লেখন (96)

৯৬

৯৬

  শিশির রবিরে শুধু জানে

বিন্দুরূপে আপন বুকের মাঝখানে॥    

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

170
Verses
বাহিরে বস্তুর বোঝা,
      ধন বলে তায়।
কল্যাণ সে অন্তরের
      পরিপূর্ণতায়।
আরো দেখুন
শুভক্ষণ
Verses
ওগো মা,
           রাজার দুলাল যাবে আজি মোর
                     ঘরের সমুখপথে,
           আজি এ প্রভাতে গৃহকাজ লয়ে
                  রহিব বলো কী মতে।
           বলে দে আমায় কী করিব সাজ,
           কী ছাঁদে কবরী বেঁধে লব আজ,
           পরিব অঙ্গে কেমন ভঙ্গে
                  কোন্‌ বরনের বাস।
        মা গো,      কী হল তোমার, অবাক নয়নে
                         মুখপানে কেন চাস।
        আমি     দাঁড়াব যেথায় বাতায়নকোণে
                   সে চাবে না সেথা জানি তাহা মনে--
                   ফেলিতে নিমেষ দেখা হবে শেষ,
                         যাবে সে সুদূর পুরে,
        শুধু           সঙ্গের বাঁশি কোন্‌ মাঠ হতে
                         বাজিবে ব্যাকুল সুরে।
        তবু           রাজার দুলাল যাবে আজি মোর
                         ঘরের সমুখপথে,
        শুধু           সে নিমেষ লাগি না করিয়া বেশ
                         রহিব বলো কী মতে।
ওগো মা,
           রাজার দুলাল গেল চলি মোর
                   ঘরের সমুখপথে,
           প্রভাতের আলো ঝলিল তাহার
                   স্বর্ণশিখর রথে।
           ঘোমটা খসায়ে বাতায়নে থেকে
           নিমেষের লাগি নিয়েছি মা দেখে,
           ছিঁড়ি মণিহার ফেলেছি তাহার
                  পথের ধুলার 'পরে।
        মা গো,      কী হল তোমার, অবাক নয়নে
                         চাহিস কিসের তরে!
        মোর      হার-ছেঁড়া মণি নেয় নি কুড়ায়ে,
                   রথের চাকায় গেছে সে গুঁড়ায়ে
                   চাকার চিহ্ন ঘরের সমুখে
                   পড়ে আছে শুধু আঁকা।
        আমি     কী দিলেম কারে জানে না সে কেউ--
                         ধুলায় রহিল ঢাকা।
        তবু           রাজার দুলাল গেল চলি মোর
                         ঘরের সমুখপথে--
        মোর      বক্ষের মণি না ফেলিয়া দিয়া
                         রহিব বলো কী মতে।
আরো দেখুন
স্পর্ধা
Verses
শ্লথপ্রাণ দুর্বলের স্পর্ধা আমি কভু সহিব না।
লোলুপ সে লালায়িত, প্রেমেরে সে করে বিড়ম্বনা
ক্লেদঘন চাটুবাক্যে, বাষ্পে বিজড়িত দৃষ্টি তার
কলুষকুণ্ঠিত অঙ্গে লিপ্ত করে গ্লানি লালসার,
আবেশে মন্থর কণ্ঠে গদ্‌গদ সে প্রার্থনা জানায়
আলোকবঞ্চিত তার অন্তরের কানায় কানায়
দুষ্ট ফেন উঠে বুদ্‌বুদিয়া-- ফেটে যায়, দেয় খুলি
রুদ্ধ বিষবায়ু। গলিত মাংসের যেন ক্রিমিগুলি
কল্পনাবিকার তার শিথিল চিন্তার তলে তলে
আকুলিতে থাকে কিলিবিলি।-- যেন প্রাণপণ বলে
মন তারে করে কষাঘাত!  জীর্ণমজ্জা কাপুরুষে
নারী যদি গ্রাহ্য করে, লজ্জিত দেবতা তারে দুষে
অসহ্য সে অপমানে।  নারী সে-যে মহেন্দ্রের দান,
এসেছে ধরিত্রীতলে পুরুষেরে সঁপিতে সম্মান।
আরো দেখুন