58 (let all the strains of)

LET ALL THE strains of joy mingle in my last song-the joy that makes the earth flow over in the riotous excess of the grass, the joy that sets the twin brothers, life and death, dancing over the wide world, the joy that sweeps in with the tempest, shaking and waking all life with laughter, the joy that sits still with its tears on the open red lotus of pain, and the joy that throws

everything it has upon the dust, and knows not a word.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

জয়ী
Verses
রূপহীন, বর্ণহীন, চিরস্তব্ধ, নাই শব্দ সুর,
মহাতৃষ্ণা মরুতলে মেলিয়াছে আসন মৃত্যুর;
          সে মহানৈঃশব্দ-মাঝে বেজে ওঠে মানবের বাণী
                   "বাধা নাহি মানি'।
আস্ফালিছে লক্ষ লোল ফেনজিহ্বা নিষ্ঠুর নীলিমা--
তরঙ্গতাণ্ডবী মৃত্যু, কোথা তার নাহি হেরি সীমা;
          সে রুদ্র সমুদ্রতটে ধ্বনিতেছে মানবের বাণী
                   "বাধা নাহি মানি'।
আদিতম যুগ হতে অন্তহীন অন্ধকার পথে
আবর্তিছে বহ্নিচক্র কোটি কোটি নক্ষত্রের রথে;
          দুর্গম রহস্য ভেদি সেথা উঠে মানবের বাণী
                   "বাধা নাহি মানি'।
          অণুতম অণুকণা আকাশে আকাশে নিত্যকাল
বর্ষিয়া বিদ্যুৎবিন্দু রচিছে রূপের ইন্দ্রজাল;
          নিরুদ্ধ প্রবেশদ্বারে উঠে সেথা মানবের বাণী
                   "বাধা নাহি মানি'।
চিত্তের গহনে যেথা দুরন্ত কামনা লোভ ক্রোধ
আত্মঘাতী মত্ততায় করিছে মুক্তির দ্বার রোধ
          অন্ধতার অন্ধকারে উঠে সেথা মানবের বাণী
                   "বাধা নাহি মানি'।
আরো দেখুন
১৩৮
Verses
১৩৮
সন্ধ্যার প্রদীপ মোর রাত্রির তারারে
         বন্দে  নমস্কারে ॥  
আরো দেখুন
অন্তরতম
Verses
আমি যে তোমায় জানি, সে তো কেউ   জানে না।
তুমি মোর পানে চাও, সে তো কেউ    মানে না।
        মোর মুখে পেলে তোমার আভাস
        কত জনে কত করে পরিহাস,
               পাছে সে না পারি সহিতে
         নানা ছলে তাই ডাকি যে তোমায়--
                কেহ কিছু নারে কহিতে।
         তোমার পথ যে তুমি চিনায়েছ
                সে কথা বলি নে কাহারে।
         সবাই ঘুমালে জনহীন রাতে
                একা আসি তব দুয়ারে।
         স্তব্ধ তোমার উদার আলয়,
         বীণাটি বাজাতে মনে করি ভয়,
                চেয়ে থাকি শুধু নীরবে।
         চকিতে তোমার ছায়া দেখি যদি
                ফিরে আসি তব গরবে।
         প্রভাত না হতে কখন আবার
                গৃহকোণ-মাঝে আসিয়া
         বাতায়নে বসি বিহ্বল বীণা
                বিজনে বাজাই হাসিয়া।
         পথ দিয়ে যে বা আসে যে বা যায়
         সহসা থমকি চমকিয়া চায়,
                মনে করে তারে ডেকেছি--
         জানে না তো কেহ কত নাম দিয়ে
                এক নামখানি ঢেকেছি।
         ভোরের গোলাপ সে গানে সহসা
                সাড়া দেয় ফুলকাননে,
         ভোরের তারাটি সে গানে জাগিয়া
                চেয়ে দেখে মোর আননে।
         সব সংসার কাছে আসে ঘিরে,
         প্রিয়জন সুখে ভাসে আঁখিনীরে,
                হাসি জেগে ওঠে ভবনে।
         যে নামে যে ছলে বীণাটি বাজাই
                সাড়া পাই সারা ভুবনে।
         নিশীথে নিশীথে বিপুল প্রাসাদে
                তোমার মহলে মহলে
         হাজার হাজার সোনার প্রদীপ
                জ্বলে অচপল অনলে।
         মোর দীপে জ্বেলে তাহারি আলোক
         পথ দিয়ে আসি, হাসে কত লোক,
               দূরে যেতে হয় পালায়ে--
         তাই তো শিখা সে ভবনশিখরে
               পারি নে রাখিতে জ্বালায়ে।
         বলি নে তো কারে, সকালে বিকালে
               তোমার পথের মাঝেতে
         বাঁশি বুকে লয়ে বিনা কাজে আসি
               বেড়াই ছদ্মসাজেতে।
         যাহা মুখে আসে গাই সেই গান
         নানা রাগিণীতে দিয়ে নানা তান,
               এক গান রাখি গোপনে।
         নানা মুখপানে আঁখি মেলি চাই,
               তোমা-পানে চাই স্বপনে।
আরো দেখুন