36 (thou didst well to)

THOU DIDST well to turn me back when I came begging.

In thy parting glance I saw a smile; and since then

I have learnt my lesson. I break my old alms bowl,

I wait for my chance to give what is mine.

From the morning crowds have gathered at thy gateway.

Let their need be all fulfilled. When at the fall of night they disperse, and cries are hushed; when stars seem listening to some epic of the age before their birth-time, of the fight of new-born light with ancient darkness,

to thy feet I come with homage of my longing:

'Take my lute in thine own hand and play it, Master.'

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

নিজের হাতে উপার্জনে
Verses
নিজের হাতে উপার্জনে
  সাধনা নেই সহিষ্ণুতার।
পরের কাছে হাত পেতে খাই,
  বাহাদুরি তারি গুঁতার।
কৃপণ দাতার অন্নপাকে
ডাল যদি বা কমতি থাকে
গাল-মিশানো গিলি তো ভাত--
  নাহয় তাতে নেইকো সুতার।
নিজের জুতার পাত্তা না পাই,
  স্বাদ পাওয়া যায় পরের জুতার।
আরো দেখুন
জলযাত্রা
Verses
নৌকো বেঁধে কোথায় গেল, যা ভাই মাঝি ডাকতে
মহেশগঞ্জে যেতে হবে শীতের বেলা থাকতে।
পাশের গাঁয়ে ব্যাবসা করে ভাগ্নে আমার বলাই,
তার আড়তে আসব বেচে খেতের নতুন কলাই।
সেখান থেকে বাদুড়ঘাটা আন্দাজ তিনপোয়া,
যদুঘোষের দোকান থেকে নেব খইয়ের মোয়া।
পেরিয়ে যাব চন্দনীদ' মুন্সিপাড়া দিয়ে,
মালসি যাব, পুঁটকি সেথায় থাকে মায়ে ঝিয়ে।
ওদের ঘরে সেরে নেব দুপুরবেলার খাওয়া;
তারপরেতে মেলে যদি পালের যোগ্য হাওয়া
একপহরে চলে যাব মুখ্‌লুচরের ঘাটে,
যেতে যেতে সন্ধে হবে খড়কেডাঙার হাটে।
সেথায় থাকে নওয়াপাড়ায় পিসি আমার আপন,
তার বাড়িতে উঠব গিয়ে, করব রাত্রিযাপন।
তিন পহরে শেয়ালগুলো উঠবে যখন ডেকে
ছাড়ব শয়ন ঝাউয়ের মাথায় শুকতারাটি দেখে।
লাগবে আলোর পরশমণি পুব আকাশের দিকে,
     একটু ক'রে আঁধার হবে ফিকে।
       বাঁশের বনে একটি-দুটি কাক
          দেবে প্রথম ডাক।
সদর পথের ঐ পারেতে গোঁসাইবাড়ির ছাদ
আড়াল করে নামিয়ে নেবে একাদশীর চাঁদ।
উসুখুসু করবে হাওয়া শিরীষ গাছের পাতায়,
রাঙা রঙের ছোঁয়া দেবে দেউল-চুড়োর মাথায়।
     বোষ্টমি সে ঠুনুঠুনু বাজাবে মন্দিরা,
সকালবেলার কাজ আছে তার নাম শুনিয়ে ফিরা।
     হেলেদুলে পোষা হাঁসের দল
যেতে যেতে জলের পথে করবে কোলাহল।
আমারও পথ হাঁসের যে-পথ, জলের পথে যাত্রী,
ভাসতে যাব ঘাটে ঘাটে ফুরোবে যেই রাত্রি।
সাঁতার কাটব জোয়ার-জলে পৌঁছে উজিরপুরে,
শুকিয়ে নেব  ভিজে ধুতি বালিতে রোদ্‌দুরে।
            গিয়ে ভজনঘাটা
কিনব বেগুন পটোল মুলো, কিনব সজনেডাঁটা।
            পৌঁছব আটবাঁকে,
সূর্য উঠবে মাঝগগনে, মহিষ নামবে পাঁকে।
কোকিল-ডাকা বকুল-তলায় রাঁধব আপন হাতে,
কলার পাতায় মেখে নেব গাওয়া ঘি আর ভাতে।
মাখনাগাঁয়ে পাল নামাবে, বাতাস যাবে থেমে;
বনঝাউ-ঝোপ রঙিয়ে দিয়ে সূর্য পড়বে নেমে।
বাঁকাদিঘির ঘাটে যাব যখন সন্ধে হবে
     গোষ্ঠে-ফেরা ধেনুর হাম্বারবে।
ভেঙে-পড়া ডিঙির মতো হেলে-পড়া দিন
তারা-ভাসা আঁধার-তলায় কোথায় হবে লীন।
আরো দেখুন
অবুঝ মন
Verses
অবুঝ শিশুর আবছায়া এই নয়নবাতায়নের ধারে
আপনাভোলা মনখানি তার অধীর হয়ে উঁকি মারে।
        বিনাভাষার ভাবনা নিয়ে কেমন আঁকুবাঁকুর খেলা--
        হঠাৎ ধরা, হঠাৎ ছড়িয়ে ফেলা,
      হঠাৎ অকারণ
কী উৎসাহে বাহু নেড়ে উদ্দাম গর্জন।
      হঠাৎ দুলে দুলে ওঠে,
অর্থবিহীন কোন্‌ দিকে তার লক্ষ ছোটে।
      বাহির-ভুবন হতে
আলোর লীলায় ধ্বনির স্রোতে
      যে বাণী তার আসে প্রাণে
তারি জবাব দিতে গিয়ে কী-যে জানায় কেই তা জানে।
এই যে অবুঝ এই যে বোবা মন
প্রাণের 'পরে ঢেউ জাগিয়ে কৌতুকে যে অধীর অনুক্ষণ,
       সর্ব দিকেই সর্বদা উন্মুখ,
আপনারি চাঞ্চল্য নিয়ে আপনি সমুৎসুক,-
   নয় বিধাতার নবীন রচনা এ,
       ইহার যাত্রা আদিম যুগের নায়ে।
           বিশ্বকবির মানস-সরোবরে
               প্রাতঃস্নানের পরে
প্রাণের সঙ্গে বাহির হল, তখন অন্ধকার,
       নিয়ে এল ক্ষীণ আলোটি তার।
  তারি প্রথম ভাষাবিহীন কূজনকাকলি যে
বনে বনে শাখায় পাতায় পুষ্পে ফলে বীজে
              অঙ্কুরে অঙ্কুরে
      উঠল জেগে ছন্দে সুরে সুরে।
      সূর্য-পানে অবাক আঁখি মেলি
      মুখরিত উচ্ছল তার কেলি।
নানারূপের খেলনা যে তার নানা বর্ণে আঁকে,
          বারেক খোলে, বারেক তারে ঢাকে।
                  রোদবাদলে করুণ কান্না হাসি
                        সদাই ওঠে আভাসি উচ্ছ্বাসি।
ওই যে শিশুর অবুঝ ভোলা মন
তরীর কোণে বসে বসে দেখছি তারি আকুল আন্দোলন।
       মাঝে-মাঝে সাগর-পানে তাকিয়ে দেখি যত
       মনে ভাবি, ও যেন এই শিশু-আঁখির মতো,
             আকাশ-পানে আবছায়া ওর চাওয়া
                          কোন্‌ স্বপনে-পাওয়া,
      অন্তরে ওর যেন সে কোন্‌ অবুঝ ভোলা মন
এ তীর হতে ও তীর-পানে দুলছে অনুক্ষণ।
               কেমন কলভাষে
প্রলয়কাঁদন কাঁদে ও যে প্রবল হাসি হাসে
      আপ্‌নিও তার অর্থ আছে ভুলে--
               ক্ষণে ক্ষণে শুধুই ফুলে ফুলে
      অকারণে গর্জি উঠে শূন্যে শূন্যে মূঢ় বাহু তুলে।
বিরাট অবুঝ এই সে আদিম মন,
মানব-ইতিহাসের মাঝে আপ্‌নারে তার অধীর অন্বেষণ।
       ঘর হতে ধায় আঙন-পানে, আঙন হতে পথে,
পথ হতে ধায় তেপান্তরের বিঘ্নবিষম অরণ্যে পর্বতে;
               এই সে গড়ে, এই সে ভাঙে, এই সে কী আক্ষেপে
পায়ের তলায় ধরণীতে আঘাত করে ধুলায় আকাশ ব্যেপে;
                  হঠাৎ খেপে উঠে
      রুদ্ধ পাষাণভিত্তি-'পরে বেড়ায় মাথা কুটে।
                   অনাসৃষ্টি সৃষ্টি আপনগড়া
      তাই নিয়ে সে লড়াই করে, তাই নিয়ে তার কেবল ওঠাপড়া।
                                 হঠাৎ উঠে ঝেঁকে
              যায় সে ছুটে কী রাঙা রঙ দেখে
                          অদৃশ্য কোন্‌ দূর দিগন্ত-পানে;
আবছায়া কোন্‌ সন্ধ্যা-আলোয় শিশুর মতো তাকায় অনুমানে,
                         তাহার ব্যাকুলতা
     স্বপ্নে সত্যে মিশিয়ে রচে বিচিত্র রূপকথা।
আরো দেখুন