সংযোজন - ৬ (ami odhom abiswasi)

আমি অধম অবিশ্বাসী,

এ পাপমুখে সাজে না যে

                 'তোমায় আমি ভালোবাসি'।

গুণের অভিমানে মেতে

আর চাহি না আদর পেতে,

কঠিন ধুলায় বসে এবার

                 চরণসেবার অভিলাষী।

হৃদয় যদি জ্বলে, তারে

                   জ্বলিতে দাও, জ্বলিতে দাও।

ঘুরব না আর আপন ছায়ায়,

কাঁদব না আর আপন মায়ায়--

তোমার পানে রাখব ধরে

                   প্রাণের অচল হাসি।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

36
Verses
যাহা-কিছু চেয়েছিনু একান্ত আগ্রহে
তাহার চৌদিক হতে বাহুর বেষ্টন
অপসৃত হয় যবে,
তখন সে বন্ধনের মুক্তক্ষেত্রে
যে চেতনা উদ্ভাসিয়া উঠে
প্রভাত-আলোর সাথে
দেখি তার অভিন্ন স্বরূপ।
শূন্য, তবু সে তো শূন্য নয়।
তখন বুঝিতে পারি ঋষির সে বাণী--
আকাশ আনন্দপূর্ণ না রহিত যদি
জড়তার নাগপাশে দেহ মন হইত নিশ্চল।
কোহ্যেবান্যাৎ কঃ প্রাণ্যাৎ
যদেষ আকাশ আনন্দো ন স্যাৎ।
আরো দেখুন
গোধূলি
Verses
প্রাসাদভবনে নীচের তলায়
          সারাদিন কতমতো
     গৃহের সেবায় নিয়ত রয়েছ রত।
সেথা তুমি তব গৃহসীমানায়
          বহু মানুষের সনে
     শত গাঁঠে বাঁধা কর্মের বন্ধনে।
                   দিনশেষে আসে গোধূলির বেলা
ধূসর রক্তরাগে
ঘরের কোণায় দীপ জ্বালাবার আগে;
নীড়ে-ফেরা কাক দিয়ে শেষ ডাক
          উড়িল আকাশতলে,
     শেষ-আলো-আভা মিলায় নদীর জলে।
হাওয়া থেমে যায় বনের শাখায়
          আঁধার জড়ায়ে ধরে;
     নির্জন ছায়া কাঁপে ঝিল্লির স্বরে।
তখন একাকী সব কাজ রাখি
          প্রাসাদ-ছাদের ধারে
     দাঁড়াও যখন নীরব অন্ধকারে
জানি না তখন কী যে নাম তব,
          চেনা তুমি নহ আর,
     কোনো বন্ধনে নহ তুমি বাঁধিবার।
সেই ক্ষণকাল তব সঙ্গিনী
          সুদূর সন্ধ্যাতারা,
     সেই ক্ষণকাল তুমি পরিচয়হারা।
দিবসরাতির সীমা মিলে যায়;
          নেমে এস তার পরে,
     ঘরের প্রদীপ আবার জ্বালাও ঘরে।
আরো দেখুন
গদ্য ও পদ্য
Verses
শর কহে, আমি লঘু, গুরু তুমি গদা,
তাই বুক ফুলাইয়া খাড়া আছ সদা।
করো তুমি মোর কাজ, তর্ক যাক চুকে--
মাথা ভাঙা ছেড়ে দিয়ে বেঁধো গিয়ে বুকে।
আরো দেখুন