৯২ (mathe achhe kacha dhan)

মাঠে আছে কাঁচা ধান

     কাঁচা হাঁড়ি কুমোর-বাড়ি,

কাঁচা চুলো, ভিজে কাঠ--

     পাত পাড়িয়ো না তাড়াতাড়ি।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

97
Verses
মিলনের রথ চলে
       জীবনের পথে দিনে রাতে,
বৎসরে বৎসরে আসে
       কালের নূতন সীমানাতে,
চিরযাত্রী ঋতু যথা
       বসন্তের আনন্দমন্দিরে
ফাল্গুনে ফাল্গুনে আনে
       মাধুরীর অর্ঘ্য ফিরে ফিরে।
আরো দেখুন
ছবি
Verses
          ক্ষুব্ধ চিহ্ন এঁকে দিয়ে শান্ত সিন্ধুবুকে
                   তরী চলে পশ্চিমের মুখে।
                        আলোকচুম্বনে নীল জল
                               করে ঝলমল।
          দিগন্তে মেঘের জালে বিজড়িত দিনান্তের মোহ,
                   সূর্যাস্তের শেষ সমারোহ।
                             ঊর্ধ্বে যায় দেখা
                        তৃতীয়ার শীর্ণ শশিলেখা।
          যেন কে উলঙ্গ শিশু কোথায় এসেছে জানে না সে,
                             নিঃসংকোচে হাসে।
                        বহে মন্দ মন্থর বাতাস
                   সঙ্গশূন্য সায়াহ্নের বৈরাগ্যনিশ্বাস।
          স্বর্গসুখে ক্লান্ত কোন্‌ দেবতার বাঁশির পূরবী
                             শূন্যতলে ধরে এই ছবি।
                   ক্ষণকাল পরে যাবে ঘুচে,
          উদাসীন রজনীর কালো কেশে সব দেবে মুছে।
          এমনি রঙের খেলা নিত্য খেলে আলো আর ছায়া,
                             এমনি চঞ্চল মায়া
                             জীবন-অম্বরতলে --
                    দুঃখে সুখে বর্ণে বর্ণে লিখা
          চিহ্নহীনপদচারী কালের প্রান্তরে মরীচিকা।
                তার পরে দিন যায়, অস্তে যায় রবি;
          যুগে যুগে মুছে যায় লক্ষ লক্ষ রাগরক্ত ছবি।
                             তুই হেথা কবি,
                        এ বিশ্বের মৃত্যুর নিশ্বাস
          আপন বাঁশিতে ভরি গানে তারে বাঁচাইতে চাস।
আরো দেখুন
দ্বিধা
Verses
বাহিরে যার বেশভূষার ছিল না প্রয়োজন,
             হৃদয়তলে আছিল যার বাস,
পরের দ্বারে পাঠাতে তারে দ্বিধায় ভরে মন
             কিছুতে হায় পায় না আশ্বাস।
      সবুজ বনে নীল গগনে
      মিশায় রূপ সবার সনে,
             পাখির গানে পরায় যারে সাজ,
      ছিন্ন হয়ে সে-ফুল একা
      আকাশ-হারা দিবে কি দেখা
             পাথরে-গাঁথা প্রাচীর-মাঝে আজ।
চন্দনের গন্ধজলে মুছালো মুখখানি,
             নয়নপাতে কাজল দিল আঁকি।
ওষ্ঠাধরে যতনে দিল রক্তরেখা টানি,
             কবরী দিল করবীমালে ঢাকি।
      ভূষণ যত পরালো দেহে
      তাহারি সাথে ব্যাকুল স্নেহে
             মিলিল দ্বিধা, মিলিল কত ভয়।
      প্রাণে যে ছিল সুপরিচিত
      তাহারে নিয়ে ব্যাকুল চিত
             রচনা করে চোখের পরিচয়।
আরো দেখুন