১৬৮ (hridaynandanbane nibhrita e niketane)

হৃদয়নন্দনবনে নিভৃত এ নিকেতনে।

এসো হে আনন্দময়, এসো চিরসুন্দর ॥

দেখাও তব প্রেমমুখ, পাসরি সর্ব দুখ,

বিরহকাতর তপ্ত চিত্ত-মাঝে বিহরো ॥

শুভদিন শুভরজনী আনো এ জীবনে,

ব্যর্থ এ নবজনম সফল করো প্রিয়তম।

মধুর চিরসঙ্গীতে ধ্বনিত করো অন্তর,

ঝরিবে জীবনে মনে দিবানিশা সুধানিঝর ॥

রাগ: মিশ্র পঞ্চম

তাল: ঝাঁপতাল

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1300

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1894

স্বরলিপিকার: কাঙ্গালীচরণ সেন

Rendition

Notation

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

মোর স্বপন-তরীর কে
Songs
          মোর    স্বপন-তরীর কে তুই নেয়ে।
     লাগল পালে নেশার হাওয়া, পাগল পরান চলে গেয়ে।
আমায়  ভুলিয়ে দিয়ে যা     তোর     দুলিয়ে দিয়ে না,
              ও তোর     সুদূর ঘাটে চল্‌ রে বেয়ে।
আমার  ভাবনা তো সব মিছে,    আমার      সব পড়ে থাক্‌ পিছে।
তোমারঘোমটা খুলে দাও         তোমার     নয়ন তুলে চাও,
              দাও      হাসিতে মোর পরান ছেয়ে॥
আরো দেখুন
অনেক দিনের শূন্যতা মোর
Songs
অনেক দিনের শূন্যতা মোর ভরতে হবে
মৌনবীণার তন্ত্র আমার জাগাও সুধারবে ॥
          বসন্তসমীরে তোমার ফুল-ফুটানো বাণী
                   দিক পরানে আনি--
          ডাকো তোমার নিখিল-উৎসবে ॥
                   মিলনশতদলে
তোমার প্রেমের অরূপ মূর্তি দেখাও ভুবনতলে।
সবার সাথে মিলাও আমায়, ভুলাও অহঙ্কার,
                             খুলাও রুদ্ধদ্বার
                   পূর্ণ করো প্রণতিগৌরবে ॥
আরো দেখুন
বন্ধু, কিসের তরে অশ্রু ঝরে
Songs
       বন্ধু ,  কিসের তরে অশ্রু ঝরে, কিসের লাগি দীর্ঘশ্বাস।
              হাস্যমুখে অদৃষ্টেরে করব মোরা পরিহাস।
              রিক্ত যারা সর্বহারা    সর্বজয়ী বিশ্বে তারা,
              গর্বময়ী ভাগ্যদেবীর নয়কো তারা ত্রীতদাস।
              হাস্যমুখে অদৃষ্টেরে করব মোরা পরিহাস ।।


              আমরা সুখের স্ফীত বুকের ছায়ার তলে নাহি চরি
              আমরা দুখের বক্র মুখের চক্র দেখে ভয় না করি।
              ভগ্ন ঢাকে যথাসাধ্য  বাজিয়ে যাব জয়বাদ্য,
              ছিন্ন আশার ধ্বজা তুলে ভিন্ন করব নীলাকাশ।
              হাস্যমুখে অদৃষ্টেরে করব মোরা পরিহাস।।


              হে অলক্ষ্মী, রুক্ষকেশী, তুমি দেবী অচঞ্চলা।
              তোমার রীতি সরল অতি, নাহি জানো ছলাকলা।
              জ্বালাও পেটে অগ্নিকণা  নাইকো তাহে প্রতারণা
              টানো যখন মরণ-ফাঁসি বল নাকো মিষ্টভাষ।
              হাস্যমুখে অদৃষ্টেরে করব মোরা পরিহাস।।


              ধরার যারা সেরা সেরা মানুষ তারা তোমার ঘরে।
              তাদের কঠিন শয্যাখানি তাই পেতেছ মোদের তরে ।।
              আমরা বরপুত্র তব    যাহাই দিবে তাহাই লব,
              তোমায় দিব ধন্যধ্বনি মাথায় বহি সর্বনাশ ।
              হাস্যমুখে অদৃষ্টেরে করব মোরা পরিহাস ।।


              যৌবরাজ্যে বসিয়ে দে মা, লক্ষ্মীছাড়ার সিংহাসনে ।
              ভাঙা কুলোয় করুক পাখা তোমার যত ভৃত্যগণে ।
              দগ্ধ ভালে প্রলয়শিখা   দিক্‌ মা, এঁকে তোমার টিকা,
              পরাও সজ্জা লজ্জাহারা— জীর্ণকন্থা ছিন্নবাস ।
              হাস্যমুখে অদৃষ্টেরে করব মোরা পরিহাস ।।


              লুকোক তোমার ডঙ্কা শুনে কপট সখার শূন্য হাসি ।
              পালাক ছুটে পুচ্ছ তুলে মিথ্যে চাটু মক্কা-কাশী ।
              আত্মপরের-প্রভেদ-ভোলা   জীর্ণ দুয়োর নিত্য খোলা,
              থাকবে তুমি থাকব আমি সমানভাবে বারো মাস ।
              হাস্যমুখে অদৃষ্টেরে করব মোরা পরিহাস ।।


              শঙ্কা-তরাস লজ্জা-শরম চুকিয়ে দিলেম স্তুতি-নিন্দে ।
              ধুলো সে তোর পায়ের ধুলো তাই মেখেছি ভক্তবৃন্দে ।
              আশারে কই, ‘ঠাকুরানী,   তোমার খেলা অনেক জানি,
              যাহার ভাগ্যে সকল ফাঁকি তারেও ফাঁকি দিতে চাস।’
              হাস্যমুখে অদৃষ্টেরে করব মোরা পরিহাস ।।


              মৃত্যু যেদিন বলবে ‘জাগো, প্রভাত হল তোমার রাতি’
              নিবিয়ে যাব আমার ঘরের চন্দ্র সূর্য দুটো বাতি ।
              আমরা দোঁহে ঘেঁষাঘেঁষি   চিরদিনের প্রতিবেশী,
              বন্ধুভাবে কণ্ঠে সে মোর জড়িয়ে দেবে বাহুপাশ—
              বিদায়কালে অদৃষ্টেরে করে যাব পরিহাস ।।
আরো দেখুন