13 (in the evening)

IN THE EVENING my little daughter heard a call from her companions below the window.

        She timidly went down the dark stairs holding a lamp in her hand, shielding it behind her veil.

 

I was sitting on my terrace in the star-lit night of March, when at a sudden cry I ran to see.

        Her lamp had gone out in the dark spiral staircase. I asked, 'Child, why did you cry?'

        From below she answered in distress, 'Father, I have lost myself!'

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

ওগো মৌন, না যদি কও
Verses
       ওগো মৌন, না যদি কও
              না-ই কহিলে কথা।
       বক্ষ ভরি বইব আমি
              তোমার নীরবতা।
                           স্তব্ধ হয়ে রইব পড়ে,
                           রজনী রয় যেমন করে
                           জ্বালিয়ে তারা নিমেষহারা
                                  ধৈর্যে অবনতা।
       হবে হবে প্রভাত হবে
              আঁধার যাবে কেটে।
       তোমার বাণী সোনার ধারা
              পড়বে আকাশ ফেটে।
                           তখন আমার পাখির বাসায়
                           জাগবে কি গান তোমার ভাষায়।
                           তোমার তানে ফোটাবে ফুল
                                  আমার বনলতা?
আরো দেখুন
কৈশোরিকা
Verses
                             হে কৈশোরের প্রিয়া,
ভোরবেলাকার আলোক-আঁধার-লাগা
চলেছিলে তুমি আধ্‌ঘুমো-আধ্‌জাগা
          মোর জীবনের ঘন বনপথ দিয়া।
ছায়ায় ছায়ায় আমি ফিরিতাম একা,
দেখি দেখি করি শুধু হয়েছিল দেখা
          চকিত পায়ের চলার ইশারাখানি।
          চুলের গন্ধে ফুলের গন্ধে মিলে
পিছে পিছে তব বাতাসে চিহ্ন দিলে
                   বাসনার রেখা টানি।
                   প্রভাত উঠিল ফুটি।
অরুণরাঙিমা দিগন্তে গেল ঘুচে,
শিশিরের কণা কুঁড়ি হতে গেল মুছে,
          গাহিল কুঞ্জে কপোতকপোতী দুটি।
ছায়াবীথি হতে বাহিরে আসিলে ধীরে
ভরা জোয়ারের উচ্ছল নদীতীরে--
          প্রাণকল্লোলে মুখর পল্লিবাটে।
আমি কহিলাম, "তোমাতে আমাতে চলো,
তরুণ রৌদ্র জলে করে ঝলোমলো--
                   নৌকা রয়েছে ঘাটে।"
                   স্রোতে চলে তরী ভাসি।
জীবনের-স্মৃতি-সঞ্চয়-করা তরী
দিনরজনীর সুখে দুখে গেছে ভরি,
          আছে গানে-গাঁথা কত কান্না ও হাসি।
পেলব প্রাণের প্রথম পসরা নিয়ে
সে তরণী-'পরে পা ফেলেছ তুমি প্রিয়ে,
          পাশাপাশি সেথা খেয়েছি ঢেউয়ের দোলা।
কখনো বা কথা কয়েছিলে কানে কানে,
কখনো বা মুখে ছলোছলো দুনয়ানে
                   চেয়েছিলে ভাষা-ভোলা।
                   বাতাস লাগিল পালে।
ভাঁটার বেলায় তরী যবে যায় থেমে
অচেনা পুলিনে কবে গিয়েছিলে নেমে
          মলিন ছায়ার ধূসর গোধূলিকালে।
          আবার রচিলে নব কুহকের পালা,
সাজালে ডালিতে নূতন বরণমালা,
          নয়নে আনিলে নূতন চেনার হাসি।
কোন্‌ সাগরের অধীর জোয়ার লেগে
আবার নদীর নাড়ী নেচে ওঠে বেগে,
                   আবার চলিনু ভাসি।
                   তুমি ভেসে চল সাথে।
চিররূপখানি নবরূপে আসে প্রাণে;
নানা পরশের মাধুরীর মাঝখানে
          তোমারই সে হাত মিলেছে আমার হাতে।
গোপন গভীর রহস্যে অবিরত
ঋতুতে ঋতুতে সুরের ফসল যত
          ফলায়ে তুলেছে বিস্মিত মোর গীতে।
শুকতারা তব কয়েছিল যে কথারে
সন্ধ্যার আলো সোনার গলায় তারে
                   সকরুণ পূরবীতে।
                   চিনি, নাহি চিনি তবু।
প্রতি দিবসের সংসারমাঝে তুমি
স্পর্শ করিয়া আছ যে-মর্তভূমি
          তার আবরণ খসে পড়ে যদি কভু,
তখন তোমার মূরতি দীপ্তিমতী
প্রকাশ করিবে আপন অমরাবতী
          সকল কাজের বিরহের মহাকাশে।
তাহারই বেদনা কত কীর্তির স্তূপে
উচ্ছ্রিত হয়ে ওঠে অসংখ্য রূপে
                   পুরুষের ইতিহাসে।
হে কৈশোরের প্রিয়া,
          এ জনমে তুমি নব জীবনের দ্বারে
          কোন্‌ পার হতে এনে দিলে মোর পায়ে
                   অনাদি যুগের চিরমানবীর হিয়া।
দেশের কালের অতীত যে মহাদূর,
তোমার কণ্ঠে শুনেছি তাহারই সুর--
          বাক্য সেথায় নত হয় পরাভবে।
অসীমের দূতী, ভরে এনেছিলে ডালা
পরাতে আমারে নন্দনফুলমালা
                   অপূর্ব গৌরবে।
আরো দেখুন
1
Verses
সেদিন আমার জন্মদিন।
প্রভাতের প্রণাম লইয়া
উদয়দিগন্ত-পানে মেলিলাম আঁখি,
দেখিলাম সদ্যস্নাত উষা
আঁকি দিল আলোকচন্দনলেখা
হিমাদ্রির হিমশুভ্র পেলব ললাটে।
যে মহাদূরত্ব আছে নিখিল বিশ্বের মর্মস্থানে
তারি আজ দেখিনু প্রতিমা
গিরীন্দ্রের সিংহাসন-'পরে।
পরম গাম্ভীর্যে যুগে যুগে
ছায়াঘন অজানারে করিছে পালন
পথহীন মহারণ্য-মাঝে,
অভ্রভেদী সুদূরকে রেখেছে বেষ্টিয়া
দুর্ভেদ্য দুর্গমতলে
উদয়-অস্তের চক্রপথে।
আজি এই জন্মদিনে
দূরত্বের অনুভব অন্তরে নিবিড় হয়ে এল।
যেমন সুদূর ওই নক্ষত্রের পথ
নীহারিকা-জ্যোতির্বাষ্প-মাঝে
রহস্যে আবৃত,
আমার দূরত্ব আমি দেখিলাম তেমনি দুর্গমে-
অলক্ষ্য পথের যাত্রী, অজানা তাহার পরিণাম।
আজি এই জন্মদিনে
দূরের পথিক সেই তাহারি শুনিনু পদক্ষেপ
নির্জন সমুদ্রতীর হতে।
আরো দেখুন