৯৫ (horpondit bole)

হরপণ্ডিত বলে, 'ব্যঞ্জন সন্ধি এ,

পড়ো দেখি, মনুবাবা, একটুকু মন নিয়ে।'

 

         মনোযোগহন্ত্রীর

         বেড়ি আর খন্তির

ঝংকার মনে পড়ে; হেঁসেলের পন্থার

ব্যঞ্জন-চিন্তায় অস্থির মন তার।

থেকে থেকে জল পড়ে চক্ষুর কোণ দিয়ে।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

শুকসারী
Verses
  শ্রীযুক্ত নন্দলাল বসুর পাহাড়-আঁকা চিত্রপত্রিকার উত্তরে
      শুক বলে, গিরিরাজের জগতে প্রাধান্য;
      সারী বলে, মেঘমালা, সেই বা কী সামান্য,--
             গিরির মাথায় থাকে।
      শুক বলে, গিরিরাজের দৃঢ় অচল শিলা;
      সারী বলে, মেঘমালার আদি-অন্তই লীলা,--
             বাঁধবে কে-বা তাকে।
      শুক বলে, নদীর জলে গিরি ঢালেন প্রাণ;
      সারী বলে, তার পিছনে মেঘমালার দান,--
             তাই তো নদী আছে।
      শুক বলে, গিরীশ থাকেন গিরিতে দিনরাত্র;
      সারী বলে, অন্নপূর্ণা ভরেন ভিক্ষাপাত্র ,--
             সে তো মেঘের কাছে।
      
      শুক বলে, হিমাদ্রি যে ভারত করে ধন্য;
      সারী বলে, মেঘমালা বিশ্বেরে দেয় স্তন্য ,--
             বাঁচে সকল জন।
      শুক বলে, সমাধিতে স্তব্ধ গিরির দৃষ্টি;
      সারী বলে, মেঘমালার নিত্যনূতন সৃষ্টি,--
             তাই সে চিরন্তন।
আরো দেখুন
নাম্নী - মালিনী
Verses
     হাসিমুখ নিয়ে যায় ঘরে ঘরে,
     সখীদের অবকাশ মধু দিয়ে ভরে।
              প্রসন্নতা তার অন্তহীন
                   রাত্রিদিন
              গভীর কী উৎস হতে
     উচ্ছলিছে আলোঝলা কথাবলা স্রোতে।
                   মর্তের ম্লানতা তারে
              পারে নি তো স্পর্শ করিবারে।
প্রভাতে সে দেখা দিলে মনে হয় যেন সূর্যমুখী
              রক্তারুণ উল্লাসে কৌতুকী।
মধ্যাহ্নের স্থলপদ্ম অমলিন রাগে
              প্রফুল্ল সে সূর্যের সোহাগে,
সায়াহ্নের জুঁই সে-যে,
গন্ধে যার প্রদোষের শূন্যতায় বাঁশি ওঠে বেজে।
              মৈত্রীসুধাময় চোখে
মাধুরী মিশায়ে দেয় সন্ধ্যাদীপালোকে।
রজনীগন্ধা সে রাতে, দেয় পরকাশি
আনন্দহিল্লোল রাশি রাশি;
সঙ্গহীন আঁধারের নৈরাশ্যক্ষালিনী--
              নাম কি মালিনী--
আরো দেখুন
71
Verses
গাছের পাতায় লেখন লেখে
      বসন্তে বর্ষায়--
ঝ'রে পড়ে, সব কাহিনী
      ধুলায় মিশে যায়।
আরো দেখুন