ় অচল শিলা;
      সারী বলে, মেঘমালার আদি-অন্তই লীলা,--
             বাঁধবে কে-বা তাকে।
      শুক বলে, নদীর জলে গিরি ঢালেন প্রাণ;
      সারী বলে, তার পিছনে মেঘমালার দান,--
             তাই তো নদী আছে।
      শুক বলে, গিরীশ থাকেন গিরিতে দিনরাত্র;
      সারী বলে, অন্নপূর্ণা ভরেন ভিক্ষাপাত্র ,--
             সে তো মেঘের কাছে।
      
      শুক বলে, হিমাদ্রি যে ভারত করে ধন্য;
      সারী বলে, মেঘমালা বিশ্বেরে দেয় স্তন্য ,--
             বাঁচে সকল জন।
      শুক বলে, সমাধিতে স্তব্ধ গিরির দৃষ্টি;
      সারী বলে, মেঘমালার নিত্যনূতন সৃষ্টি,--
             তাই সে চিরন্তন।
আরো দেখুন
সন্ধ্যায়
Verses
          ওগো তুমি, অমনি সন্ধ্যার মতো হও।
সুদূর পশ্চিমাচলে             কনক-আকাশতলে
          অমনি নিস্তব্ধ চেয়ে রও।
অমনি সুন্দর শান্ত              অমনি করুণ কান্ত
          অমনি নীরব উদাসিনী,
ওইমতো ধীরে ধীরে               আমার জীবনতীরে
          বারেক দাঁড়াও একাকিনী।
জগতের পরপারে             নিয়ে যাও আপনারে
          দিবসনিশার প্রান্তদেশে।
থাক্‌ হাস্য-উৎসব,             না আসুক কলরব
          সংসারের জনহীন শেষে।
এস তুমি চুপে চুপে           শ্রান্তিরূপে নিদ্রারূপে,
          এস তুমি নয়ন-আনত।
এস তুমি ম্লান হেসে         দিবাদগ্ধ আয়ুশেষে
          মরণের আশ্বাসের মতো।
আমি শুধু চেয়ে থাকি         অশ্রুহীন শ্রান্ত-আঁখি,
          পড়ে থাকি পৃথিবীর 'পরে--
খুলে দাও কেশভার,              ঘনস্নিগ্ধ অন্ধকার
          মোরে ঢেকে দিক স্তরে স্তরে।
রাখো এ কপালে মম            নিদ্রার আবেশ-সম
          হিমস্নিগ্ধ করতলখানি।
বাক্যহীন স্নেহভরে             অবশ দেহের 'পরে
          অঞ্চলের প্রান্ত দাও টানি।
তার পরে পলে পলে            করুণার অশ্রুজলে
          ভরে যাক নয়নপল্লব।
সেই স্তব্ধ আকুলতা              গভীর বিদায়ব্যথা
          কায়মনে করি অনুভব।
আরো দেখুন
51
Verses
I KNOW THAT at the dim end of some day the sun will bid me its last farewell.
Shepherds will play their pipes beneath the banyan trees, and cattle graze on the slope by the river, while my days will pass into the dark.
This is my prayer, that I may know before I leave why the earth called me to her arms.
Why her night's silence spoke to me of stars, and her daylight kissed my thoughts into flower.
Before I go may I linger over my last refrain, completing its music, may the lamp be lit to see your face and the wreath woven to crown you.
আরো দেখুন