I (bid me and i shall)

BID ME AND I shall gather my fruits to bring them in full baskets into your courtyard, though some are lost and some not ripe.

For the season grows heavy with its fulness, and there is a plaintive shepherd's pipe in the shade.

Bid me and I shall set sail on the river.

The March wind is fretful, fretting the languid waves into murmurs.

The garden has yielded its all, and in the weary hour of evening the call comes from your house on the shore in the sunset.

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Rendition

Please Login first to submit a rendition. Click here for help.

Related Topics

অকালে
Verses
ভাঙা হাটে কে ছুটেছিস,
            পসরা লয়ে?
সন্ধ্যা হল, ওই-যে বেলা
            গেল রে বয়ে।
যে যার বোঝা মাথার 'পরে
ফিরে এল আপন ঘরে,
একাদশীর খণ্ড শশী
            উঠল পল্লীশিরে।
পারের গ্রামে যারা থাকে
উচ্চকণ্ঠে নৌকা ডাকে,
হাহা করে প্রতিধ্বনি
            নদীর তীরে তীরে।
কিসের আশে ঊর্ধ্বশ্বাসে
            এমন সময়ে
ভাঙা হাটে তুই ছুটেছিস
            পসরা লয়ে?
সুপ্তি দিল বনের শিরে
            হস্ত বুলায়ে,
কা কা ধ্বনি থেমে গেল
            কাকের কুলায়ে।
বেড়ার ধারে পুকুর-পাড়ে
ঝিল্লি ডাকে ঝোপে ঝাড়ে,
বাতাস ধীরে পড়ে এল,
            স্তব্ধ বাঁশের শাখা--
হেরো ঘরের আঙিনাতে
শ্রান্তজনে শয়ন পাতে,
সন্ধ্যাপ্রদীপ আলোক ঢালে
            বিরাম-সুধা-মাখা।
সকল চেষ্টা শান্ত যখন
            এমন সময়ে
ভাঙা হাটে কে ছুটেছিস,
            পসরা লয়ে?
আরো দেখুন
12
Verses
আপনার মাঝে আমি করি অনুভব
পূর্ণতর আজি আমি। তোমার গৌরব
মুহূর্তে মিশায়ে তুমি দিয়েছ আমাতে।
ছোঁয়ায়ে দিয়েছ তুমি আপনার হাতে
মৃত্যুর পরশমণি আমার জীবনে।
উঠেছ আমার শোকযজ্ঞহুতাশনে
নবীন নির্মল মূর্তি; আজি তুমি, সতী,
ধরিয়াছ অনিন্দিত সতীত্বের জ্যোতি,
নাহি তাহে শোকদাহ, নাহি মলিনিমা--
ক্লান্তিহীন কল্যাণের বহিয়া মহিমা
নিঃশেষে মিশিয়া গেছ মোর চিত্ত-সনে।
তাই আজি অনুভব করি সর্বমনে--
মোর পুরুষের প্রাণ গিয়েছে বিস্তারি
নিত্য তাহে মিলি গিয়া মৃত্যুহীন নারী।
আরো দেখুন
শেষপর্ব
Verses
যেথা দূর যৌবনের প্রান্তসীমা
সেথা হতে শেষ অরুণিমা
শীর্ণপ্রায়
আজি দেখা যায়।
সেথা হতে ভেসে আসে
চৈত্রদিবসে দীর্ঘশ্বাসে
অস্ফুট মর্মর
কোকিলের ক্লান্ত স্বর,
ক্ষীণস্রোত তটিনীর অলস কল্লোল,--
রক্তে লাগে মৃদুমন্দ দোল।
এ আবেশ মুক্ত হ'ক;
ঘোরভাঙা চোখ
শুভ্র সুস্পষ্টের মাঝে জাগিয়া উঠুক
রঙকরা দুঃখ সুখ
সন্ধ্যার মেঘের মতো যাক সরে
আপনারে পরিহাস করে।
মুছে যাক সেই ছবি-- চেয়ে থাকা পথপানে,
কথা কানে কানে,
মৌনমুখে হাতে হাত ধরা,
রজনীগন্ধায় সাজি ভরা,
চোখে চোখে চাওয়া
দুরু দুরু বক্ষ নিয়ে আসা আর যাওয়া।
যে-খেলা আপনা সাথে সকালে বিকালে
ছায়া-অন্তরালে,
সে খেলার ঘর হতে
হল আসিবার বেলা বাহির-আলোতে।
ভাঙিব মনের বেড়া কুসুমিত কাঁটালতা ঘেরা
যেথা স্বপনেরা
মধুগন্ধে মরে ঘুরে ঘুরে
গুণ গুণ সুরে।
নেব আমি বিপুল বৃহৎ
আদিম প্রাণের দেশ-- তেপান্তর মাঠের সে-পথ
সাত সমুদ্রের তটে তটে
যেখানে ঘটনা ঘটে,
নাই তার দায়,
যেতে যেতে দেখা যায়, শোনা যায়,
দিনরাত্রি যায় চলে
নানা ছন্দে নানা কলরোলে।
থাক্‌ মোর তরে
আপক্ক ধানের খেত অঘ্রানের দীপ্ত দ্বিপ্রহরে;
সোনার তরঙ্গদোলে
মুগ্ধ দৃষ্টি যার 'পরে ভেসে যায় চলে
কথাহীন ব্যথাহীন চিন্তাহীন সৃষ্টির সাগরে
যেথায় অদৃশ্য সাথি লীলাবরে
সারাদিন ভাষায় প্রহর যত
খেলার নৌকার মতো।
দূরে চেয়ে রব আমি স্থির
ধরণীর
বিস্তীর্ণ বক্ষের কাছে
যেথা শাল গাছে
সহস্র বর্ষের প্রাণ সমাহিত রয়েছে নীরবে
নিস্তব্ধ গৌরবে।
কেটে যাক আপনা-ভোলানো মোহ,
কেটে যাক আপনার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ,
প্রতি বৎসরের আয়ুকর্তব্যের আবর্জনাভার
না করুক স্তূপাকার,--
নির্ভাবনা তর্কহীন শাস্ত্রহীন পথ বেয়ে বেয়ে
যাই চলে অর্থহীন গান গেয়ে।
প্রাণে আর চেতনায় এক হয়ে ক্রমে
অনায়াসে মিলে যাব মৃত্যুমহাসাগর-সংগমে,
আলো-অঁধধারের দ্বন্দ্ব হয়ে ক্ষীণ
গোধূলি নিঃশব্দ রাত্রে যেমন অতলে হয় লীন।
আরো দেখুন