২২২ (lupto pother pushpito triniguli)

      লুপ্ত পথের পুষ্পিত তৃণগুলি

ঐ কি স্মরণমুরতি রচিলে ধূলি--

      দূর ফাগুনের কোন্‌ চরণের

              সুকোমল অঙ্গুলি!

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

কবির অহংকার
Verses
গান গাহি বলে কেন অহংকার করা।
শুধু গাহি বলে কেন কাঁদি না শরমে।
খাঁচার পাখির মতো গান গেয়ে মরা,
এই কি মা আদি অন্ত মানবজনমে।
সুখ নাই, সুখ নাই, শুধু মর্মব্যথা--
মরীচিকা-পানে শুধু মরি পিপাসায়।
কে দেখালে প্রলোভন, শূন্য অমরতা,
প্রাণে ম'রে গানে কি রে বেঁচে থাকা যায়।
কে আছ মলিন হেথা, কে আছ দুর্বল,
মোরে তোমাদের মাঝে করো গো আহ্বান;
বারেক একত্রে বসে ফেলি অশ্রুজল--
দূর করি হীন গর্ব, শূন্য অভিমান।
তার পরে একসাথে এস কাজ করি,
কেবলি বিলাপগান দূরে পরিহরি॥
আরো দেখুন
23
Verses
          শূন্য ছিল মন,  
নানা-কোলাহলে-ঢাকা
নানা-আনাগোনা-আঁকা
          দিনের মতন।
নানা-জনতায়-ফাঁকা
          কর্মে-অচেতন
          শূন্য ছিল মন।
জানি না কখন এল নূপুরবিহীন
        নিঃশব্দ গোধূলি।
    দেখি নাই স্বর্ণরেখা
    কী লিখিল শেষ লেখা
        দিনান্তের তুলি।
    আমি যে ছিলাম একা
        তাও ছিনু ভুলি।
        আইল গোধূলি।
হেনকালে আকাশের বিস্ময়ের মতো
        কোন্‌ স্বর্গ হতে
    চাঁদখানি লয়ে হেসে
    শুক্লসন্ধ্যা এল ভেসে
          আঁধারের স্রোতে।
    বুঝি সে আপনি মেশে
          আপন আলোতে
          এল কোথা হতে।
অকস্মাৎ বিকশিত পুষ্পের পুলকে
          তুলিলাম আঁখি।
    আর কেহ কোথা নাই,
    সে শুধু আমারি ঠাঁই
          এসেছে একাকী।
    সম্মুখে দাঁড়ালো তাই
          মোর মুখে রাখি
          অনিমেষ আঁখি।
রাজহংস এসেছিল কোন্‌ যুগান্তরে
          শুনেছি পুরাণে।
     দময়ন্তী আলবালে
     স্বর্ণঘটে জল ঢালে
           নিকুঞ্জবিতানে,
     কার কথা হেনকালে
          কহি গেল কানে--
          শুনেছি পুরাণে।
জ্যোৎস্নাসন্ধ্যা তারি মতো আকাশ বাহিয়া
          এল মোর বুকে।
  কোন্‌ দূর প্রবাসের
  লিপিখানি আছে এর
        ভাষাহীন মুখে।
  সে যে কোন্‌ উৎসুকের
        মিলনকৌতুকে
        এল মোর বুকে।
দুইখানি শুভ্র ডানা ঘেরিল আমারে
        সর্বাঙ্গে হৃদয়ে।
  স্কন্ধে মোর রাখি শির
  নিস্পন্দ রহিল স্থির
        কথাটি না কয়ে।
  কোন্‌ পদ্মবনানীর
        কোমলতা লয়ে
        পশিল হৃদয়ে?
আর কিছু বুঝি নাই,শুধু বুঝিলাম
        আছি আমি একা।
  এই শুধু জানিলাম
  জানি নাই তার নাম
        লিপি যার লেখা।
     এই শুধু বুঝিলাম
          না পাইলে দেখা
          রব আমি একা।
ব্যর্থ হয়, ব্যর্থ হয় এ দিনরজনী,
          এ মোর জীবন!
     হায় হায়, চিরদিন
     হয়ে আছে অর্থহীন
          এ বিশ্বভুবন।
     অনন্ত প্রেমের ঋণ
          করিছে বহন
          ব্যর্থ এ জীবন।
ওগো দূত দূরবাসী, ওগো বাক্যহীন,
          হে সৌম্য-সুন্দর,
     চাহি তব মুখপানে
     ভাবিতেছি মুগ্ধপ্রাণে
          কী দিব উত্তর।
     অশ্রু আসে দু নয়ানে,
          নির্বাক্‌ অন্তর,
          হে সৌম্য-সুন্দর।
আরো দেখুন
অন্তর্হিতা
Verses
তুমি যে তারে দেখ নি চেয়ে
                 জানিত সে তা মনে, --
      ব্যথার ছায়া পড়িত ছেয়ে
                 কালো চোখের কোণে।
      জীবনশিখা নিবিল তার,
                 ডুবিল তারি সাথে
      অবমানিত দুঃখভার
                 অবহেলার রাতে।
      দীপাবলীর থালাতে নাই
                 তাহার ম্লান হিয়া,
      তারায় তারি আলোক তাই
                 উঠিল উজলিয়া।
      স্বাগতবাণী ছিল সে মেলি
                 ভাষাবিহীন মুখে,
      বহুজনের বাণীরে ঠেলি
                 বাজে কি তব বুকে।
      নিকটে তব এসেছিল যে,
                 সে কথা বুঝাবারে
      অসীম দূরে গিয়েছে ও-যে
                 শূন্যে খুঁজাবারে।
      সেখানে গিয়ে করেছে চুপ,
                 ভিক্ষা গেল থামি,
      তাই কি তার সত্যরূপ
                 হৃদয়ে এল নামি।
আরো দেখুন