17 (the rain fell fast)

THE RAIN FELL fast. The river rushed and hissed. It licked up and swallowed the island, while I waited alone on the lessening bank with my sheaves of corn in a heap.

 

From the shadows of the opposite shore the boat crosses with a woman at the helm.

        I cry to her, 'Come to my island coiled round with hungry water, and take away my year's harvest.'

 

She comes, and takes all that I have to the last grain; I ask her to take me.

        But she says, 'No'-the boat is laden with my gift and no room is left for me.

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

সূচনা
Verses
এই গ্রন্থাবলীতে আমার কাব্যরচনার প্রথম পরিচয় নিয়ে দেখা দিয়েছে সন্ধ্যাসংগীত। তার পূর্বেও অনেক লেখা লিখেছি, সেগুলিকে লুপ্ত করবার চেষ্টা করেছি অনাদরে। হাতের অক্ষর পাকাবার যে খাতা ছিল বাল্যকালে সেগুলিকে যেমন অনাদরে রাখি নি, এও তেমনি। সেগুলিও ছিল যাকে বলে কপিবুক, বাইরে থেকে মডেল-লেখা নকল করবার সাধনায়। কাঁচা বয়সে পরের লেখা মক্‌শ করে আমরা অক্ষর ফেঁদে থাকি বটে, কিন্তু ভিতরে ভিতরে তার মধ্যেও নিজের স্বাভাবিক ছাঁদ একটা প্রকাশ হতে থাকে। অবশেষে পরিণতিক্রমে সেইটেই বাইরের নকল খোলসটাকে বিদীর্ণ করে স্বরূপকে প্রকাশ করে দেয়। প্রথম বয়সের কবিতাগুলি সেই রকম কপিবুকের কবিতা।
সেই  কপিবুক-যুগের  চৌকাঠ  পেরিয়েই প্রথম দেখা দিল সন্ধ্যাসংগীত।  তাকে আমের বোলের সঙ্গে তুলনা করব না, করব কচি আমের গুটির সঙ্গে, অর্থাৎ তাতে তার আপন চেহারাটা সবে দেখা দিয়েছে শ্যামল রঙে। রস ধরে নি, তাই তার দাম কম।  কিন্তু সেই কবিতাই প্রথম স্বকীয় রূপ দেখিয়ে আমাকে আনন্দ দিয়েছিল। অতএব সন্ধ্যাসংগীতেই আমার কাব্যের প্রথম পরিচয়। সে উৎকৃষ্ট নয়, কিন্তু আমারই বটে। সে সময়কার অন্য সমস্ত কবিতা থেকে আপন ছন্দের বিশেষ সাজ পরে এসেছিল। সে সাজ বাজারে চলিত ছিল না।
আরো দেখুন
মস্তকবিক্রয়
Verses
     মহাবস্তবদান
কোশলনৃপতির তুলনা নাই,
          জগৎ জুড়ি যশোগাথা;
ক্ষীণের তিনি সদা শরণ-ঠাঁই
          দীনের তিনি পিতামাতা।
সে কথা কাশীরাজ শুনিতে পেয়ে
          জ্বলিয়া মরে অভিমানে--
"আমার প্রজাগণ আমার চেয়ে
          তাহারে বড়ো করি মানে!
আমার হতে যার আসন নীচে
          তাহার দান হল বেশি!
ধর্ম দয়া মায়া সকলি মিছে,
          এ শুধু তার রেষারেষি।'
কহিলা, "সেনাপতি, ধরো কৃপাণ,
          সৈন্য করো সব জড়ো।
আমার চেয়ে হবে পূণ্যবান
          স্পর্ধা বাড়িয়াছে বড়ো!'
চলিলা কাশীরাজ যুদ্ধসাজে--
          কোশলরাজ হারি রণে
রাজ্য ছাড়ি দিয়া ক্ষুব্ধ লাজে
          পলায়ে গেল দূর বনে।
কাশীর রাজা হাসি কহে তখন
          আপন সভাসদ্‌-মাঝে
"ক্ষমতা আছে যার রাখিতে ধন
          তারেই দাতা হওয়া সাজে।'
সকলে কাঁদি বলে, "দারুণ রাহু
          এমন চাঁদেরেও হানে!
লক্ষ্মী খোঁজে শুধু বলীর বাহু,
          চাহে না ধর্মের পানে!'
"আমরা হইলাম পিতৃহারা'
          কাঁদিয়া কহে দশ দিক--
"সকল জগতের বন্ধু যাঁরা
          তাঁদের শত্রুরে ধিক্‌!'
শুনিয়া কাশীরাজ উঠিল রাগি--
          "নগরে কেন এত শোক!
আমি তো আছি, তবু কাহার লাগি
          কাঁদিয়া মরে যত লোক!
আমার বাহুবলে হারিয়া তবু
          আমারে করিবে সে জয়!
অরির শেষ নাহি রাখিবে কভু
          শাস্ত্রে এইমতো কয়।
মন্ত্রী, রটি দাও নগরমাঝে
          ঘোষণা করো চারি ধারে--
যে ধরি আনি দিবে কোশলরাজে
          কনক শত দিব তারে।'
ফিরিয়া রাজদূত সকল বাটী
          রটনা করে দিনরাত;
যে শোনে আঁখি মুদি রসনা কাটি
          শিহরি কানে দেয় হাত।
রাজ্যহীন রাজা গহনে ফিরে
মলিনচীর দীনবেশে,
পথিক একজন অশ্রুনীরে
          একদা শুধাইল এসে,
"কোথা গো বনবাসী, বনের শেষ,
          কোশলে যাব কোন্‌ মুখে?'
শুনিয়া রাজা কহে, "অভাগা দেশ,
          সেথায় যাবে কোন্‌ দুখে!'
পথিক কহে, "আমি বণিকজাতি,
          ডুবিয়া গেছে মোর তরী।
এখন দ্বারে দ্বারে হস্ত পাতি
          কেমনে রব প্রাণ ধরি!
করুণাপারাবার কোশলপতি
          শুনেছি নাম চারি ধারে,
অনাথনাথ তিনি দীনের গতি,
          চলেছে দীন তাঁরি দ্বারে।'
শুনিয়া নৃপসুত ঈষৎ হেসে
          রুধিলা নয়নের বারি,
নীরবে ক্ষণকাল ভাবিয়া শেষে
          কহিলা নিশ্বাস ছাড়ি,
"পান্থ, যেথা তব বাসনা পুরে
          দেখায়ে দিব তারি পথ--
এসেছ বহু দুখে অনেক দূরে,
          সিদ্ধ হবে মনোরথ।'
বসিয়া কাশীরাজ সভার মাঝে;
          দাঁড়ালো জটাধারী এসে।
"হেথায় আগমন কিসের কাজে'
          নৃপতি শুধাইল হেসে।
"কোশলরাজ আমি বনভবন'
          কহিলা বনবাসী ধীরে--
"আমার ধরা পেলে যা দিবে পণ
          দেহো তা মোর সাথিটিরে।'
উঠিল চমকিয়া সভার লোকে,
          নীরব হল গৃহতল;
বর্ম-আবরিত দ্বারীর চোখে
          অশ্রু করে ছলছল।
মৌন রহি রাজা ক্ষণেকতরে
          হাসিয়া কহে, "ওহে বন্দী,
মরিয়া হবে জয়ী আমার 'পরে
          এমন করিয়াছ ফন্দি!
তোমার সে আশায় হানিব বাজ,
          জিনিব আজিকার রণে--
রাজ্য ফিরি দিব হে মহারাজ,
          হৃদয় দিব তারি সনে।'
জীর্ণ-চীর-পরা বনবাসীরে
          বসালো নৃপ রাজাসনে,
মুকুট তুলি দিল মলিন শিরে--
          ধন্য কহে পুরজনে।
আরো দেখুন
আলো যে আজ গান করে মোর প্রাণে গো
Verses
আলো যে আজ গান করে মোর প্রাণে গো।
কে এল মোর অঙ্গনে, কে জানে গো।
     হৃদয় আমার উদাস ক'রে
     কেড়ে নিল আকাশ মোরে,
বাতাস আমায় আনন্দবাণ হানে গো।
দিগন্তের ওই নীল নয়নের ছায়াতে
কুসুম যেন বিকাশে মোর কায়াতে।
     মোর হৃদয়ের সুগন্ধ যে
     বাহির হল কাহার খোঁজে,
সকল জীবন চাহে কাহার পানে গো।
আরো দেখুন