2 (we came hither together)

WE CAME hither together, friend, and now at the cross-roads I stop to bid you farewell.

        Your path is wide and straight before you, but my call comes up by ways from the unknown.

I shall follow wind and cloud; I shall follow the stars to where day breaks behind the hills; I shall follow lovers who, as they walk, twine their days into a wreath on a single thread of song, I love.

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

33
Verses
দেখো চেয়ে গিরির শিরে
মেঘ করেছে গগন ঘিরে,
      আর কোরো না দেরি।
ওগো আমার মনোহরণ,
ওগো স্নিগ্ধ ঘনবরন,
      দাঁড়াও, তোমায় হেরি।
দাঁড়াও গো ওই আকাশ-কোলে,
দাঁড়াও আমার হৃদয়-দোলে,
      দাঁড়াও গো ওই শ্যামল-তৃণ-'পরে,
আকুল চোখের বারি বেয়ে
দাঁড়াও আমার নয়ন ছেয়ে,
      জন্মে জন্মে যুগে যুগান্তরে।
অমনি করে ঘনিয়ে তুমি এসো,
অমনি করে তড়িৎ-হাসি হেসো,
      অমনি করে উড়িয়ে দিয়ো কেশ।
অমনি করে নিবিড় ধারা-জলে
অমনি করে ঘন তিমির-তলে
      আমায় তুমি করো নিরুদ্দেশ।
ওগো তোমার দরশ লাগি
ওগো তোমার পরশ মাগি
      গুমরে মোর হিয়া।
রহি রহি পরান ব্যেপে
আগুন-রেখা কেঁপে কেঁপে
      যায় যে ঝলকিয়া।
আমার চিত্ত-আকাশ জুড়ে
বলাকা-দল যাচ্ছে উড়ে
      জানি নে কোন্‌ দূর-সমুদ্র-পারে।
সজল বায়ু উদাস ছুটে,
কোথায় গিয়ে কেঁদে উঠে
      পথবিহীন গহন অন্ধকারে।
ওগো তোমার আনো খেয়ার তরী,
তোমার সাথে যাব অকূল-'পরি,
      যাব সকল বাঁধন-বাধা-খোলা।
ঝড়ের বেলা তোমার স্মিতহাসি
লাগবে আমার সর্বদেহে আসি,
তরাস-সাথে হরষ দিবে দোলা।
ওই যেখানে ঈশান কোণে
তড়িৎ হানে ক্ষণে ক্ষণে
      বিজন উপকূলে--
তটের পায়ে মাথা কুটে
তরঙ্গদল ফেনিয়ে উঠে
      গিরির পদমূলে,
ওই যেখানে মেঘের বেণী
জড়িয়ে আছে বনের শ্রেণী--
      মর্মরিছে নারিকেলের শাখা,
গরুড়সম ওই যেখানে
ঊর্ধ্বশিরে গগন-পানে
      শৈলমালা তুলেছে নীল পাখা,
কেন আজি আনে আমার মনে
ওইখানেতে মিলে তোমার সনে
      বেঁধেছিলেম বহুকালের ঘর--
হোথায় ঝড়ের নৃত্য-মাঝে
ঢেউয়ের সুরে আজো বাজে
      যুগান্তরের মিলনগীতিস্বর।
কে গো চিরজনম ভ'রে
নিয়েছ মোর হৃদয় হ'রে
      উঠছে মনে জেগে।
নিত্যকালের চেনাশোনা
করছে আজি আনাগোনা
      নবীন-ঘন মেঘে।
কত প্রিয়মুখের ছায়া
কোন্‌ দেহে আজ নিল কায়া,
      ছড়িয়ে দিল সুখদুখের রাশি--
আজকে যেন দিশে দিশে
ঝড়ের সাথে যাচ্ছে মিশে
      কত জন্মের ভালোবাসাবাসি।
তোমায় আমায় যত দিনের মেলা
লোক-লোকান্তে যত কালের খেলা
      এক মুহূর্তে আজ করো সার্থক।
এই নিমেষে কেবল তুমি একা
জগৎ জুড়ে দাও আমারে দেখা,
      জীবন জুড়ে মিলন আজি হোক।
পাগল হয়ে বাতাস এল,
ছিন্ন মেঘে এলোমেলো
      হচ্ছে বরিষন,
জানি না দিগ্‌দিগন্তরে
আকাশ ছেয়ে কিসের তরে
      চলছে আয়োজন।
পথিক গেছে ঘরে ফিরে,
পাখিরা সব গেছে নীড়ে,
      তরণী সব বাঁধা ঘাটের কোলে।
আজি পথের দুই কিনারে
জাগিছে গ্রাম রুদ্ধ দ্বারে,
      দিবস আজি নয়ন নাহি খোলে।
শান্ত হ রে, শান্ত হ রে প্রাণ--
ক্ষান্ত করিস প্রগল্‌ভ এই গান,
      ক্ষান্ত করিস বুকের দোলাদুলি।
হঠাৎ যদি দুয়ার খুলে যায়,
হঠাৎ যদি হরষ লাগে গায় যায়,
      তখন চেয়ে দেখিস আঁখি তুলি।
আরো দেখুন
11
Verses
              হে মোর সুন্দর,
                    যেতে যেতে
              পথের প্রমোদে মেতে
              যখন তোমার গায়
                     কারা সবে ধুলা দিয়ে যায়,
                            আমার অন্তর
                                   করে হায় হয়।
              কেঁদে বলি, হে মোর সুন্দর,
                    আজ তুমি হও দণ্ডধর,
                           করহ বিচার।
                    তার পরে দেখি,
                            এ কী,
                  খোলা তব বিচারঘরের দ্বার,
                       নিত্য চলে তোমার বিচার।
                       নীরবে প্রভাত-আলো পড়ে
                   তাদের কলুষরক্ত নয়নের 'পরে;
                       শুভ্র বনমল্লিকার বাস
                   স্পর্শ করে লালসার উদ্দীপ্ত নিশ্বাস;
              সন্ধ্যাতাপসীর হাতে জ্বালা
                    সপ্তর্ষির পূজাদীপমালা
              তাদের মত্ততাপানে সারারাত্রি চায়--
                            হে সুন্দর, তব গায়
                                   ধুলা দিয়ে যারা চলে যায়।
                            হে সুন্দর,
                       তোমার বিচারঘর
                            পুষ্পবনে,
                            পুণ্যসমীরণে,
                       তৃণপুঞ্জে পতঙ্গগুঞ্জনে,
              বসন্তের বিহঙ্গকূজনে,
          তরঙ্গচুম্বিত তীরে মর্মরিত পল্লববীজনে।
                              প্রেমিক আমার,
          তারা যে নির্দয় ঘোর, তাদের যে আবেগ দুর্বার।
              লুকায়ে ফেরে যে তারা করিতে হরণ
                            তব আভরণ,
                            সাজাবারে
                        আপনার নগ্ন বাসনারে।
     তাদের আঘাত যবে প্রেমের সর্বাঙ্গে বাজে,
          সহিতে সে পারি না যে;
              অশ্রু-আঁখি
          তোমারে কাঁদিয়া ডাকি--
              খড়গ ধরো, প্রেমিক আমার,
                     করো গো বিচার।
                            তার পরে দেখি
                                  এ কী,
                            কোথা তব বিচার-আগার।
                           জননীর স্নেহ-অশ্রু ঝরে
                                   তাদের উগ্রতা-'পরে;
                            প্রণয়ীর অসীম বিশ্বাস
     তাদের বিদ্রোহশেল ক্ষতবক্ষে করি লয় গ্রাস।
                            প্রেমিক আমার,
          তোমার সে বিচার-আগার
         বিনিদ্র স্নেহের স্তব্ধ নিঃশব্দ বেদনামাঝে,
                            সতীর পবিত্র লাজে,
              সখার হৃদয়রক্তপাতে,
          পথ-চাওয়া  প্রণয়ের বিচ্ছেদের রাতে,
     অশ্রুপ্লুত করুণার পরিপূর্ণ ক্ষমার প্রভাতে।
                            হে রুদ্র আমার,
          লুব্ধ তারা, মুগ্ধ তারা, হয়ে পার
                            তব সিংহদ্বার,
                            সংগোপনে
                          বিনা নিমন্ত্রণে
          সিঁধ কেটে চুরি করে তোমার ভাণ্ডার।
              চোরা ধন দুর্বহ সে ভার
                  পলে পলে
              তাহাদের র্মম দলে,
                   সাধ্য নাহি রহে নামাবার।
     তোমারে কাঁদিয়া তবে কহি বারম্বার--
     এদের মার্জনা করো, হে রুদ্র আমার।
              চেয়ে দেখি মার্জনা যে নামে এসে
                     প্রচণ্ড ঝঞ্ঝার বেশে;
                            সেই ঝড়ে
                     ধুলায় তাহারা পড়ে;
              চুরির প্রকাণ্ড বোঝা খণ্ড খণ্ড হয়ে
                         সে-বাতাসে কোথা যায় বয়ে।
                            হে রুদ্র আমার,
                            মার্জনা তোমার
                          গর্জমান বজ্রাগ্নিশিখায়,
                          সুর্যাস্তের প্রলয়লিখায়,
                            রক্তের বর্ষণে,
                    অকস্মাৎ সংঘাতের ঘর্ষণে ঘর্ষণে।
আরো দেখুন
আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে
Verses
         আজি  বসন্ত জাগ্রত দ্বারে।
            তব অবগুণ্ঠিত কুণ্ঠিত জীবনে
               কোরো না বিড়ম্বিত তারে।
                      আজি       খুলিয়ো হৃদয়দল খুলিয়ো,
                      আজি       ভুলিয়ো আপনপর ভুলিয়ো,
                      এই          সংগীত-মুখরিত গগনে
                                    তব গন্ধ তরঙ্গিয়া তুলিয়ো।  
                      এই          বাহির ভুবনে দিশা হারায়ে
                      দিয়ো       ছড়ায়ে মাধুরী ভারে ভারে।
       অতি        নিবিড় বেদনা বনমাঝে রে
       আজি       পল্লবে পল্লবে বাজে রে--
       দূরে         গগনে কাহার পথ চাহিয়া
       আজি       ব্যাকুল বসুন্ধরা সাজে রে।
                           মোর        পরানে দখিন বায়ু লাগিছে,
                           কারে       দ্বারে দ্বারে কর হানি মাগিছে,
                           এই          সৌরভবিহ্বল রজনী
                           কার         চরণে ধরণীতলে জাগিছে।
                           ওগো        সুন্দর, বল্লভ, কান্ত,
                           তব         গম্ভীর আহ্বান কারে।
আরো দেখুন