3 (i know not how thou)

I KNOW NOT how thou singest, my master! I ever listen in silent amazement.

The light of thy music illumines the world. The life breath of thy music runs from sky to sky. The holy stream of thy music breaks through all stony obstacles and rushes on.

My heart longs to join in thy song, but vainly struggles for a voice. I would speak, but speech breaks not into song, and I cry out baffled. Ah, thou hast made my heart captive in the endless meshes of thy music, my master!

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

25
Verses
ক্ষান্ত করিয়াছ তুমি আপনারে, তাই হেরো আজি
তোমার সর্বাঙ্গ ঘেরি পুলকিছে শ্যাম শস্পরাজি
প্রস্ফুটিত পুষ্পজালে; বনস্পতি শত বরষার
আনন্দবর্ষণকাব্য লিখিতেছে পত্রপুঞ্জে তার
বল্কলে শৈবালে জটে; সুদুর্গম তোমার শিখর
নির্ভয় বিহঙ্গ যত কলোল্লাসে করিছে মুখর।
আসি নরনারীদল তোমার বিপুল বক্ষপটে
নিঃশঙ্ক কুটিরগুলি বাঁধিয়াছে নির্ঝরিণীতটে।
যেদিন উঠিয়াছিলে অগ্নিতেজে স্পর্ধিতে আকাশ,
কম্পমান ভূমণ্ডলে, চন্দ্রসূর্য করিবারে গ্রাস --
সেদিন হে গিরি, তব এক সঙ্গী আছিল প্রলয়;
যখনি থেমেছ তুমি, বলিয়াছ "আর নয় নয়',
চারি দিক হতে এল তোমা'পরে আনন্দনিশ্বাস,
তোমার সমাপ্তি ঘেরি বিস্তারিল বিশ্বের বিশ্বাস।
আরো দেখুন
83
Verses
হে দূর হইতে দূর, হে নিকটতম,
যেথায় নিকটে তুমি সেথা তুমি মম,
যেথায় সুদূরে তুমি সেথা আমি তব।
কাছে তুমি নানা ভাবে নিত্য নব নব
সুখে দুঃখে জনমে মরণে। তব গান
জল স্থল শূন্য হতে করিছে আহ্বান
মোরে সর্ব কর্ম-মাঝে-- বাজে গূঢ়স্বরে
প্রহরে প্রহরে চিত্তকুহরে কুহরে
তোমার মঙ্গলমন্ত্র।
     যেথা দূর তুমি
সেথা আত্মা হারাইয়া সর্ব তটভূমি
তোমার নিঃসীম-মাঝে পূর্ণানন্দভরে
আপনারে নিঃশেষিয়া সমর্পণ করে।
কাছে তুমি কর্মতট আত্মা-তটিনীর,
দূরে তুমি শান্তিসিন্ধু অনন্ত গভীর।
আরো দেখুন
15
Verses
আকাশ-সিন্ধু-মাঝে এক ঠাঁই
      কিসের বাতাস লেগেছে--
      জগৎ-ঘূর্ণি জেগেছে।
ঝলকি উঠেছে রবি-শশাঙ্ক,
      ঝলকি ছুটেছে তারা,
অযুত চক্র ঘুরিয়া উঠেছে
      অবিরাম মাতোয়ারা।
স্থির আছে শুধু একটি বিন্দু
      ঘূর্ণির মাঝখানে--
সেইখান হতে স্বর্ণকমল
      উঠেছে শূন্যপানে।
      সুন্দরী, ওগো সুন্দরী,
শতদলদলে ভুবনলক্ষ্ণী
      দাঁড়ায়ে রয়েছ মরি মরি।
জগতের পাকে সকলি ঘুরিছে,
      অচল তোমার রূপরাশি।
নানা দিক হতে নানা দিন দেখি--
      পাই দেখিবারে ওই হাসি।
জনমে মরণে আলোকে আঁধারে
      চলেছি হরণে পূরণে,
      ঘুরিয়া চলেছি ঘুরনে।
কাছে যাই যার দেখিতে দেখিতে
      চলে যায় সেই দূরে,
হাতে পাই যারে পলক ফেলিতে
      তারে ছুঁয়ে যাই ঘুরে।
কোথাও থাকিতে না পারি ক্ষণেক,
      রাখিতে পারি নে কিছু--
মত্ত হৃদয় ছুটে চলে যায়
      ফেনপুঞ্জের পিছু।
      হে প্রেম, হে ধ্রুবসুন্দর,
স্থিরতার নীড় তুমি রচিয়াছ
      ঘূর্ণার পাকে খরতর।
দ্বীপগুলি তব গীতমুখরিত,
      ঝরে নির্ঝর কলভাষে,
অসীমের চির-চরম শান্তি
      নিমেষের মাঝে মনে আসে।
আরো দেখুন