3 (the clouds part the)

THE CLOUDS part, the morning star appears in the East,

a breath of relief springs up from the heart of the earth,

the murmur of leaves ripples along the forest path,

and the early bird sings.

'The time has come,' proclaims the Man of faith.

'The time for what?'

'For the pilgrimage.'

They sit and think, they know not the meaning,

and yet they seem to understand according to their desires.

The touch of the dawn goes deep into the soil

and life shivers along through the roots of all things.

'To the pilgrimage of fulfilment,' a small voice

whispers, nobody knows whence.

Taken up by the crowd

it swells into a mighty meaning.

Men raise their heads and look up,

women lift their arms in reverence,

children clap their hands and laugh.

The early glow of the sun shines like a golden garland

on the forehead of the Man of faith,

and they all cry: 'Brother, we salute thee!'

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

4
Verses
বাসাখানি গায়ে-লাগা আর্মানি গির্জার--
দুই ভাই সাহেবালি জোনাবালি মির্জার।
কাবুলি বেড়াল নিয়ে দু দলের মোক্তার
বেঁধেছে কোমর, কে যে সামলাবে রোখ তার
হানাহানি চলছেই একেবারে বেহোঁশে,
নালিশটা কী নিয়ে যে, জানে না তা কেহ সে।
সে কি লেজ নিয়ে, সে কি গোঁফ নিয়ে তকরার,
হিসেবে কি গোল আছে নখগুলো বখরার।
কিংবা মিয়াঁও ব'লে থাবা তুলে ডেকেছিল--
তখন সামনে তার দু ভাইয়ের কে কে ছিল।
সাক্ষীর ভিড় হল দলে দলে তা নিয়ে,
আওয়াজ যাচাই হল ওস্তাদ আনিয়ে।
কেউ বলে ধা-পা-নি-মা, কেউ বলে ধা-মা-রে--
চাঁই চাঁই বোল দেয়, তবলায় ঘা মারে।
ওস্তাদ ঝেঁকে ওঠে, প্যাঁচ মারে কুস্তির--
জজসাব কী ক'রে যে থাকে বলো সুস্থির।
সমন হয়েছে জারি, কাবুলের সর্দার
চলে এল উটে চড়ে-- পিছে ঝাড়ুবরদার।
উটেতে কামড় দিল, হল তার পা টুটা--
বিলকুল লোকসান হয়ে গেল হাঁটুটা।
খেসারত নিয়ে মাথা তেতে ওঠে আমিরের,
ফউজ পেরিয়ে এল পাঁচিলটা পামিরের।
বাজারে মেলে না আর আখরোট-খোবানি,
কাঁউসিল ঘরে আজ কী নাকানিচোবানি।
ইরানে পড়েছে সাড়া গবেষণাবিভাগে--
এ কাবুলি বিড়ালের নাড়িতে যে কী ভাগে
বংশ রয়েছে চাপা, মেসোপোটোমিয়ারই
মার্জারগুষ্টির হবে সে কি ঝিয়ারি।
এর আদি মাতামহী সে কি ছিল মিশোরি--
নাইল-তটিনী-তট-বিহারিণী কিশোরী
রোঁয়াতে সে ইরানী যে নাহি তাহে সংশয়,
দাঁতে তার এসীরিয়া যখনি সে দংশয়।
কটা চোখ দেখে বলে পণ্ডিতগণেতে,
এখনি পাঠানো চাই Wimবিল্‌ডনেতে।
বাঙালি থিসিসওলা পড়ে গেছে ভাবনায়--
ঠিকুজি মিলবে তার চাটগাঁ কি পাবনায়।
আর্মানি গির্জার আশেপাশে পাড়াতে
কোনোখানে এক তিল ঠাঁই নাই দাঁড়াতে।
কেম্‌ব্রিজ খালি হল, আসে সব স্কলারে--
কী ভীষণ হাড়কাটা করাতের ফলা রে।
বিজ্ঞানীদল এল বর্লিন ঝাঁটিয়ে,
হাতপাকা জন্তুর-নাড়িভুঁড়ি-ঘাঁটিয়ে।
জজ বলে, বিড়ালটা কী রকম জানা চাই,
আইডেন্‌টিটি তার আদালতে আনা চাই।
বিড়ালের দেখা নাই-- ঘরেও না, বনে না;
মিআঁউ আওয়াজটুকু কেউ আর শোনে না।
জজ বলে, সাক্ষীরে কোন্‌খানে ঢুকোলো,
অত বড়ো লেজের কি আগাগোড়া লুকোলো।
পেয়াদা বললে, লেজ গেছে মিউজিয়মে
প্রিভিকৌঁসিলে-দেওয়া আইনের নিয়মে।
জজ বলে, গোঁফ পেলে রবে মোর সম্মান
পেয়াদা বললে, তারো নয় বড়ো কম মান।
মিউনিকে নিয়ে গেছে ছাঁটা গোঁফ যত্নেই,
তারে আর কোনোমতে ফেরাবার পথ নেই।
বিড়াল ফেরার হল, নাই নামগন্ধ;
জজ বলে, তাই ব'লে মামলা কি বন্ধ।
তখনি চৌকি ছেড়ে রেগে করে পাচারি,
থেকে থেকে হুংকারে কেঁপে ওঠে কাছারি।
জজ বলে, গেল কোথা ফরিয়াদী আসামী!
হজুর, পেয়াদা বলে, বেটাদের চাষামি!
শুনি নাকি দুই ভাই উকিলের তাকাদায়
বলে গেছে, আমাদের বুঝি বেঁচে থাকা দায়!
কণ্ঠে এমনি ফাঁস এঁটে দিল জড়িয়ে,
মোক্তারে কী করিবে সাক্ষীরে পড়িয়ে।
আরো দেখুন
দ্বিধা
Verses
     এসেছিলে তবু আস নাই, তাই
                        জানায়ে গেলে
     সমুখের পথে পলাতকা পদ-পতন ফেলে।
               তোমার সে উদাসীনতা
        উপহাসভরে জানালো কি মোর দীনতা।
সে কি ছল-করা অবহেলা, জানি না সে--
                   চপল চরণ সত্য কি ঘাসে ঘাসে
                             গেল উপেক্ষা মেলে।
          পাতায় পাতায় ফোঁটা ফোঁটা ঝরে জল,
                   ছলছল করে শ্যাম বনান্ততল।
                        তুমি কোথা দূরে কুঞ্জছায়াতে
                             মিলে গেলে কলমুখর মায়াতে,
                   পিছে পিছে তব ছায়ারৌদ্রের
                             খেলা গেলে তুমি খেলে।
আরো দেখুন
83
Verses
I LINGERED ON my way till thy cherry tree lost its blossom,
but the azalea brings to me, my love, thy forgiveness.
আরো দেখুন