শাপমোচন (sangjojan5)

২০। ৯। ৩৪ 


 

সংযোজন

বঁধু, কোন্‌ মায়া লাগল চোখে।
বুঝি স্বপ্নরূপে ছিলে চন্দ্রলোকে।
ছিল মন তোমারি প্রতীক্ষা করি
যুগে যুগে দিনরাত্রি ধরি,
ছিল মর্মবেদনঘন অন্ধকারে--
জন্ম জনম গেল বিরহশোকে।
অস্ফুট মঞ্জরি কুঞ্জবনে
সংগীতশূন্য বিষণ্ন মনে
সঙ্গীরিক্ত বধূ দুঃখরাতি
পোহাইল নির্জনে শয়ন পাতি।
সুন্দর হে, সুন্দর হে,
বরমাল্যখানি তারি আনো বহে
অবগুণ্ঠনছায়া ঘুচায়ে দিয়ে
হেরো লজ্জিত স্মিতমুখ শুভ আলোকে॥

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

নৃত্যনাট্য চিত্রাঙ্গদা
Plays
বিজ্ঞপ্তি এই গ্রন্থের অধিকাংশই গানে রচিত এবং সে গান নাচের উপযোগী। এ কথা মনে রাখা কর্তব্য যে, এই-জাতীয় রচনায় স্বভাবতই সুর ভাষাকে বহুদূর অতিক্রম ক'রে থাকে, এই কারণে সুরের সঙ্গ না পেলে এর বাক্য এবং ছন্দ পঙ্গু হয়ে থাকে। কাব্য-আবৃত্তির আদর্শে এই শ্রেণীর রচনা বিচার্য নয়। যে পাখির প্রধান বাহন পাখা, মাটির উপরে চলার সময় তার অপটুতা অনেক সময় হাস্যকর বোধ হয়।
ভূমিকা প্রভাতের আদিম আভাস অরুণবর্ণ আভার আবরণে।
অর্ধসুপ্ত চক্ষুর 'পরে লাগে তারই প্রথম প্রেরণা।
অবশেষে রক্তিম আবরণ ভেদ ক'রে সে আপন নিরঞ্জন শুভ্রতায়
সমুজ্জ্বল হয় জাগ্রত জগতে।
তেমনি সত্যের প্রথম উপক্রম সাজসজ্জার বহিরঙ্গে,
বর্ণবৈচিত্র্যে,
তারই আকর্ষণ অসংস্কৃত চিত্তকে করে অভিভূত।
একদা উন্মুক্ত হয় সেই বহিরাচ্ছাদন,
তখনই প্রবুদ্ধ মনের কাছে তার পূর্ণ বিকাশ।

 

এই তত্ত্বটি চিত্রাঙ্গদা নাট্যের মর্মকথা।
এই নাট্যকাহিনীতে আছে--
প্রথমে প্রেমের বন্ধন মোহাবেশে,
পরে তার মুক্তি সেই কুহক হতে
সহজ সত্যের নিরলংকৃত মহিমায়॥

 

 

দৃশ্য মণিপুর-অরণ্য
মণিপুর-প্রাসাদ
পাত্র
অর্জুন
চিত্রাঙ্গদা
সখীগণ
মদন
অর্জুনের বন্যপরিচর
গ্রামবাসীগণ
আরো দেখুন