২৯ (e jibone sundorer peyechhi)

এ জীবনে সুন্দরের পেয়েছি মধুর আশীর্বাদ,

মানুষের প্রীতিপাত্রে পাই তাঁরি সুধার আস্বাদ!

দুঃসহ দুঃখের দিনে

অক্ষত অপরাজিত আত্মারে লয়েছি আমি চিনে।

আসন্ন মৃত্যুর ছায়া যেদিন করেছি অনুভব

সেদিন ভয়ের হাতে হয় নি দুর্বল পরাভব।

মহত্তম মানুষের স্পর্শ হতে হই নি বঞ্চিত,

তাঁদের অমৃতবাণী অন্তরেতে করেছি সঞ্চিত।

জীবনের বিধাতার যে দাক্ষিণ্য পেয়েছি জীবনে

তাহারি স্মরণলিপি রাখিলাম সকৃতজ্ঞমনে।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

98
Verses
II. 98. ritu phagun niyar ani
THE MONTH of March draws near: ah, who will unite me to my Lover?
How shall I find words for the beauty of my Beloved? For He is merged in all beauty.
His colour is in all the pictures of the world, and it bewitches the body and the mind.
Those who know this, know what is this unutterable play of the Spring.
Kabir says: 'Listen to me, brother! there are not many who have found this out.'
আরো দেখুন
ফাল্গুন
Verses
ফাল্গুনে বিকশিত
      কাঞ্চন ফুল,
ডালে ডালে পুঞ্জিত
      আম্রমুকুল।
চঞ্চল মৌমাছি
      গুঞ্জরি গায়,
বেণুবনে মর্মরে
      দক্ষিণবায়।
      স্পন্দিত নদীজল
           ঝিলিমিলি করে,
      জ্যোৎস্নার ঝিকিমিকি
           বালুকার চরে।
      নৌকা ডাঙায় বাঁধা,
           কাণ্ডারী জাগে,
      পূর্ণিমারাত্রির
           মত্ততা লাগে।
খেয়াঘাটে ওঠে গান
      অশ্বথতলে,
পান্থ বাজায়ে বাঁশি
      আন্‌মনে চলে।
ধায় সে বংশীরব
      বহুদূর গাঁয়,
জনহীন প্রান্তর
      পার হয়ে যায়।
      দূরে কোন্‌ শয্যায়
           একা কোন্‌ ছেলে
      বংশীর ধ্বনি শুনে
           ভাবে চোখ মেলে--
যেন কোন্‌ যাত্রী সে,
      রাত্রি অগাধ,
জ্যোৎস্নাসমুদ্রের
      তরী যেন চাঁদ।
      চলে যায় চাঁদে চ'ড়ে
           সারা রাত ধরি,
      মেঘেদের ঘাটে ঘাটে
           ছুঁ'য়ে যায় তরী।
      রাত কাটে, ভোর হ|য়,
           পাখি জাগে বনে--
      চাঁদের তরণী ঠেকে
           ধরণীর কোণে।
আরো দেখুন
16
Verses
হে বিশ্বদেব, মোর কাছে তুমি
     দেখা দিলে আজ কী বেশে।
দেখিনু তোমারে পূর্বগগনে,
     দেখিনু তোমারে স্বদেশে।
ললাট তোমার নীল নভতল
বিমল আলোকে চির-উজ্জ্বল
নীরব আশিস-সম হিমাচল
     তব বরাভয় কর।
সাগর তোমার পরশি চরণ
পদধূলি সদা করিছে হরণ,
জাহ্নবী তব হার-আভরণ
     দুলিছে বক্ষ'পর।
হৃদয় খুলিয়া চাহিনু বাহিরে,
     হেরিনু আজিকে নিমেষে--
মিলে গেছ ওগো বিশ্বদেবতা,
     মোর সনাতন স্বদেশে।
শুনিনু তোমার স্তবের মন্ত্র
      অতীতের তপোবনেতে--
অমর ঋষির হৃদয় ভেদিয়া
      ধ্বনিতেছে ত্রিভুবনেতে।
প্রভাতে হে দেব,তরুণ তপনে
দেখা দাও যবে উদয়গগনে
মুখ আপনার ঢাকি আবরণে
      হিরণ-কিরণে গাঁথা--
তখন ভারতে শুনি চারি ভিতে
মিলি কাননের বিহঙ্গগীতে
প্রাচীন নীরব কণ্ঠ হইতে
      উঠে গায়ত্রীগাথা।
হৃদয় খুলিয়া দাঁড়ানু বাহিরে
      শুনিনু আজিকে নিমেষে,
অতীত হইতে উঠিছে হে দেব,
      তব গান মোর স্বদেশে।
নয়ন মুদিয়া শুনিনু, জানি না
      কোন্‌ অনাগত বরষে
তব মঙ্গলশঙ্খ তুলিয়া
      বাজায় ভারত হরষে।
ডুবায়ে ধরার রণহুংকার
ভেদি বণিকের ধনঝংকার
মহাকাশতলে উঠে ওঙ্কার
      কোনো বাধা নাহি মানি।
ভারতের শ্বেত হৃদিশতদলে,
দাঁড়ায়ে ভারতী তব পদতলে,
সংগীততানে শূন্যে উথলে
      অপূর্ব মহাবাণী।
নয়ন মুদিয়া ভাবীকালপানে
      চাহিনু, শুনিনু নিমেষে
তব মঙ্গলবিজয়শঙ্খ
      বাজিছে আমার স্বদেশে।
আরো দেখুন