25 (i feel that your)

I FEEL THAT your brief days of love have not been left behind in those scanty years of your life.

        I seek to know in what place, away from the slow-thieving dust, you keep them now. I find in my solitude some song of your evening that died, yet left a deathless echo; and the sighs of your unsatisfied hours I find nestled in the warm quiet of the autumn noon.

Your desires come from the hive of the past to haunt my heart, and I sit still to listen to their wings.

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

মুর্খু
Verses
নেই বা হলেম যেমন তোমার
          অম্বিকে গোঁসাই।
আমি তো, মা, চাই নে হতে
          পণ্ডিতমশাই।
নাই যদি হই ভালো ছেলে,
কেবল যদি বেড়াই খেলে,
তুঁতের ডালে খুঁজে বেড়াই
          গুটিপোকার গুটি,
মুর্খু হয়ে রইব তবে?
আমার তাতে কীই বা হবে,
মুর্খু যারা তাদেরি তো
          সমস্তখন ছুটি।
তারাই তো সব রাখাল ছেলে
          গোরু চরায় মাঠে।
নদীর ধারে বনে বনে
          তাদের বেলা কাটে।
ডিঙির 'পরে পাল তুলে দেয়,
ঢেউয়ের মুখে নাও খুলে দেয়,
ঝাউ কাটতে যায় চলে সব
          নদীপারের চরে।
তারাই মাঠে মাচা পেতে
পাখি তাড়ায় ফসল-খেতে,
বাঁকে করে দই নিয়ে যায়
          পাড়ার ঘরে ঘরে।
কাস্তে হাতে চুবড়ি মাথায়,
          সন্ধ্যে হলে পরে
ফেরে গাঁয়ে কৃষাণ ছেলে,
          মন যে কেমন করে।
যখন গিয়ে পাঠশালাতে
দাগা বুলোই খাতার পাতে,
গুরুমশাই দুপুরবেলায়
          বসে বসে ঢোলে,
হাঁকিয়ে গাড়ি কোন গাড়োয়ান
মাঠের পথে যায় গেয়ে গান,
শুনে আমি পণ করি যে
          মুর্খু হব বলে।
দুপুরবেলায় চিল ডেকে যায়;
          হঠাৎ হাওয়া আসি
বাঁশবাগানে বাজায় যেন
          সাপ খেলাবার বাঁশি।
পুবের দিকে বনের কোলে
বাদল-বেলার আঁচল দোলে,
ডালে ডালে উছলে ওঠে
          শিরীষফুলের ঢেউ।
এরা যে পাঠ-ভোলার দলে
পাঠশালা সব ছাড়তে বলে,
আমি জানি এরা তো, মা,
          পণ্ডিত নয় কেউ।
যাঁরা অনেক পুঁথি পড়েন
          তাঁদের অনেক মান।
ঘরে ঘরে সবার কাছে
          তাঁরা আদর পান।
সঙ্গে তাঁদের ফেরে চেলা,
ধুমধামে যায় সারাবেলা,
আমি তো, মা, চাই নে আদর
          তোমার আদর ছাড়া।
তুমি যদি, মুর্খু বলে
আমাকে মা না নাও কোলে
তবে আমি পালিয়ে যাব
          বাদলা মেঘের পাড়া।
সেখান থেকে বৃষ্টি হয়ে
          ভিজিয়ে দেব চুল।
ঘাটে যখন যাবে, আমি
          করব হুলুস্থূল।
রাত থাকতে অনেক ভোরে
আসব নেমে আঁধার করে,
ঝড়ের হাওয়ায় ঢুকব ঘরে
          দুয়ার ঠেলে ফেলে,
তুমি বলবে মেলে আঁখি,
"দুষ্টু দেয়া খেপল না কি?"
আমি বলব, "খেপেছে আজ
          তোমার মুর্খু ছেলে।"
আরো দেখুন
32
Verses
MY KING WAS unknown to me, therefore when he claimed his tribute I was bold to think I would hide myself leaving my debts unpaid.
I fled and fled behind my day's work and my night's dreams.
But his claims followed me at every breath I drew.
Thus I came to know that I am known to him and no place left which is mine.
Now I wish to lay my all before his feet, and gain the right to my place in his kingdom.
আরো দেখুন
রঙ্গ
Verses
        "এ তো বড়ো রঙ্গ' ছড়াটির অনুকরণে লিখিত
এ তো বড়ো রঙ্গ, জাদু, এ তো বড়ো রঙ্গ--
চার মিঠে দেখাতে পার যাব তোমার সঙ্গ।
         বরফি মিঠে, জিলাবি মিঠে, মিঠে শোন-পাপড়ি--
         তাহার অধিক মিঠে, কন্যা, কোমল হাতের চাপড়ি।
এ তো বড়ো রঙ্গ, জাদু, এ তো বড়ো রঙ্গ--
চার সাদা দেখাতে পার যাব তোমার সঙ্গ।
         ক্ষীর সাদা, নবনী সাদা, সাদা মালাই রাবড়ি--
         তাহার অধিক সাদা তোমার পষ্ট ভাষার দাবড়ি।
এ তো বড়ো রঙ্গ, জাদু, এ তো বড়ো রঙ্গ--
চার তিতো দেখাতে পার যাব তোমার সঙ্গ।
         উচ্ছে তিতো, পলতা তিতো, তিতো নিমের সুক্ত--
         তাহার অধিক তিতো যাহা বিনি ভাষায় উক্ত।
এ তো বড়ো রঙ্গ, জাদু, এ তো বড়ো রঙ্গ--
চার কঠিন দেখাতে পার যাব তোমার সঙ্গ।
         লোহা কঠিন, বজ্র কঠিন, নাগরা জুতোর তলা--
         তাহার অধিক কঠিন তোমার বাপের বাড়ি চলা।
এ তো বড়ো রঙ্গ, জাদু, এ তো বড়ো রঙ্গ--
চার মিথ্যে দেখাতে পার যাব তোমার সঙ্গ।
         মিথ্যে ভেলকি, ভূতের হাঁচি, মিথ্যে কাঁচের পান্না--
         তাহার অধিক মিথ্যে তোমার নাকি সুরের কান্না।
আরো দেখুন