৪১ (taba poojaa naa aanile danda dibe taare)

তব পূজা না আনিলে দণ্ড দিবে তারে,

যমদূত লয়ে যাবে নরকের দ্বারে--

ভক্তিহীনে এই বলি যে দেখায় ভয়

তোমার নিন্দুক সে যে, ভক্ত কভু নয়।

হে বিশ্বভুবনরাজ, এ বিশ্বভুবনে

আপনারে সব চেয়ে রেখেছ গোপনে

আপন মহিমা-মাঝে। তোমার সৃষ্টির

ক্ষুদ্র বালুকণাটুকু,ক্ষণিক শিশির

তারাও তোমার চেয়ে প্রত্যক্ষ আকারে

দিকে দিকে ঘোষণা করিছে আপনারে।

যা-কিছু তোমারি তাই আপনার বলি

চিরদিন এ সংসার চলিয়াছে ছলি--

তবু সে চোরের চৌর্য পড়ে না তো ধরা।

আপনারে জানাইতে নাই তব ত্বরা।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

হিন্দী: মধ্যযুগ
Verses
            ১
গুরুচরণনকী আশা।
গুরুকৃপা ভব নিশা সিরাণী।
     দীপত জ্ঞান উজালা।
কারী কমরিয়া গুরু মোহি দীনী,
     নাম জপনকো মালা।
জল পীবন কো তুম্বী দীনী
     আসন্‌ চরণন পাসা।
     গুরুচরণনকী আশা।
                        --গোরখনাথের অন্যতম শিষ্য
               ১
গুরু, আমায় মুক্তিধনের
     দেখাও দিশা।
কম্বল মোর সম্বল হোক
     দিবানিশা।
সম্পদ হোক জপের মালা
নামমণির দীপ্তি -জ্বালা।
তুম্বীতে পান করব যে জল
     মিটবে তাহে বিষয়-তৃষা।
              ২
করবোঁ মৈঁ কবন বহানা
     গবন হমরো নিয়রানা।
সব সখিয়নমেঁ চুনরী মোরী মৈলী--
     দুজে পিয়া ঘর জানা।
এক লাজ মোহী শাস ননদকী--
     দুজে পিয়া মারে তানা।
পিয়াকে পগিয়া রঙ্গী জোনা রঙ্গমে
     হমরো চুনরিয়া রঙ্গানা॥
                                    --কবীর
              ২
     চূড়াটি তোমার
   যে রঙে রাঙালে, প্রিয়,
     সে রঙে আমার
   চুনরি রাঙিয়ে দিয়ো।
          পাঠান্তর
তোমার ঐ   মাথার চূড়ায়
     যে রঙ আছে উজ্জ্বলি
সে রঙ দিয়ে   রাঙাও আমার
     বুকের কাঁচলি।
আরো দেখুন
বোবার বাণী
Verses
আমার ঘরের সম্মুখেই
           পাকে পাকে জড়িয়ে শিমূলগাছে
                 উঠেছে মালতীলতা।
           আষাঢ়ের রসস্পর্শ
                        লেগেছে অন্তরে তার।
           সবুজ তরঙ্গগুলি হয়েছে উজ্জ্বল
                 পল্লবের চিক্কণ হিল্লোলে।
           বাদলের ফাঁকে ফাঁকে মেঘচ্যুত রৌদ্র এসে
               ছোঁয়ায় সোনার-কাঠি অঙ্গে তার,
                       মজ্জায় কাঁপন লাগে,
               শিকড়ে শিকড়ে বাজে আগমনী।
           যেন কত-কী-যে কথা নীরবে উৎসুক হয়ে থাকে
                         শাখাপ্রশাখায়।
                        এই মৌনমুখরতা
                        সারারাত্রি অন্ধকারে
           ফুলের বাণীতে হয় উচ্ছ্বসিত,
                   ভোরের বাতাসে উড়ে পড়ে।
                 আমি একা বসে বসে ভাবি
           সকালের কচি আলো দিয়ে রাঙা
                 ভাঙা ভাঙা মেঘের সমুখে;
           বৃষ্টিধোওয়া মধ্যাহ্নের
                 গোরু-চরা মাঠের উপর আঁখি রেখে,
           নিবিড় বর্ষণে আর্ত
                 শ্রাবণের আর্দ্র অন্ধকার রাতে;
           নানা কথা ভিড় করে আসে
                 গহন মনের পথে,
                       বিবিধ রঙের সাজ,
                 বিবিধ ভঙ্গিতে আসাযাওয়া, --
                       অন্তরে আমার যেন
                 ছুটির দিনের কোলাহলে
                       কথাগুলো মেতেছে খেলায়।
           তবুও যখন তুমি আমার আঙিনা দিয়ে যাও
                    ডেকে আনি, কথা পাই নে তো।
                কখনো যদি বা ভুলে কাছে আস
                       বোবা হয়ে থাকি।
                 অবারিত সহজ আলাপে
                       সহজ হাসিতে
                 হল না তোমার অভ্যর্থনা।
           অবশেষে ব্যর্থতার লজ্জায় হৃদয় ভরে দিয়ে
                       তুমি চলে যাও ,
                 তখন নির্জন অন্ধকারে
           ফুটে ওঠে ছন্দে-গাঁথা সুরে-ভরা বাণী;
                       পথে তারা উড়ে পড়ে-
           যার খুশি সাজি ভরে নিয়ে চলে যায়।
আরো দেখুন
65
Verses
TINY GRASS, your steps are small, but you possess the earth under
your tread.
আরো দেখুন