61 (she is still a child)

SHE IS STILL a child, my lord.

She runs about your palace and plays, and tries to make of you a plaything as well.

She heeds not when her hair tumbles down and her careless garment drags in the dust.

She falls asleep when you speak to her and answers not-and the

flower you give her in the morning slips to the dust from her hands.

When the storm bursts and darkness is over the sky she is sleepless; her dolls lie scattered on the earth and she clings to you in terror.

She is afraid that she may fail in service to you.

But with a smile you watch her at her game.

You know her.

The child sitting in the dust is your destined bride; her play will be stilled and deepened into love.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

58
Verses
YOURS IS THE light that breaks forth from the dark, and the good that sprouts from the cleft heart of strife.
Yours is the house that opens upon the world, and the love that calls to the battlefield.
Yours is the gift that still is a gain when everything is a loss, and the life that flows through the caverns of death.
Yours is the heaven that lies in the common dust, and you are there for me, you are there for all.
আরো দেখুন
সানাই
Verses
সারারাত ধ'রে
     গোছা গোছা কলাপাতা আসে গাড়ি ভ'রে।
                আসে সরা খুরি
                   ভূরি ভূরি।
                এপাড়া ওপাড়া হতে যত
          রবাহূত অনাহূত আসে শত শত;
               প্রবেশ পাবার তরে
                   ভোজনের ঘরে
          ঊর্ধ্বশ্বাসে ঠেলাঠেলি করে;
               ব'সে পড়ে যে পারে যেখানে,
                   নিষেধ না মানে।
          কে কাহারে হাঁক ছাড়ে হৈ হৈ,
                   এ কই, ও কই।
               রঙিন উষ্ণীষধর
          লালরঙা সাজে যত অনুচর
          অনর্থক ব্যস্ততায় ফেরে সবে
                   আপনার দায়িত্বগৌরবে।
          গোরুর গাড়ির সারি হাটের রাস্তায়,
               রাশি রাশি ধুলো উড়ে যায়,
                   রাঙা রাগে
               রৌদ্রে গেরুয়া রঙ লাগে।
ওদিকে ধানের কল দিগন্তে কালিমাধূম্র হাত
     ঊর্ধ্বে তুলি, কলঙ্কিত করিছে প্রভাত।
          ধান-পচানির গন্ধে
               বাতাসের রন্ধ্রে রন্ধ্রে
                   মিশাইছে বিষ।
থেকে থেকে রেলগাড়ি মাঠের ওপারে দেয় শিস।
          দুই প্রহরের ঘণ্টা বাজে।
সমস্ত এ ছন্দভাঙা অসংগতি-মাঝে
     সানাই লাগায় তার সারঙের তান।
কী নিবিড় ঐক্যমন্ত্র করিছে সে দান
     কোন্‌ উদ্ভ্রান্তের কাছে,
          বুঝিবার সময় কি আছে।
     অরূপের মর্ম হতে সমুচ্ছ্বাসি
          উৎসবের মধুচ্ছন্দ বিস্তারিছে বাঁশি।
               সন্ধ্যাতারা-জ্বালা অন্ধকারে
     অনন্তের বিরাট পরশ যথা অন্তর-মাঝারে,
                   তেমনি সুদূর স্বচ্ছ সুর
                        গভীর মধুর
     অমর্ত লোকের কোন্‌ বাক্যের অতীত সত্যবাণী
          অন্যমনা ধরণীর কানে দেয় আনি।
     নামিতে নামিতে এই আনন্দের ধারা
          বেদনার মূর্ছনায় হয় আত্মহারা।
          বসন্তের যে দীর্ঘনিশ্বাস
বিকচ বকুলে আনে বিদায়ের বিমর্ষ আভাস,
          সংশয়ের আবেগ কাঁপায়
     সদ্যঃপাতী শিথিল চাঁপায়,
          তারি স্পর্শ লেগে
সাহানার রাগিণীতে বৈরাগিণী ওঠে যেন জেগে,
     চলে যায় পথহারা অর্থহারা দিগন্তের পানে।
কতবার মনে ভাবি, কী যে সে কে জানে।
          মনে হয়, বিশ্বের যে মূল উৎস হতে
সৃষ্টির নির্ঝর ঝরে শূন্যে শূন্যে কোটি কোটি স্রোতে
     এ রাগিণী সেথা হতে আপন ছন্দের পিছু পিছু
          নিয়ে আসে বস্তুর অতীত কিছু
               হেন ইন্দ্রজাল
          যার সুর যার তাল
        রূপে রূপে পূর্ণ হয়ে উঠে
                   কালের অঞ্জলিপুটে।
          প্রথম যুগের সেই ধ্বনি
               শিরায় শিরায় উঠে রণরণি;
     মনে ভাবি, এই সুর প্রত্যহের অবরোধ-'পরে
               যতবার গভীর আঘাত করে
          ততবার ধীরে ধীরে কিছু কিছু খুলে দিয়ে যায়
               ভাবী যুগ-আরম্ভের অজানা পর্যায়।
নিকটের দুঃখদ্বন্দ্ব নিকটের অপূর্ণতা তাই
          সব ভুলে যাই,
     মন যেন ফিরে
          সেই অলক্ষ্যের তীরে তীরে
     যেথাকার রাত্রিদিন দিনহারা রাতে
          পদ্মের কোরক-সম প্রচ্ছন্ন রয়েছে আপনাতে।
আরো দেখুন
65
Verses
স্বার্থের সমাপ্তি অপঘাতে। অকস্মাৎ
পরিপূর্ণ স্ফীতি-মাঝে দারুণ আঘাত
বিদীর্ণ বিকীর্ণ করি চূর্ণ করে তারে
কালঝঞ্ঝাঝংকারিত দুর্যোগ-আঁধারে।
একের স্পর্ধারে কভু নাহি দেয় স্থান
দীর্ঘকাল নিখিলের বিরাট বিধান।
স্বার্থ যত পূর্ণ হয় লোভক্ষুধানল
তত তার বেড়ে ওঠে-- বিশ্বধরাতল
আপনার খাদ্য বলি না করি বিচার
জঠরে পুরিতে চায়। বীভৎস আহার
বীভৎস ক্ষুধারে করে নির্দয় নিলাজ--
তখন গর্জিয়া নামে তব রুদ্র বাজ।
ছুটিয়াছে জাতিপ্রেম মৃত্যুর সন্ধানে
বাহি স্বার্থতরী, গুপ্ত পর্বতের পানে।
আরো দেখুন