25 (my lord hides himself)

II. 45. Hari ne apna ap chipaya

 

MY LORD HIDES Himself, and my Lord wonderfully reveals Himself:

My Lord has encompassed me with hardness, and my Lord has cast down my limitations.

My Lord brings to me words of sorrow and words of joy, and He Himself heals their strife.

I will offer my body and mind to my Lord: I will give up my life, but never can I forget my Lord!

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

36
Verses
সন্ধ্যারাগে ঝিলিমিলি ঝিলমের স্রোতখানি বাঁকা
     আঁধারে মলিন হল--যেন খাপে-ঢাকা
              বাঁকা তলোয়ার;
     দিনের ভাঁটার শেষে রাত্রির জোয়ার
এল তার ভেসে-আসা তারাফুল নিয়ে কালো জলে;
              অন্ধকার গিরিতটতলে
                     দেওদার তরু সারে সারে;
মনে হল সৃষ্টি যেন স্বপ্নে চায় কথা কহিবারে,
              বলিতে না পারে স্পষ্ট করি,
অব্যক্ত ধ্বনির পুঞ্জ অন্ধকারে উঠিছে গুমরি।
              সহসা শুনিনু সেই ক্ষণে
                      সন্ধ্যার গগনে
     শব্দের বিদ্যুৎছটা শূন্যের প্রান্তরে
মুহূর্তে ছুটিয়া গেল দূর হতে দূরে দূরান্তরে।
              হে হংস-বলাকা,
     ঝঞ্ঝা-মদরসে মত্ত তোমাদের পাখা
          রাশি রাশি আনন্দের অট্টহাসে
বিস্ময়ের জাগরণ তরঙ্গিয়া চলিল আকাশে।
              ওই পক্ষধ্বনি,
          শব্দময়ী অপ্সর-রমণী
     গেল চলি স্তব্ধতার তপোভঙ্গ করি।
          উঠিল শিহরি
     গিরিশ্রেণী তিমির-মগন
     শিহরিল দেওদার-বন।
          মনে হল এ পাখার বাণী
              দিল আনি
          শুধু পলকের তরে
     পুলকিত নিশ্চলের অন্তরে অন্তরে
              বেগের আবেগ।
পর্বত চাহিল হতে বৈশাখের নিরুদ্দেশ মেঘ;
              তরুশ্রেণী চাহে, পাখা মেলি
              মাটির বন্ধন ফেলি
     ওই শব্দরেখা ধরে চকিতে হইতে দিশাহারা,
          আকাশের খুঁজিতে কিনারা।
     এ সন্ধ্যার স্বপ্ন টুটে বেদনার ঢেউ উঠে জাগি
                            সুদূরের লাগি,
                       হে পাখা বিবাগী।
     বাজিল ব্যাকুল বাণী নিখিলের প্রাণে--
     "হেথা নয়, হেথা নয়, আর কোন্‌খানে।"
              হে হংস-বলাকা,
আজ রাত্রে মোর কাছে খুলে দিলে স্তব্ধতার ঢাকা।
     শুনিতেছি আমি এই নিঃশব্দের তলে
              শূন্যে জলে স্থলে
     অমনি পাখার শব্দ উদ্দাম চঞ্চল।
                            তৃণদল
     মাটির আকাশ-'পরে ঝাপটিছে ডানা,
     মাটির আঁধার-নীচে কে জানে ঠিকানা
              মেলিতেছে অঙ্কুরের পাখা
              লক্ষ লক্ষ বীজের বলাকা।
              দেখিতেছি আমি আজি
                       এই গিরিরাজি,
          এই বন, চলিয়াছে উন্মুক্ত ডানায়
     দ্বীপ হতে দ্বীপান্তরে, অজানা হইতে অজানায়।
              নক্ষত্রের পাখার স্পন্দনে
          চমকিছে অন্ধকার আলোর ক্রন্দনে।
             শুনিলাম মানবের কত বাণী দলে দলে
              অলক্ষিত পথে উড়ে চলে
          অস্পষ্ট অতীত হতে অস্ফষ্ট সুদূর যুগান্তরে!
              শুনিলাম আপন অন্তরে
              অসংখ্য পাখির সাথে
              দিনেরাতে
          এই বাসাছাড়া পাখি ধায় আলো-অন্ধকারে
              কোন্‌ পার হতে কোন্‌ পারে।
          ধ্বনিয়া উঠিছে শূন্য নিখিলের পাখার এ গানে--
          "হেথা নয়, অন্য কোথা, অন্য কোথা, অন্য কোন্‌খানে।"
আরো দেখুন
98
Verses
মাঝে মাঝে কভু যবে অবসাদ আসি
অন্তরের আলোক পলকে ফেলে গ্রাসি,
মন্দপদে যবে শ্রান্তি আসে তিল তিল
তোমার পূজার বৃন্ত করে সে শিথিল
ম্রিয়মাণ-- তখনো না যেন করি ভয়,
তখনো অটল আশা যেন জেগে রয়
তোমা-পানে।
          তোমা-'পরে করিয়া নির্ভর
সে শ্রান্তির রাত্রে যেন সকল অন্তর
নির্ভয়ে অর্পণ করি পথধূলিতলে
নিদ্রারে আহ্বান করি। প্রাণপণ বলে
ক্লান্ত চিত্তে নাহি তুলি ক্ষীণ কলরব
তোমার পূজার অতি দরিদ্র উৎসব।
রাত্রি এনে দাও তুমি দিবসের চোখে,
আবার জাগাতে তারে নবীন আলোকে।
আরো দেখুন
বুদ্ধদেবের প্রতি
Verses
সারনাথে মূলগন্ধকুটিবিহার প্রতিষ্ঠা-উপলক্ষে রচিত
           ওই নামে একদিন ধন্য হল দেশে দেশান্তরে
                            তব জন্মভূমি।
           সেই নাম আরবার এ দেশের নগর প্রান্তরে
                            দান করো তুমি।
           বোধিদ্রুমতলে তব সেদিনের মহাজাগরণ
           আবার সার্থক হোক, মুক্ত হোক মোহ-আবরণ,
           বিস্মৃতির রাত্রিশেষে এ ভারতে তোমারে স্মরণ
                             নবপ্রাতে উঠুক কুসুমি।
           চিত্ত হেথা মৃতপ্রায়, অমিতাভ, তুমি অমিতায়ু,
                       আয়ু করো দান।
           তোমার বোধনমন্ত্রে হেথাকার তন্দ্রালস বায়ু
                       হোক প্রাণবান।
           খুলে যাক রুদ্ধদ্বার, চৌদিকে ঘোষুক শঙ্খধ্বনি
           ভারত-অঙ্গনতলে, আজি তব নব আগমনী,
           অমেয় প্রেমের বার্তা শতকণ্ঠে উঠুক নিঃস্বনি --
                       এনে দিক অজেয় আহ্বান।
আরো দেখুন