৬৫ (tomar grantha daner granthi)

তোমার গ্রন্থ-দানের গ্রন্থি

         বাঁধিল আমার চিত্ত।

তোমার ভক্তি ঋষির মন্ত্রে

         স্মরণে রহিল নিত্য।

তব শ্রদ্ধার অমল পাত্র

ভরিয়া রহিবে দিবসরাত্র

উপনিষদের পুণ্যপদের

         অমৃত বাণীর বিত্ত॥

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

সূচনা
Verses
বাল্যকাল থেকে পশ্চিম-ভারত আমার কাছে রোম্যাণ্টিক কল্পনার বিষয় ছিল। এইখানেই নিরবচ্ছিন্নকাল বিদেশীয়দের সঙ্গে এ দেশের সংযোগ ও সংঘর্ষ ঘটে এসেছে। বহুশতাব্দী ধরে এইখানেই ইতিহাসের বিপুল পটভূমিকায় বহু সাম্রাজ্যের উত্থানপতন এবং নব নব ঐশ্বর্যের বিকাশ ও বিলয় আপন বিচিত্র বর্ণের ছবির ধারা অঙ্কিত করে চলেছে। অনেক দিন ইচ্ছা করেছি এই পশ্চিম-ভারতের কোনো-এক জায়গায় আশ্রয় নিয়ে ভারতবর্ষের বিরাট বিক্ষুব্ধ অতীত যুগের স্পর্শলাভ করব মনের মধ্যে। অবশেষে এক সময়ে যাত্রার জন্যে প্রস্তুত হলুম। এত দেশ থাকতে কেন যে গাজিপুর বেছে নিয়েছিলুম তার দুটো কারণ আছে। শুনেছিলুম গাজিপুরে আছে গোলাপের খেত। আমি যেন মনের মধ্যে গোলাপবিলাসী সিরাজের ছবি এঁকে নিয়েছিলুম। তারি মোহ আমাকে প্রবলভাবে টেনেছিল। সেখানে গিয়ে দেখলুম ব্যাবসাদারের গোলাপের খেত, এখানে বুলবুলের আমন্ত্রণ নেই, কবিরও নেই; হারিয়ে গেল সেই ছবি। অপর পক্ষে, গাজিপুরে মহিমাম্বিত প্রাচীন ইতিহাসের স্বাক্ষর কোথাও বড়ো রেখায় ছাপ দেয় নি। আমার চোখে এর চেহারা ঠেকল সাদা-কাপড়-পরা বিধবার মতো, সেও কোনো বড়োঘরের ঘরণী নয়।
তবু গাজিপুরেই রয়ে গেলুম, তার একটা কারণ এখানে ছিলেন আমাদের দূরসম্পর্কের আত্মীয় গগনচন্দ্র রায়, আফিম-বিভাগের একজন বড়ো কর্মচারী। এখানে আমার সমস্ত ব্যবস্থা সহজ হল তাঁরই সাহায্যে। একখানা বড়ো বাংলা পাওয়া গেল, গঙ্গার ধারেও বটে, ঠিক গঙ্গার ধারেও নয়। প্রায় মাইলখানেক চর পড়ে গেছে, সেখানে যবের ছোলার শর্ষের খেত; দূর থেকে দেখা যায় গঙ্গার জলধারা, গুণ-টানা নৌকো চলেছে মন্থর গতিতে। বাড়ির সংলগ্ন অনেকখানি জমি, অনাদৃত, বাংলাদেশের মাটি হলে জঙ্গল হয়ে উঠত। ইঁদারা থেকে পূর চলছে নিস্তব্ধ মধ্যাহ্নে কলকল শব্দে। গোলাপচাঁপার ঘনপল্লব থেকে কোকিলের ডাক আসত রৌদ্রতপ্ত প্রহরের ক্লান্ত হাওয়ায়। পশ্চিম কোণে প্রাচীন একটা মহানিমগাছ, তার বিস্তীর্ণ ছায়াতলে বসবার জায়গা। সাদাধুলোর রাস্তা চলেছে বাড়ির গা ঘেঁষে, দূরে দেখা যায় খোলার-চাল-ওয়ালা পল্লী।
আরো দেখুন
খেলা
Verses
  তোমার কটি-তটের ধটি
         কে দিল রাঙিয়া।
  কোমল গায়ে দিল পরায়ে
         রঙিন আঙিয়া।
  বিহানবেলা আঙিনাতলে
  এসেছ তুমি কী খেলাছলে,
  চরণ দুটি চলিতে ছুটি
         পড়িছে ভাঙিয়া।
  তোমার কটি-তটের ধটি
         কে দিল রাঙিয়া।
  কিসের সুখে সহাস মুখে
         নাচিছ বাছনি,
  দুয়ার-পাশে জননী হাসে
         হেরিয়া নাচনি।
  তাথেই থেই তালির সাথে
  কাঁকন বাজে মায়ের হাতে,
  রাখাল-বেশে ধরেছ হেসে
         বেণুর পাঁচনি।
  কিসের সুখে সহাস মুখে
         নাচিছ বাছনি।
  ভিখারি ওরে, অমন  ক'রে
         শরম ভুলিয়া
  মাগিস কী বা মায়ের গ্রীবা
         আঁকড়ি ঝুলিয়া।
ওরে রে লোভী, ভুবনখানি
গগন হতে উপাড়ি আনি
ভরিয়া দুটি ললিত মুঠি
       দিব কি তুলিয়া।
কী চাস ওরে অমন ক'রে
       শরম ভুলিয়া।
নিখিল শোনে আকুল মনে
       নূপুর-বাজনা।
তপন শশী হেরিছে বসি
       তোমার সাজনা।
ঘুমাও যবে মায়ের বুকে
আকাশ চেয়ে রহে ও মুখে,
জাগিলে পরে প্রভাত করে
       নয়ন-মাজনা।
নিখিল শোনে আকুল মনে
       নূপুর-বাজনা।
ঘুমের বুড়ি আসিছে উড়ি
       নয়ন-ঢুলানী,
গায়ের 'পরে কোমল করে
       পরশ-বুলানী।
মায়ের প্রাণে তোমারি লাগি
জগৎ-মাতা রয়েছে জাগি,
ভুবন-মাঝে নিয়ত রাজে
       ভুবন-ভুলানী।
ঘুমের বুড়ি আসিছে উড়ি
       নয়ন-ঢুলানী।
আরো দেখুন
78
Verses
COMRADE OF the road,
Here are my traveller's greetings to thee.
0 Lord of my broken heart, of leave taking and loss, of the grey silence of the dayfall,
My greetings of the ruined house to thee!
0 Light of the new-born morning,
Sun of the everlasting day,
My greetings of the undying hope to thee
My guide,
I am a wayfarer of an endless road,
My greetings of a wanderer to thee.
আরো দেখুন