১২১ (moder kichhu nai)

        মোদের কিছু নাই রে নাই,    আমরা ঘরে বাইরে গাই--

                তাইরে নাইরে নাইরে না। না না না।

        যতই দিবস যায় রে যায়  গাই রে সুখে হায় রে হায়--

                তাইরে নাইরে নাইরে না। না না না।

        যারা সোনার চোরাবালির 'পরে  পাকা ঘরের-ভিত্তি গড়ে

তাদের  সামনে মোরা গান গেয়ে যাই-- তাইরে নাইরে নাইরে না।

                                 না না না॥

যখন    থেকে থেকে গাঁঠের পানে গাঁঠকাটারা দৃষ্টি হানে

তখন   শূন্যঝুলি দেখায়ে গাই-- তাইরে নাইরে নাইরে না। না না না॥

          যখন দ্বারে আসে মরণবুড়ি    মুখে তাহার বাজাই তুড়ি,

তখন   তান দিয়ে গান জুড়ি রে ভাই-- তাইরে নাইরে নাইরে না। না না না।

এ যে   বসন্তরাজ এসেছে আজ, বাইরে তাহার উজ্জ্বল সাজ,

ওরে,   অন্তরে তার বৈরাগী গায়-- তাইরে নাইরে নাইরে না। না না না।

          সে যে উৎসবদিন চুকিয়ে দিয়ে, ঝরিয়ে দিয়ে, শুকিয়ে দিয়ে,

দুই      রিক্ত হাতে তাল দিয়ে গায়-- তাইরে নাইরে নাইরে না।

                                  না না না॥

রাগ: বাউল

তাল: দাদরা

রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1317

রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1910

স্বরলিপিকার: অনাদিকুমার দস্তিদার

Rendition

Notation

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

দিবসরজনী আমি যেন কার
Songs
দিবস রজনী, আমি যেন কার
আশায় আশায় থাকি।
(তাই) চমকিত মন, চকিত শ্রবণ,
তৃষিত আকুল আঁখি।
চঞ্চল হয়ে ঘুরিয়ে বেড়াই,
সদা মনে হয় যদি দেখা পাই,
"কে আসিছে" বলে চমকিয়ে চাই
কাননে ডাকিলে পাখি।
জাগরণে তারে না দেখিতে পাই,
থাকি স্বপনের আশে,
ঘুমের আড়ালে যদি ধরা দেয়,
বাঁধিব স্বপনপাশে।
এত ভালোবাসি, এত যারে চাই,
মনে হয় না তো সে যে কাছে নাই,
যেন এ বাসনা ব্যাকুল আবেগে,
তাহারে আনিবে ডাকি।
আরো দেখুন
আজি নির্ভয়নিদ্রিত
Songs
আজি   নির্ভয়নিদ্রিত ভুবনে জাগে, কে জাগে?
ঘন      সৌরভমন্থর পবনে জাগে, কে জাগে?।
কত     নীরব বিহঙ্গকুলায়ে
          মোহন অঙ্গুলি বুলায়ে-- জাগে, কে জাগে?
কত     অস্ফুট পুষ্পের গোপনে জাগে, কে জাগে?
এই      অপার অম্বরপাথারে
          স্তম্ভিত গম্ভীর আঁধারে-- জাগে, কে জাগে?
মম      গভীর অন্তরবেদনে জাগে, কে জাগে?।
আরো দেখুন
আজি এনেছে তাঁহারি আশির্বাদ
Songs
            আজি এনেছি তাঁহারি আশীর্বাদ    প্রভাতকিরণে,
            পবিত্র করপরশ পেয়ে   ধরণী লুটিছে তাঁহারি চরণে।। 
        আনন্দে তরুলতা   নোয়াইছে মাথা,   কুসুম ফুটাইছে শত বরনে।।
                আশা উল্লাসে  চরাচর হাসে–
                   কী ভয়, কী ভয় দুঃখ-তাপ-মরণে।।
আরো দেখুন