৩৬ (chitto momo bedona dole)

চিত্ত মম বেদনা-দোলে

আন্দোলিত।

           অঙ্গনের

সমুখ-পথে পান্থ সখা

গিয়েছে বুঝি ক্লান্তপায়ে

দিগন্তরে।

     বিরহবেণু

ধ্বনিছে তাই মন্দ বায়ে,

ছন্দে তারি কুন্দফুল

কাঁদিয়া ঝরে--

     নবীন তৃণ

শিহরি উঠে ক্ষণে ক্ষণে।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

অস্থানে
Verses
একই লতাবিতান বেয়ে চামেলি আর মধুমঞ্জরী
        দশটি বছর কাটিয়েছে গায়ে গায়ে,
রোজ সকালে সূর্য-আলোর ভোজে
        পাতাগুলি মেলে বলেছে
           "এই তো এসেছি'।
        অধিকারের দ্বন্দ্ব ছিল ডালে ডালে দুই শরিকে,
তবু তাদের প্রাণের আনন্দে
           রেষারেষির দাগ পড়ে নি কিছু।
কখন যে কোন্‌ কুলগ্নে ওই
        সংশয়হীন অবোধ চামেলি
কোমল সবুজ ডাল মেলে দিল
        বিজ্‌লিবাতির লোহার তারে তারে,
           বুঝতে পারে নি যে ওরা জাত আলাদা।
শ্রাবণ মাসের অবসানে আকাশকোণে
        সাদা মেঘের গুচ্ছগুলি
    নেমে নেমে পড়েছিল শালের বনে,
সেই সময়ে সোনায় রাঙা স্বচ্ছ সকালে
    চামেলি মেতেছিল অজস্র ফুলের গৌরবে।
কোথাও কিছু বিরোধ ছিল না,
        মৌমাছিদের আনাগোনায়
    উঠত কেঁপে শিউলিতলার ছায়া।
ঘুঘুর ডাকে দুই প্রহরে
        বেলা হত আলস্যে শিথিল।
    সেই ভরা শরতের দিনে সূর্য-ডোবার সময়
মেঘে মেঘে লাগল যখন নানা রঙের খেয়াল,
        সেই বেলাতে কখন এল
           বিজ্‌লিবাতির অনুচরের দল।
        চোখ রাঙালো চামেলিটার স্পর্ধা দেখে--
           শুষ্ক শূন্য আধুনিকের রূঢ় প্রয়োজনের 'পরে
নিত্যকালের লীলামধুর নিষ্প্রয়োজন অনধিকার
           হাত বাড়ালো কেন।
    তীক্ষ্ণ কুটিল আঁক্‌শি দিয়ে
           টেনে টেনে ছিনিয়ে ছিঁড়ে নিল
        কচি কচি ডালগুলি সব ফুলে-ভরা।
এত দিনে বুঝল হঠাৎ অবোধ চামেলিটা
        মৃত্যু-আঘাত বক্ষে নিয়ে,
               বিজ্‌লিবাতির তারগুলো ওই জাত আলাদা।
আরো দেখুন
দু-কানে ফুটিয়ে দিয়ে
Verses
দু-কানে ফুটিয়ে দিয়ে
     কাঁকড়ার দাঁড়া
বর বলে, 'কান দুটো
     ধীরে ধীরে নাড়া।'
বউ দেখে আয়নায়,
জাপানে কি চায়নায়
হাজার হাজার আছে
     মেছনীর পাড়া--
কোথাও ঘটেনি কানে
     এত বড়ো ফাঁড়া।
আরো দেখুন
জর্মন প্রোফেসার
Verses
জর্মন প্রোফেসার    দিয়েছেন গোঁফে সার   কত যে!
     উঠেছে ঝাঁকড়া হয়ে খোঁচা-খোঁচা ছাঁটা ছাঁটা--
     দেখে তাঁর ছাত্রের ভয়ে গায়ে দেয় কাঁটা,
          মাটির পানেতে চোখ      নত যে।
     বৈদিক ব্যাখ্যায় বাণী তাঁর মুখে এসে
     যে নিমেষে পা বাড়ান ওষ্ঠের দ্বারদেশে
          চরণকমল হয়    ক্ষত যে।
আরো দেখুন