মোহ (moho)

নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস,

ওপারেতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস।

নদীর ওপার বসি দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে;

কহে, যাহা কিছু সুখ সকলি ওপারে।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

গোধূলিলগ্ন
Verses
  আমার  গোধূলিলগন এল বুঝি কাছে--
                 গোধূলিলগন রে।
            বিবাহের রঙে রাঙা হয়ে আসে
                 সোনার গগন রে।
            শেষ করে দিল পাখি গান গাওয়া,
            নদীর উপরে প'ড়ে এল হাওয়া,
            ও পারের তীর, ভাঙা মন্দির
                 আঁধারে মগন রে।
            আসিছে মধুর ঝিল্লিনূপুরে
                 গোধূলিলগন রে।
  আমার  দিন কেটে গেছে কখনো খেলায়,
                 কখনো কত কী কাজে।
            এখন কি শুনি পূরবীর সুরে
                 কোন্‌ দূরে বাঁশি বাজে।
            বুঝি দেরি নাই, আসে বুঝি আসে,
            আলোকের আভা লেগেছে আকাশে,
            বেলাশেষে মোরে কে সাজাবে ওরে
                 নবমিলনের সাজে।
            সারা হল কাজ, মিছে কেন আজ
                ডাক মোরে আর কাজে।
  এখন  নিরিবিলি ঘরে সাজাতে হবে রে
                বাসকশয়ন যে।
            ফুলশেজ লাগি রজনীগন্ধা
                হয় নি চয়ন যে।
            সারা যামিনীর দীপ সযতনে
            জ্বালায়ে তুলিতে হবে বাতায়নে,
            যূথীদল আনি গুণ্ঠনখানি
                করিব বয়ন যে।
            সাজাতে হবে রে নিবিড় রাতের
                বাসকশয়ন যে।
  প্রাতে   এসেছিল যারা কিনিতে বেচিতে
                চলে গেছে তারা সব।
            রাখালের গান হল অবসান,
                না শুনি ধেনুর রব।
            এই পথ দিয়ে প্রভাতে দুপুরে
            যারা এল আর যারা গেল দূরে
            কে তারা জানিত আমার নিভৃত
                সন্ধ্যার উৎসব।
            কেনাবেচা যারা করে গেল সারা
                চলে গেল তারা সব।
  আমি    জানি যে আমার হয়ে গেছে গণা
                গোধূলিলগন রে।
            ধূসর আলোকে মুদিবে নয়ন
                অস্তগগন রে--
            তখন এ ঘরে কে খুলিবে দ্বার,
            কে লইবে টানি বাহুটি আমার,
            আমায় কে জানে কী মন্ত্রে গানে
                করিবে মগন রে--
            সব গান সেরে আসিবে যখন
                গোধূলিলগন রে।
আরো দেখুন
দুঃসময়
Verses
বিলম্বে এসেছ, রুদ্ধ এবে দ্বার,
জনশূন্য পথ, রাত্রি অন্ধকার,
গৃহহারা বায়ু করি হাহাকার
  ফিরিয়া মরে।
তোমারে আজিকে ভুলিয়াছে সবে,
শুধাইলে কেহ কথা নাহি কবে,
এহেন নিশীথে আসিয়াছ তবে
  কী মনে করে।
এ দুয়ারে মিছে হানিতেছ কর,
ঝটিকার মাঝে ডুবে যায় স্বর,
ক্ষীণ আশাখানি ত্রাসে থরথর্‌
  কাঁপিছে বুকে।
যেথা একদিন ছিল তোর গেহ
ভিখারির মতো আসে সেথা কেহ?
কার লাগি জাগে উপবাসী স্নেহ
  ব্যাকুল মুখে।
ঘুমায়েছে যারা তাহারা ঘুমাক,
দুয়ারে দাঁড়ায়ে কেন দাও ডাক,
তোমারে হেরিলে হইবে অবাক
  সহসা রাতে।
যাহারা জাগিছে নবীন উৎসবে
রুদ্ধ করি দ্বার মত্ত কলরবে,
কী তোমার যোগ আজি এই ভবে
  তাদের সাথে।
দ্বারছিদ্র দিয়ে কী দেখিছ আলো,
বাহির হইতে ফিরে যাওয়া ভালো,
তিমির ক্রমশ হতেছে ঘোরালো
  নিবিড় মেঘে।
বিলম্বে এসেছ-- রুদ্ধ এবে দ্বার,
তোমার লাগিয়া খুলিবে না আর,
গৃহহারা ঝড় করি হাহাকার
  বহিছে বেগে।
আরো দেখুন
179
Verses
THE RIGHT TO possess boasts foolishly
of its right to enjoy.
আরো দেখুন