২৭ (ore tora nei ba katha)

                   ওরে, তোরা   নেই বা কথা বললি,

     দাঁড়িয়ে হাটের মধ্যিখানে নেই জাগালি পল্লী ॥

মরিস মিথ্যে ব'কে ঝ'কে,   দেখে কেবল হাসে লোকে,

     নাহয়   নিয়ে আপন মনের আগুন মনে মনেই জ্বললি ॥

অন্তরে তোর আছে কী যে   নেই রটালি নিজে নিজে,

     নাহয়   বাদ্যগুলো বন্ধ রেখে চুপেচাপেই চললি ॥

কাজ থাকে তো কর্‌ গে না কাজ,   লাজ থাকে তো ঘুচা গে লাজ,

     ওরে,   কে যে তোরে কী বলেছে নেই বা তাতে টললি ॥

রাগ: বাউল

তাল: একতাল

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1312

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1905

স্বরলিপিকার: ইন্দিরা দেবী

Rendition

Notation

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

আমি নিশি নিশি
Songs
আমি    নিশি নিশি কত রচিব শয়ন   আকুলনয়ন রে।
কত         নিতি নিতি বনে করিব যতনে   কুসুমচয়ন রে।
     কত         শারদ যামিনী হইবে বিফল,   বসন্ত যাবে চলিয়া।
     কত         উদিবে তপন, আশার স্বপন    প্রভাতে যাইবে ছলিয়া।
এই      যৌবন কত রাখিব বাঁধিয়া,   মরিব কাঁদিয়া রে।
সেই          চরণ পাইলে মরণ মাগিব   সাধিয়া সাধিয়া রে।
     আমি    কার পথ চাহি এ জনম বাহি;   কার দরশন যাচি রে।
     যেন          আসিবে বলিয়া কে গেছে চলিয়া,   তাই আমি বসে আছি রে।
তাই         মালাটি গাঁথিয়া পরেছি মাথায়,   নীলবাসে তনু ঢাকিয়া।
তাই         বিজন আলয়ে প্রদীপ জ্বালায়ে   একেলা রয়েছি জাগিয়া।
     ওগো    তাই কত নিশি চাঁদ ওঠে হাসি,   তাই কেঁদে যায় প্রভাতে।
     ওগো    তাই ফুলবনে মধুসমীরণে   ফুটে ফুল কত শোভাতে।
ওই      বাঁশিস্বর তার আসে বারবার,   সেই শুনে কেন আসে না।
এই      হৃদয়-আসন শূন্য পড়ে থাকে,  কেঁদে মরে শুধু বাসনা।
     মিছে    পরশিয়া কায় বায়ু বহে যায়,     বহে যমুনার লহরী।
     কেন    কুহু কুহু পিক কুহরিয়া ওঠে,    যামিনী যে ওঠে শিহরি।
ওগো,       যদি নিশিশেষে আসে হেসে হেসে   মোর হাসি আর রবে কি
এই      জাগরণে-ক্ষীণ বদনমলিন   আমারে হেরিয়া কবে কী।
     আমি    সারা রজনীর গাঁথা ফুলমালা   প্রভাতে চরণে ঝরিব--
     ওগো,  আছে সুশীতল যমুনার জল,   দেখে তারে আমি মরিব॥
আরো দেখুন
দূর রজনীর স্বপন
Songs
দূর রজনীর স্বপন লাগে আজ নূতনের হাসিতে,
দূর ফাগুনের বেদন জাগে আজ ফাগুনের বাঁশিতে॥
হায় রে সে কাল হায় রে   কখন চলে যায় রে
আজ এ কালের মরীচিকায়   নতুন মায়ায় ভাসিতে॥
যে মহাকাল দিন ফুরালে   আমার কুসুম ঝরালো
সেই তোমারি তরুণ ভালে ফুলের মালা পরালো।
শুনিয়ে শেষের কথা সে   কাঁদিয়ে ছিল হতাশে,
তোমার মাঝে নতুন সাজে শূন্য আবার ভরালো।
আমরা খেলা খেলেছিলেম,   আমরাও গান গেয়েছি।
আমরাও পাল মেলেছিলেম,   আমরা তরী বেয়েছি।
হারায় নি তা হারায় নি   বৈতরণী পারায় নি--
নবীন চোখের চপল আলোয় সে কাল ফিরে পেয়েছি।
আরো দেখুন
স্বপন-পারের ডাক শুনেছি,
Songs
স্বপন-পারের ডাক শুনেছি, জেগে তাই তো ভাবি--
কেউ কখনো খুঁজে কি পায় স্বপ্নলোকের চাবি॥
নয় তো সেথায় যাবার তরে,   নয় কিছু তো পাবার তরে,
                   নাই কিছু তার দাবি--
     বিশ্ব হতে হারিয়ে গেছে স্বপ্নলোকের চাবি॥
চাওয়া-পাওয়ার বুকের ভিতর না-পাওয়া ফুল ফোটে,
     দিশাহারা গন্ধে তারি আকাশ ভরে ওঠে।
খুঁজে যারে বেড়াই গানে,   প্রাণের গভীর অতল-পানে
                   যে জন গেছে নাবি,
     সেই নিয়েছে চুরি করে স্বপ্নলোকের চাবি॥
আরো দেখুন