১০০ (tumi amar anginate phutiye rakho)

            তুমি আমার আঙিনাতে ফুটিয়ে রাখ ফুল।

আমার    আনাগোনার পথখানি হয় সৌরভে আকুল।

                     ওগো ওই তোমারি ফুল।

            ওরা আমার হৃদয়পানে মুখ তুলে যে থাকে।

ওরা       তোমার মুখের ডাক নিয়ে যে আমারি নাম ডাকে।

                     ওগো ওই তোমারি ফুল।

 

            তোমার কাছে কী যে আমি সেই কথাটি হেসে

ওরা       আকাশেতে ফুটিয়ে তোলে, ছড়ায় দেশে দেশে।

                     ওগো ওই তোমারি ফুল।

            দিন কেটে যায় অন্যমনে,ওদের মুখে তবু

প্রভু,     তোমার মুখের সোহাগবাণী ক্লান্ত না হয় কভু।

                     ওগো ওই তোমারি ফুল।

 

            প্রাতের পরে প্রাতে ওরা, রাতের পরে রাতে

তোমার   অন্তবিহীন যতনখানি বহন করে মাথে।

                     ওগো ওই তোমারি ফুল।

            হাসিমুখে আমার যতন নীরব হয়ে যাচে।

তোমার   অনেক যুগের পথ-চাওয়াটি ওদের মুখে আছে।

                     ওগো ওই তোমারি ফুল।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

60
Verses
পথে পথে অরণ্যে পর্বতে
         চলিতে চলিতে হয় দেখা,
বিস্মৃতির পটভূমিকায়
         স্মৃতি কিছু রেখে যায় রেখা।
আরো দেখুন
মানসী
Verses
    মনে নেই, বুঝি হবে অগ্রহান মাস,
               তখন তরণীবাস
                   ছিল মোর পদ্মাবক্ষ-'পরে।
               বামে বালুচরে
     সর্বশূন্য শুভ্রতার না পাই অবধি।
               ধারে ধারে নদী
কলরবধারা দিয়ে নিঃশব্দেরে করিছে মিনতি।
      ওপারেতে আকাশের প্রশান্ত প্রণতি
          নেমেছে মন্দিরচূড়া-'পরে।
     হেথা-হোথা পলিমাটিস্তরে
               পাড়ির নিচের তলে
         ছোলা-খেত ভরেছে ফসলে।
অরণ্যে নিবিড় গ্রাম নীলিমার নিম্নান্তের পটে;
               বাঁধা মোর নৌকাখানি জনশূন্য বালুকার তটে।
                   পূর্ণ যৌবনের বেগে
          নিরুদ্দেশ বেদনার জোয়ার উঠেছে মনে জেগে
                   মানসীর মায়ামূর্তি বহি।
          ছন্দের বুনানি গেঁথে অদেখার সাথে কথা কহি।
                   ম্লানরৌদ্র অপরাহ্নবেলা
          পান্ডুর জীবন মোর হেরিলাম প্রকান্ড একেলা
               অনারব্ধ সৃজনের বিশ্বকর্তা-সম।
                        সুদূর দুর্গম
                   কোন্‌ পথে যায় শোনা
               অগোচর চরণের স্বপ্নে আনাগোনা।
প্রলাপ বিছায়ে দিনু আগন্তুক অচেনার লাগি,
     আহ্বান পাঠানু শূন্যে তারি পদপরশন মাগি।
          শীতের কৃপণ বেলা যায়।
                   ক্ষীণ কুয়াশায়
                        অস্পষ্ট হয়েছে বালি।
          সায়াহ্নের মলিন সোনালি
                        পলে পলে
     বদল করিছে রঙ মসৃণ তরঙ্গহীন জলে।
     বাহিরেতে বাণী মোর হল শেষ,
অন্তরের তারে তারে ঝংকারে রহিল তার রেশ।
     অফলিত প্রতীক্ষার সেই গাথা আজি
কবিরে পশ্চাতে ফেলি শূন্যপথে চলিয়াছে বাজি।
               কোথায় রহিল তার সাথে
     বক্ষস্পন্দে-কম্পমান সেই স্তব্ধ রাতে
                   সেই সন্ধ্যাতারা।
               জন্মসাথিহারা
কাব্যখানি পাড়ি দিল চিহ্নহীন কালের সাগরে
                   কিছুদিন তরে;
               শুধু একখানি
                   সূত্রছিন্ন বাণী
          সেদিনের দিনান্তের মগ্নস্মৃতি হতে
                        ভেসে যায় স্রোতে।
আরো দেখুন
রায়ঠাকুরানী অম্বিকা
Verses
       রায়ঠাকুরানী অম্বিকা।
দিনে দিনে তাঁর বাড়ে বাণীটার লম্বিকা।
অবকাশ নেই    তবুও তো কোনো গতিকে
নিজে ব'কে যান,  কহিতে না দেন    পতিকে।
নারীসমাজের তিনি তোরণের স্তম্ভিকা।
সয় নাকো তাঁর    দ্বিতীয় কাহারো   দম্ভিকা।
আরো দেখুন