১৬ (swolpo ayu e jibone je kayti)

স্বল্প-আয়ু এ জীবনে যে-কয়টি আনন্দিত দিন

কম্পিত-পুলকভরে, সংগীতের-বেদনা-বিলীন,

লাভ করেছিলে, লক্ষ্মী, সে কি তুমি নষ্ট করি যাবে?

সে আজি কোথায় তুমি যত্ন করি রাখিছ কী ভাবে

তাই আমি খুঁজিতেছি। সূর্যাস্তের স্বর্ণমেঘস্তরে

চেয়ে দেখি একদৃষ্টে -- সেথা কোন্‌ করুণ অক্ষরে

লিখিয়াছ সে জন্মের সায়াহ্নের হারানো কাহিনী!

আজি এই দ্বিপ্রহরে পল্লবের মর্মররাগিণী

তোমার সে কবেকার দীর্ঘশ্বাস করিছে প্রচার!

আতপ্ত শীতের রৌদ্রে নিজহস্তে করিছ বিস্তার

কত শীতমধ্যাহ্নের সুনিবিড় সুখের স্তব্ধতা!

আপনার পানে চেয়ে বসে বসে ভাবি এই কথা--

কত তব রাত্রিদিন কত সাধ মোরে ঘিরে আছে,

তাদের ক্রন্দন শুনি ফিরে ফিরে ফিরিতেছ কাছে।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

ভীরু
Verses
তাকিয়ে দেখি পিছে
           সেদিন ভালোবেসেছিলেম,
                     দিন না যেতেই হয়ে গেল মিছে।
                 বলার কথা পাই নি আমি খুঁজে,
                 আপনা হতে নেয় নি কেন বুঝে,
                 দেবার মতন এনেছিলেম কিছু,
                      ডালির থেকে পড়ে গেল নিচে।
                 ভরসা ছিল না যে,
           তাই তো ভেবে দেখি নি হায়
                    কী ছিল তার হাসির দ্বিধা-মাঝে।
                 গোপন বীণা সুরেই ছিল বাঁধা,
                 ঝংকার তায় দিয়েছিল আধা,
                 সংশয়ে আজ তলিয়ে গেল কোথা,
                     পাব কি তায় দুঃখসাগর সিঁচে।
           হায় রে গরবিনী,
      বারেক তব করুণ চাহনিতে
                 ভীরুতা মোর লও নি কেন জিনি।
           যে-মণিটি ছিল বুকের হারে
           ফেলে দিলে কোন্‌ খেদে হায় তারে,
           ব্যর্থ রাতের অশ্রুফোঁটার মালা
                আজ তোমার ওই বক্ষে ঝলকিছে।
আরো দেখুন
বেজি
Verses
             অনেকদিনের এই ডেস্কো--
        আনমনা কলমের কালিপড়া ফ্রেস্কো
                   দিয়েছে বিস্তর দাগ ভুতূড়ে রেখার।
                         যমজ সোদর ওরা যে সব লেখার--
                            ছাপার লাইনে পেল ভদ্রবেশে ঠাঁই,
                                  তাদের স্মরণে এরা নাই।
                         অক্সফোর্ড ডিক্সনারি, পদকল্পতরু,
                            ইংরেজ মেয়ের লেখা "সাহারার মরু'
                                  ভ্রমণের বই, ছবি আঁকা,
                            এগুলোর একপাশে চা রয়েছে ঢাকা
                         পেয়ালায় মডার্‌ন্‌ রিভিয়ুতে চাপা।
                                  পড়ে আছে সদ্যছাপা
                            প্রুফগুলো কুঁড়েমির উপেক্ষায়।
                                      বেলা যায়,
                            ঘড়িতে বেজেছে সাড়ে পাঁচ,
                                  বৈকালী ছায়ার নাচ
        মেঝেতে হয়েছে শুরু, বাতাসে পর্দায় লেগে দোলা।
             খাতাখানি আছে খোলা।--
                   আধঘণ্টা ভেবে মরি,
             প্যান্থীজ্‌ম্‌ শব্দটাকে বাংলায় কী করি।
        পোষা বেজি হেনকালে দ্রুতগতি এখানে সেখানে
             টেবিল চৌকির নীচে ঘুরে গেল কিসের সন্ধানে--
                   দুই চক্ষু ঔৎসুক্যের দীপ্তিজলা,
             তাড়াতাড়ি দেখে গেল আলমারির তলা
                         দামি দ্রব্য যদি কিছু থাকে;
                   ঘ্রাণ কিছু মিলিল না তীক্ষ্ন নাকে
             ঈপ্সিত বস্তুর।  ঘুরে ফিরে অবজ্ঞায় গেল চলে,
        এ ঘরে সকলি ব্যর্থ আরসুলার খোঁজ নেই ব'লে।
                            আমার কঠিন চিন্তা এই,
                         প্যান্থীজ্‌ম্‌ শব্দটার বাংলা বুঝি নেই।
আরো দেখুন
68
Verses
THE CLOUD gives all its gold
to the departing sun
and greets the rising moon
with only a pale smile.
আরো দেখুন