15 (of all days you)

OF ALL DAYS you have chosen this one to visit my garden.

        But the storm passed over my roses last night and the grass is strewn with torn leaves.

        I do not know what has brought you, now that the hedges are laid low and rills run in the walks; the prodigal wealth of spring is scattered and the scent and song of yesterday are wrecked.

        Yet stay a while, let me find some remnant flowers, though I doubt if your skirt can be filled.

        The time will be short, for the clouds thicken and here comes the rain again!

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

বনবাস
Verses
বাবা যদি রামের মতো
     পাঠায় আমায় বনে
যেতে আমি পারি নে কি
     তুমি ভাবছ মনে?
চোদ্দ বছর ক' দিনে হয়
     জানি নে মা ঠিক,
দণ্ডক বন আছে কোথায়
     ওই মাঠে কোন্‌ দিক।
কিন্তু আমি পারি যেতে,
     ভয় করি নে তাতে--
লক্ষ্ণণ ভাই যদি আমার
     থাকত সাথে সাথে।
বনের মধ্যে গাছের ছায়ায়
     বেঁধে নিতেম ঘর--
সামনে দিয়ে বইত নদী,
     পড়ত বালির চর।
ছোটো একটি থাকত ডিঙি
     পারে যেতেম বেয়ে--
হরিণ চ'রে বেড়ায় সেথা,
     কাছে আসত ধেয়ে।
গাছের পাতা খাইয়ে দিতেম
     আমি নিজের হাতে--
লক্ষ্ণণ ভাই যদি আমার
     থাকত সাথে সাথে।
কত যে গাছ ছেয়ে থাকত
     কত রকম ফুলে,
মালা গেঁথে পরে নিতেম
     জড়িয়ে মাথার চুলে।
নানা রঙের ফলগুলি সব
     ভুঁয়ে পড়ত পেকে,
ঝুড়ি ভরে ভরে এনে
     ঘরে দিতেম রেখে;
খিদে পেলে দুই ভায়েতে
     খেতেম পদ্মপাতে--
লক্ষ্ণণ ভাই যদি আমার
     থাকত সাথে সাথে।
রোদের বেলায় অশথ-তলায়
     ঘাসের 'পরে আসি
রাখাল-ছেলের মতো কেবল
     বাজাই বসে বাঁশি।
ডালের 'পরে ময়ূর থাকে,
     পেখম পড়ে ঝুলে--
কাঠবিড়ালি ছুটে বেড়ায়
     ন্যাজটি পিঠে তুলে।
কখন আমি ঘুমিয়ে যেতেম
     দুপুরবেলার তাতে--
লক্ষ্ণণ ভাই যদি আমার
     থাকত সাথে সাথে।
সন্ধেবেলায় কুড়িয়ে আনি
     শুকোনো ডালপালা,
বনের ধারে বসে থাকি
     আগুন হলে জ্বালা।
পাখিরা সব বাসায় ফেরে,
     দূরে শেয়াল ডাকে,
সন্ধেতারা দেখা যে যায়
     ডালের ফাঁকে ফাঁকে।
মায়ের কথা মনে করি
     বসে আঁধার রাতে --
লক্ষ্ণণ ভাই যদি আমার
     থাকত সাথে সাথে।
ঠাকুরদাদার মতো বনে
     আছেন ঋষি মুনি,
তাঁদের পায়ে প্রণাম করে
     গল্প অনেক শুনি।
রাক্ষসেরে ভয় করি নে,
     আছে গুহক মিতা --
রাবণ আমার কী করবে মা,
     নেই তো আমার সীতা।
হনুমানকে যত্ন করে
     খাওয়াই দুধে-ভাতে--
লক্ষ্ণণ ভাই যদি আমার
     থাকত সাথে সাথে।
মা গো, আমায় দে-না কেন
     একটি ছোটো ভাই--
দুইজনেতে মিলে আমরা
     বনে চলে যাই।
আমাকে মা, শিখিয়ে দিবি
     রাম-যাত্রার গান,
মাথায় বেঁধে দিবি চুড়ো,
     হাতে ধনুক-বাণ।
চিত্রকূটের পাহাড়ে যাই
     এম্‌নি বরষাতে--
লক্ষ্ণণ ভাই যদি আমার
থাকত সাথে সাথে।
আরো দেখুন
৮৭
Verses
৮৭
অকালে যখন বসন্ত আসে শীতের আঙিনা-'পর
            ফিরে যায় দ্বিধাভরে।
আমের মুকুল ছুটে বাহিরায়, কিছু না বিচার করে,
            ফেরে না সে, শুধু মরে॥  
আরো দেখুন
দেবতা
Verses
দেবতা মানবলোকে ধরা দিতে চায়
      মানবের অনিত্য লীলায়।
          মাঝে মাঝে দেখি তাই--
                আমি যেন নাই,
      ঝংকৃত বীণার তন্তুসম দেহখানা
                হয় যেন অদৃশ্য অজানা;
      আকাশের অতিদূর সূক্ষ্ম নীলিমায়
                সংগীতে হারায়ে যায়;
                   নিবিড় আনন্দরূপে
               পল্লবের স্তূপে
      আমলকীবীথিকার গাছে গাছে
    ব্যাপ্ত হয় শরতের আলোকের নাচে।
               প্রেয়সীর প্রেমে
    প্রত্যহের ধূলি-আবরণ যায় নেমে
                দৃষ্টি হতে, শ্রুতি হতে;
                   স্বর্গসুধাস্রোতে
          ধৌত হয় নিখিলগগন--
যাহা দেখি যাহা শুনি তাহা যে একান্ত অতুলন
          মর্তের অমৃতরসে দেবতার রুচি
পাই যেন আপনাতে, সীমা হতে সীমা যায় ঘুচি।
                             দেবসেনাপতি
                নিয়ে আসে আপনার দিব্যজ্যোতি
                   যখন মরণপণে হানি অমঙ্গল।
                         ত্যাগের বিপুল বল
                   কোথা হতে বক্ষে আসে;
                             অনায়াসে
               দাঁড়াই উপেক্ষা করি প্রচণ্ড অন্যায়ে
                   অকুণ্ঠিত সর্বস্বের ব্যয়ে।          
                         তখন মৃত্যুর বক্ষ হতে
               দেবতা বাহিরি আসে অমৃত-আলোতে;
                         তখন তাহার পরিচয়
          মর্তলোকে অমর্তেরে করি তোলে অক্ষুণ্ন অক্ষয়।
আরো দেখুন