৩৩ (dekhaye de kotha achhe)

        দেখায়ে দে কোথা আছে একটু বিরল।

এই ম্রিয়মাণ মুখে                    তোমাদের এত সুখে

        বলো দেখি কোন্‌ প্রাণে ঢালিব গরল।

        কিনা করিয়াছি তব বাড়াতে আমোদ--

        কত কষ্টে করেছিনু অশ্রুবারি রোধ।

কিন্তু পারি নে যে সখা--          যাতনা থাকে না ঢাকা,

        মর্ম হতে উচ্ছ্বসিয়া উঠে অশ্রুজল।

ব্যথায় পাইয়া ব্যথা                 যদি গো শুধাতে কথা

        অনেক নিভিত তবু এ হৃদি-অনল।

কেবল উপেক্ষা সহি               বলো গো কেমনে রহি।

        কেমনে বাহিরে মুখে হাসিব কেবল॥

রাগ: দেশ

তাল: অজ্ঞাত

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1291

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1884

Rendition

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

ঘরে মুখ মলিন
Songs
     ঘরে মুখ মলিন দেখে গলিস নে-- ওরে ভাই,
     বাইরে মুখ আঁধার দেখে টলিস নে-- ওরে ভাই ॥
যা তোমার আছে মনে   সাধো তাই পরানপণে,
     শুধু তাই দশজনারে বলিস নে-- ওরে ভাই ॥
একই পথ আছে ওরে,   চলো সেই রাস্তা ধরে,
     যে আসে তারই পিছে চলিস নে-- ওরে ভাই!
থাক্‌-না আপন কাজে,   যা খুশি বলুক-না যে,
     তা নিয়ে গায়ের জ্বালায় জ্বলিস নে-- ওরে ভাই ॥
আরো দেখুন
এই উদাসী হাওয়ার
Songs
     এই   উদাসী হাওয়ার পথে পথে   মুকুলগুলি ঝরে;
আমি   কুড়িয়ে নিয়েছি,      তোমার      চরণে দিয়েছি--
                   লহো লহো করুণ করে॥
              যখন যাব চলে     ওরা     ফুটবে তোমার কোলে,
          তোমার   মালা গাঁথার আঙুলগুলি   মধুর বেদনভরে
                             যেন   আমায় স্মরণ করে॥
বউকথাকও তন্দ্রাহারা    বিফল ব্যথায় ডাক দিয়ে হয় সারা
              আজি   বিভোর রাতে।
দুজনের   কানাকানি কথা   দুজনের মিলনবিহ্বলতা,
     জ্যোৎস্নাধারায় যায় ভেসে যায়   দোলের পূর্ণিমাতে।
          এই      আভাসগুলি পড়বে মালায় গাঁথা   কালকে দিনের তরে
                        তোমার     অলস দ্বিপ্রহরে॥
আরো দেখুন
ওই শুনি যেন
Songs
          ওই শুনি যেন চরণধ্বনি রে,
                        শুনি    আপন-মনে।
          বুঝি আমার মনোহরণ আসে গোপনে ॥
              পাবার আগে কিসের আভাস পাই,
              চোখের জলের বাঁধ ভেঙেছে তাই গো,
          মালার গন্ধ এল যারে জানি স্বপনে ॥
ফুলের মালা হাতে ফাগুন চেয়ে আছে   ওই-যে--
     তার    চলার পথের কাছে     ওই-যে।
          দিগঙ্গনার অঙ্গনে যে আজি
          ক্ষণে ক্ষণে শঙ্খ ওঠে বাজি,
আশার হাওয়া লাগে     ওই      নিখিল গগনে ॥
আরো দেখুন