Stray Birds ('I AM ashamed of my emptiness,' said)

138

'I AM ashamed of my emptiness,' said the Word to the Work.

'I know how poor I am when I see you,' said the Work to the Word.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

2
Verses
এবার যে ওই এল সর্বনেশে গো।
     বেদনায় যে বান ডেকেছে
          রোদনে যায় ভেসে গো।
রক্ত-মেঘে ঝিলিক মারে,
বজ্র বাজে গহন-পারে,
কোন্‌ পাগোল ওই বারে বারে
          উঠছে অট্টহেসে গো।
এবার যে ওই এল সর্বনেশে গো।
জীবন এবার মাতাল মরণ-বিহারে।
     এইবেলা নে বরণ ক'রে
          সব দিয়ে তোর ইহারে।
     চাহিস নে আর আগুপিছু,
     রাখিস নে তুই লুকিয়ে কিছু,
     চরণে কর্‌ মাথা নিচু
          সিক্ত আকুল কেশে গো।
এবার যে ওই এল সর্বনেশে গো।
পথটাকে আজ আপন করে নিয়ো রে।
     গৃহ আঁধার হল, প্রদীপ
          নিবল শয়ন-শিয়রে।
ঝড় এসে তোর ঘর ভরেছে,
এবার যে তোর ভিত নড়েছে,
শুনিস নি কি ডাক পড়েছে
          নিরুদ্দেশের দেশে গো।
এবার যে ওই এল সর্বনেশে গো।
ছি ছি রে ওই চোখের জল আর ফেলিস নে।
     ঢাকিস নে মুখ ভয়ে ভয়ে
          কোণে আঁচল মেলিস নে।
কিসের তরে চিত্ত বিকল,
ভাঙুক না তোর দ্বারের শিকল,
বাহিরপানে ছোট্‌ না, সকল
          দুঃখসুখের শেষে গো।
এবার যে ওই এল সর্বনেশে গো।
কণ্ঠে কি তোর জয়ধ্বনি ফুটবে না।
     চরণে তোর রুদ্র তালে
          নূপুর বেজে উঠবে না?
এই লীলা তোর কপালে যে
লেখা ছিল-- সকল ত্যেজে
রক্তবাসে আয় রে সেজে
          আয় না বধূর বেশে গো।
ওই বুঝি তোর এল সর্বনেশে গো।
আরো দেখুন
চোদ্দো
Verses
কালো অন্ধকারের তলায়
পাখির শেষ গান গিয়েছে ডুবে।
বাতাস থমথমে,
গাছের পাতা নড়ে না,
স্বচ্ছরাত্রের তারাগুলি
যেন নেমে আসছে
পুরাতন মহানিম গাছের
ঝিল্লি-ঝংকৃত স্তব্ধ রহস্যের কাছাকাছি।
এমন সময়ে হঠাৎ আবেগে
আমার হাত ধরলে চেপে;
বললে, "তোমাকে ভুলব না কোনোদিনই।"
দীপহীন বাতায়নে
আমার মূর্তি ছিল অস্পষ্ট,
সেই ছায়ার আবরণে
তোমার অন্তরতম আবেদনের
সংকোচ গিয়েছিল কেটে।
সেই মুহূর্তে তোমার প্রেমের অমরাবতী
ব্যাপ্ত হল অনন্ত স্মৃতির ভূমিকায়।
সেই মুহূর্তের আনন্দবেদনা
বেজে উঠল কালের বীণায়,
প্রসারিত হল আগামী জন্মজন্মান্তরে।
সেই মুহূর্তে আমার আমি
তোমার নিবিড় অনুভবের মধ্যে
পেল নিঃসীমতা।
তোমার কম্পিত কণ্ঠের বাণীটুকুতে
সার্থক হয়েছে আমার প্রাণের সাধনা,
সে পেয়েছে অমৃত।
তোমার সংসারে অসংখ্য যা-কিছু আছে
তার সবচেয়ে অত্যন্ত ক'রে আছি আমি,
অত্যন্ত বেঁচে।
এই নিমেষটুকুর বাইরে আর যা-কিছু
সে গৌণ।
এর বাইরে আছে মরণ,
একদিন রূপের আলো-জ্বালা রঙ্গমঞ্চ থেকে
সরে যাব নেপথ্যে।
প্রত্যক্ষ সুখদুঃখের জগতে
মূর্তিমান অসংখ্যতার কাছে
আমার স্মরণচ্ছায়া মানবে পরাভব।
তোমার দ্বারের কাছে আছে যে কৃষ্ণচূড়া
যার তলায় দুবেলা জল দাও আপন হাতে,
সেও প্রধান হয়ে উঠে'
তার ডালপালার বাইরে
সরিয়ে রাখবে আমাকে
বিশ্বের বিরাট অগোচরে।
তা হোক,
এও গৌণ।
আরো দেখুন
একটা খোঁড়া ঘোড়ার 'পরে
Verses
একটা খোঁড়া ঘোড়ার 'পরে
          চড়েছিল চাটুর্জে,পড়ে গিয়ে কী দশা তার
          হয়েছিল হাঁটুর যে!
বলে কেঁদে, 'ব্রাহ্মণেরে
     বইতে ঘোড়া পারল না যে
সইত তাও, মরি আমি
     তার থেকে এই অধিক লাজে--
          লোকের মুখের ঠাট্টা যত
               বইতে হবে টাটুর যে!'
আরো দেখুন