১১ (ekbar tora ma boliya dak )

       একবার তোরা মা বলিয়া ডাক্‌ ,  জগতজনের শ্রবণ জুড়াক,

      হিমাদ্রিপাষাণ কেঁদে গলে যাক— মুখ তুলে আজি চাহো রে ।।

       দাঁড়া দেখি তোরা আত্মপর ভুলি,  হৃদয়ে হৃদয়ে ছুটুক বিজুলি—

       প্রভাতগগনে কোটি শির তুলি  নির্ভয়ে আজি গাহো রে ।।

       বিশ কোটি কন্ঠে মা ব'লে ডাকিলে  রোমাঞ্চ উঠিবে অনন্ত নিখিলে,

       বিশ কোটি ছেলে মায়েরে ঘেরিলে   দশ দিক সুখে হাসিবে ।

       সেদিন প্রভাতে নূতন তপন  নূতন জীবন করিবে বপন

       এ নহে কাহিনী, এ নহে স্বপন— আসিবে সে দিন আসিবে ।।

       আপনার মায়ে মা বলে ডাকিলে,   আপনার ভায়ে হৃদয়ে রাখিলে,

       সব পাপ তাপ দূরে যায় চলে  পুণ্য প্রেমের বাতাসে ।

       সেথায় বিরাজে দেব-আশীর্বাদ— না থাকে কলহ, না থাকে বিষাদ—

       ঘুচে অপমান, জেগে ওঠে প্রাণ— বিমল প্রতিভা বিকাশে ।।

রাগ: কীর্তন

তাল: একতাল

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1292

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1886

স্বরলিপিকার: সরলা দেবী, কাঙ্গালীচরণ সেন

Rendition

Notation

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

আঁধার অম্বরে প্রচণ্ড
Songs
আঁধার অম্বরে প্রচণ্ড ডম্বরু   বাজিল গম্ভীর গরজনে।
অশত্থপল্লবে অশান্ত হিল্লোল   সমীরচঞ্চল দিগঙ্গনে॥
নদীর কল্লোল, বনের মর্মর,   বাদল-উচ্ছল নির্ঝরঝর্ঝর,
ধ্বনি তরঙ্গিল নিবিড় সঙ্গীতে-- শ্রাবণসন্ন্যাসী রচিল রাগিণী॥
কদম্বকুঞ্জের সুগন্ধমদিরা   অজস্র লুটিছে দুরন্ত ঝটিকা।
তড়িৎশিখা ছুটে দিগন্ত সন্ধিয়া,   ভয়ার্ত যামিনী উঠিছে ক্রন্দিয়া--
নাচিছে যেন কোন্‌ প্রমত্ত দানব   মেঘের দুর্গের দুয়ার হানিয়া ॥
আরো দেখুন
আমার কণ্ঠ তাঁরে ডাকে
Songs
          আমার  কণ্ঠ তাঁরে ডাকে,
          তখন   হৃদয় কোথায় থাকে ॥
যখন    হৃদয় আসে ফিরে   আপন নীরব নীড়ে
আমার  জীবন তখন কোন্‌ গহনে বেড়ায় কিসের পাকে ॥
          যখন    মোহ আমায় ডাকে
          তখন   লজ্জা কোথায় থাকে!
          যখন    আনেন তমোহারী   আলোক-তরবারি
          তখন   পরান আমার কোন্‌ কোণে যে
                             লজ্জাতে মুখ ঢাকে ॥
আরো দেখুন
মোদের কিছু নাই
Songs
        মোদের কিছু নাই রে নাই,    আমরা ঘরে বাইরে গাই--
                তাইরে নাইরে নাইরে না। না না না।
        যতই দিবস যায় রে যায়  গাই রে সুখে হায় রে হায়--
                তাইরে নাইরে নাইরে না। না না না।
        যারা সোনার চোরাবালির 'পরে  পাকা ঘরের-ভিত্তি গড়ে
তাদের  সামনে মোরা গান গেয়ে যাই-- তাইরে নাইরে নাইরে না।
                                 না না না॥
যখন    থেকে থেকে গাঁঠের পানে গাঁঠকাটারা দৃষ্টি হানে
তখন   শূন্যঝুলি দেখায়ে গাই-- তাইরে নাইরে নাইরে না। না না না॥
          যখন দ্বারে আসে মরণবুড়ি    মুখে তাহার বাজাই তুড়ি,
তখন   তান দিয়ে গান জুড়ি রে ভাই-- তাইরে নাইরে নাইরে না। না না না।
এ যে   বসন্তরাজ এসেছে আজ, বাইরে তাহার উজ্জ্বল সাজ,
ওরে,   অন্তরে তার বৈরাগী গায়-- তাইরে নাইরে নাইরে না। না না না।
          সে যে উৎসবদিন চুকিয়ে দিয়ে, ঝরিয়ে দিয়ে, শুকিয়ে দিয়ে,
দুই      রিক্ত হাতে তাল দিয়ে গায়-- তাইরে নাইরে নাইরে না।
                                  না না না॥
আরো দেখুন