88 (deity of the ruined temple)

DEITY OF THE ruined temple! The broken strings of Vina sing no more your praise. The bells in the evening proclaim not your time of worship. The air is still and silent about you.

In your desolate dwelling comes the vagrant spring breeze. It brings the tidings of flowers-the flowers that for your worship are offered no more.

Your worshipper of old wanders ever longing for favour still refused. In the eventide, when fires and shadows mingle with the gloom of dust, he wearily comes back to the ruined temple with hunger in his heart.

Many a festival day comes to you in silence, deity of the ruined temple. Many a night of worship goes away with lamp unlit.

Many new images are built by masters of cunning art and carried to the holy stream of oblivion when their time is come.

Only the deity of the ruined temple remains unworshipped in deathless neglect.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

18
Verses
NO: IT IS NOT yours to open buds into blossoms.
Shake the bud, strike it; it is beyond your power to make it blossom.
Your touch soils it, you tear its petals to pieces and strew them in the dust.
But no colours appear, and no perfume.
Ah! it is not for you to open the bud into a blossom.
He who can open the bud does it so simply.
He gives it a glance, and the life-sap stirs through its veins.
At his breath the flower spreads its wings and flutters in the wind. Colours flush out like heart-longings, the perfume betrays a sweet secret.
He who can open the bud does it so simply.
আরো দেখুন
আদিতম
Verses
কে আমার ভাষাহীন অন্তরে
চিত্তের মেঘলোকে সন্তরে,
          বক্ষের কাছে থাকে তবুও সে রয় দূরে,
                   থাকে অশ্রুত সুরে।
ভাবি বসে, গাব আমি তারই গান--
চুপ করে থাকি সারা দিনমান,
          অকথিত আবেগের ব্যথা সই।
                   মন বলে, কথা কই কথা কই!
চঞ্চল শোণিতে যে
সত্তার ক্রন্দন ধ্বনিতেছে
অর্থ কী জানি তাহা,
আদিতম আদিমের বাণী তাহা।
ভেদ করি ঝঞ্ঝার আলোড়ন
ছেদ করি বাষ্পের আবরণ
চুম্বিল ধরাতল যে আলোক,
স্বর্গের সে বালক
                   কানে তার বলে গেছে যে কথাটি
তারই স্মৃতি আজো ধরণীর মাটি
          দিকে দিকে বিকাশিছে ঘাসে ঘাসে--
তারই পানে চেয়ে চেয়ে
          সেই সুর কানে আসে।
     প্রাণের প্রথমতম কম্পন
অশথের মজ্জায় করিতেছে বিচরণ,
          তারই সেই ঝংকার ধ্বনিহীন--
আকাশের বক্ষেতে কেঁপে ওঠে নিশিদিন;
     মোর শিরাতন্তুতে বাজে তাই;
     সুগভীর চেতনার মাঝে তাই
          নর্তন জেগে ওঠে অদৃশ্য ভঙ্গিতে
                   অরণ্যমর্মর-সংগীতে।
                             ওই তরু ওই লতা ওরা সবে
                             মুখরিত কুসুমে ও পল্লবে--
                   সেই মহাবাণীময় গহনমৌনতলে
                             নির্বাক স্থলে জলে
                             শুনি আদি-ওংকার,
                   শুনি মূক গুঞ্জন অগোচর চেতনার।
                             ধরণীর ধূলি হতে তারার সীমার কাছে
                             কথাহারা যে ভুবন ব্যাপিয়াছে
                                      তার মাঝে নিই স্থান,
                             চেয়ে-থাকা দুই চোখে বাজে ধ্বনিহীন গান।
আরো দেখুন
সাধ
Verses
অরুণময়ী তরুণী উষা
        জাগায়ে দিল গান।
পুরব মেঘে কনকমুখী
বারেক শুধু মারিল উঁকি,
অমনি যেন জগৎ ছেয়ে
        বিকশি উঠে প্রাণ।
কাহার হাসি বহিয়া এনে
        করিলি সুধা দান।
ফুলেরা সব চাহিয়া আছে
আকাশ-পানে মগন-মনা,
মুখেতে মৃদু বিমল হাসি
নয়নে দুটি শিশির-কণা।
আকাশ-পারে কে যেন বসে,
তাহারে যেন দেখিতে পায়,
বাতাসে দুলে বাহুটি তুলে
মায়ের কোলে ঝাঁপিতে যায়।
কী যেন দেখে, কী যেন শোনে,
কে যেন ডাকে, কে যেন গায়
ফুলের সুখ, ফুলের হাসি
দেখিবি তোরা আয় রে আয়।
আ মরি মরি অমনি যদি
ফুলের মতো চাহিতে পারি।
বিমল প্রাণে বিমল সুখে
বিমল প্রাতে বিমল মুখে
ফুলের মতো অমনি যদি
বিমল হাসি হাসিতে পারি।
দুলিছে, মরি, হরষ-স্রোতে,
অসীম স্নেহে আকাশ হতে
কে যেন তারে খেতেছে চুমো,
কোলেতে তারি পড়িছে লুটে।
কে যেন তারি নামটি ধ'রে
ডাকিছে তারে সোহাগ করে
শুনিতে পেয়ে ঘুমের ঘোরে
মুখটি ফুটে হাসিটি ফোটে,
শিশুর প্রাণে সুখের মতো
সুবাসটুকু জাগিয়া ওঠে।
আকাশ পানে চাহিয়া থাকে,
না জানি তাহে কী সুখ পায়।
বলিতে যেন শেখে নি কিছু
কী যেন তবু বলিতে চায়।
আঁধার কোণে থাকিস তোরা,
জানিস কি রে কত সে সুখ,
আকাশ-পানে চাহিলে পরে
আকাশ-পানে তুলিলে মুখ।
সুদূর দূর, সুনীল নীল,
সুদূরে পাখি উড়িয়া যায়।
সুনীল দূরে ফুটিছে তারা,
সুদূর হতে আসিছে বায়।
প্রভাত-করে করি রে স্নান
        ঘুমাই ফুলবাসে,
পাখির গান লাগে রে যেন
দেহের চারি পাশে।
বাতাস যেন প্রাণের সখা,
প্রবাসে ছিল, নতুন দেখা,
ছুটিয়া আসে বুকের কাছে
        বারতা শুধাইতে।
চাহিয়া আছে আমার মুখে,
কিরণময় আমারি সুখে
আকাশ যেন আমারি তরে
        রয়েছে বুক পেতে।
মনেতে করি আমারি যেন
        আকাশ-ভরা প্রাণ,
আমারি প্রাণ হাসিতে ছেয়ে
জাগিছে উষা তরুণ মেয়ে,
করুণ আঁখি করিছে প্রাণে
        অরুণ- সুধা দান।
আমারি বুকে প্রভাতবেলা
ফুলেরা মিলি করিছে খেলা,
হেলিছে কত, দুলিছে কত,
        পুলকে ভরা মন,
আমারি তোরা বালিকা মেয়ে
        আমারি স্নেহধন।
আমারি মুখে চাহিয়া তোর
        আঁখিটি ফুটিফুটি।
আমারি বুকে আলয় পেয়ে
        হাসিয়া কুটিকুটি।
কেন রে বাছা, কেন রে হেন
        আকুল কিলিবিলি,
কী কথা যেন জানাতে চাস
        সবাই মিলি মিলি।
হেথায় আমি রহিব বসে
        আজি সকালবেলা
নীরব হয়ে দেখিব  চেয়ে
        ভাইবোনের খেলা।
বুকের কাছে পড়িবি ঢলে
        চাহিবি ফিরে ফিরে,
পরশি দেহে  কোমলদল
স্নেহেতে চোখে আসিবে জল,
শিশির-সম তোদের 'পরে
        ঝরিবে ধীরে ধীরে।
হৃদয় মোর আকাশ-মাঝে
তারার মতো উঠিতে চায়,
আপন সুখে ফুলের মতো
আকাশ-পানে ফুটিতে চায়।
নিবিড় রাতে আকাশে উঠে
চারি দিকে সে চাহিতে চায়,
তারার মাঝে হারায়ে গিয়ে
আপন মনে গাহিতে চায়।
মেঘের মতো হারায়ে দিশা
আকাশ-মাঝে ভাসিতে চায়--
কোথায় যাবে কিনারা নাই,
দিবসনিশি চলেছে তাই
বাতাস এসে লাগিছে গায়ে
জোছনা এসে পড়িছে পায়ে,
উড়িয়া কাছে গাহিছে পাখি,
মুদিয়া যেন এসেছে আঁখি,
আকাশ-মাঝে মাথাটি থুয়ে
আরামে যেন ভাসিয়া যায়,
হৃদয় মোর মেঘের মতো
আকাশ-মাঝে ভাসিতে চায়।
ধরার পানে মেলিয়া আঁখি
উষার মতো হাসিতে চায়।
জগৎ-মাঝে ফেলিতে পা
চরণ যেন উঠিছে না,
শরমে যেন হাসিছে মৃদু হাস,
হাসিটি যেন নামিল ভুঁয়ে,
জাগায়ে দিল ফুলেরে ছুঁয়ে,
মালতীবধূ হাসিয়া তারে
        করিল পরিহাস।
মেঘেতে হাসি জড়ায়ে যায়,
বাতাসে হাসি- গড়ায়ে যায়,
উষার হাসি--ফুলের হাসি
কানন-মাঝে ছড়ায়ে যায়।
হৃদয় মোর আকাশে উঠে
উষার মতো হাসিতে চায়।
আরো দেখুন