43 (i laugh when i hear)

I.82. pani vic min piyasi

 

I LAUGH WHEN I hear that the fish in the water is thirsty:

You do not see that the Real is in your home, and you wander from forest to forest listlessly!

Here is the truth! Go where you will, to Benares or to Mathura; if you do not find your soul, the world is unreal to you.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

77
Verses
'TRAVELLER, WHERE do you go?'
I go to bathe in the sea in the redd'ning dawn, along the tree-bordered path.'
'Traveller, where is that sea?'
'There where this river ends its course, where the dawn opens into morning, where the day droops to the dusk.'
'Traveller, how many are they who come with you?'
I know not how to count them.
They are travelling all night with their lamps lit, they are singing all day through land and water.'
'Traveller, how far is the sea?'
'How far is it we all ask?
The rolling roar of its water swells to the sky when we hush our talk.
It ever seems near yet far.'
'Traveller, the sun is waxing strong.'
'Yes, our journey is long and grievous.
Sing who are weary in spirit, sing who are timid of heart.'
'Traveller, what if the night overtakes you?'
'We shall lie down to sleep till the new morning dawns with its songs, and the call of the sea floats in the air.'
আরো দেখুন
প্রেমের দূতকে পাঠাবে নাথ কবে
Verses
প্রেমের দূতকে পাঠাবে নাথ কবে।
সকল দ্বন্দ্ব ঘুচবে আমার তবে।
       আর-যাহারা আসে আমার ঘরে
       ভয় দেখায়ে তারা শাসন করে,
           দুরন্ত মন দুয়ার দিয়ে থাকে,
               হার মানে না, ফিরায়ে দেয় সবে।
সে এলে সব আগল যাবে ছুটে,
সে এলে সব বাঁধন যাবে টুটে,
    ঘরে তখন রাখবে কে আর ধরে
        তার ডাকে যে সাড়া দিতেই হবে।
       আসে যখন, একলা আসে চলে,
       গলায় তাহার ফুলের মালা দোলে,
           সেই মালাতে বাঁধবে যখন টেনে
               হৃদয় আমার নেরব হয়ে রবে।
আরো দেখুন
6
Verses
তুমি কি কেবল ছবি শুধু পটে লিখা।
     ওই যে সুদূর নীহারিকা
       যারা করে আছে ভিড়
          আকাশের নীড়;
     ওই যে যারা দিনরাত্রি
অলো-হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী
          গ্রহ তারা রবি
তুমি কি তাদেরি মতো সত্য নও।
     হায় ছবি, তুমি শুধু ছবি।
চিরচঞ্চলের মাঝে তুমি কেন শান্ত হয়ে রও।
          পথিকের সঙ্গ লও
     ওগো পথহীন।
          কেন রাত্রিদিন
সকলের মাঝে থেকে সবা হতে আছ এত দূরে
     স্থিরতার চির অন্তঃপুরে।
          এই ধূলি
     ধূসর অঞ্চল তুলি
         বায়ুভরে ধায় দিকে দিকে;
বৈশাখে সে বিধবার আভরণ খুলি
     তপস্বিনী ধরণীরে সাজায় গৈরিকে;
         অঙ্গে তার পত্রলিখা দেয় লিখে
          বসন্তের মিলন-উষায়,
         এই ধূলি এও সত্য হায়;
             এই তৃণ
         বিশ্বের চরণতলে লীন
এরা যে অস্থির, তাই এরা সত্য সবি--
          তুমি স্থির, তুমি ছবি,
              তুমি শুধু ছবি।
একদিন এই পথে চলেছিলে আমাদের পাশে।
     বক্ষ তব দুলিত নিশ্বাসে;
          অঙ্গে অঙ্গে প্রাণ তব
          কত গানে কত নাচে
             রচিয়াছে
          আপনার ছন্দ নব নব
       বিশ্বতালে রেখে তাল;
     সে যে আজ হল কত কাল।
          এ জীবনে
         আমার ভুবনে
          কত সত্য ছিলে।
         মোর চক্ষে এ নিখিলে
       দিকে দিকে তুমিই লিখিলে
     রূপের তুলিকা ধরি রসের মুরতি।
সে-প্রভাতে তুমিই তো ছিলে
     এ-বিশ্বের বাণী মূর্তিমতী।
একসাথে পথে যেতে যেতে
    রজনীর আড়ালেতে
     তুমি গেলে থামি।
    তার পরে আমি
     কত দুঃখে সুখে
    রাত্রিদিন চলেছি সম্মুখে।
চলেছে জোয়ার-ভাঁটা আলোকে আঁধারে
     আকাশ-পাথারে;
          পথের দুধারে
     চলেছে ফুলের দল নীরব চরণে
          বরনে বরনে;
সহস্রধারায় ছোটে দুরন্ত জীবন-নির্ঝরিণী
     মরণের বাজায়ে কিঙ্কিণী।
          অজানার সুরে
     চলিয়াছি দূর হতে দূরে--
          মেতেছি পথের প্রেমে।
          তুমি পথ হতে নেমে
              যেখানে দাঁড়ালে
                     সেখানেই আছ থেমে।
এই তৃণ, এই ধূলি-- ওই তারা, ওই শশী-রবি
                   সবার আড়ালে
          তুমি ছবি, তুমি শুধু ছবি।
          কী প্রলাপ কহে কবি।
              তুমি ছবি?
নহে নহে, নও শুধু ছবি।
     কে বলে রয়েছ স্থির রেখার বন্ধনে
          নিস্তব্ধ ক্রন্দনে।
     মরি মরি, সে আনন্দ থেমে যেত যদি
              এই নদী
          হারাত তরঙ্গবেগ,
              এই মেঘ
     মুছিয়া ফেলিত তার সোনার লিখন।
          তোমার চিকন
চিকুরের ছায়াখানি বিশ্ব হতে যদি মিলাইত
              তবে
            একদিন কবে
          চঞ্চল পবনে লীলায়িত
      মর্মর-মুখর ছায়া মাধবী-বনের
             হত স্বপনের।
     তোমায় কি গিয়েছিনু ভুলে।
তুমি যে নিয়েছ বাসা জীবনের মূলে
              তাই ভুল।
অন্যমনে চলি পথে, ভুলি নে কি ফুল।
          ভুলি নে কি তারা।
              তবুও তাহারা
          প্রাণের নিশ্বাসবায়ু করে সুমধুর,
     ভুলের শূন্যতা-মাঝে ভরি দেয় সুর।
          ভুলে থাকা নয় সে তো ভোলা;
বিস্মৃতির মর্মে বসি রক্তে মোর দিয়েছ যে দোলা।
          নয়নসম্মুখে তুমি নাই,
     নয়নের মাঝখানে নিয়েছ যে ঠাঁই;
              আজি তাই
     শ্যামলে শ্যামল তুমি, নীলিমায় নীল।
              আমার নিখিল
     তোমাতে পেয়েছে তার অন্তরের মিল।
          নাহি জানি, কেহ নাহি জানে
          তব সুর বাজে মোর গানে;
              কবির অন্তরে তুমি কবি,
     নও ছবি, নও ছবি, নও শুধু ছবি।
     তোমারে পেয়েছি কোন্‌ প্রাতে,
          তার পরে হারায়েছি রাতে।
   তার পরে অন্ধকারে অগোচরে তোমারেই লভি।
          নও ছবি, নও তুমি ছবি।
আরো দেখুন